ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাগরে গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে সতর্কসংকেত বহাল রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদিপাহাড়ে সাইফুল হত্যাকান্ড : সিহাব নামের যুবক আটক চকরিয়ায় শিক্ষার্থীকে অপহরণ : যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি জোবায়ের, সা: সম্পাদক ওসমান জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই কক্সবাজার-টেকনাফ রুটে বাসভাড়া বৃদ্ধি কক্সবাজারে ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ইয়াবাসহ ১৩৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেপ্তার ২৯ হলদিয়ায় কিশোরকে মারধর করে অপহরণ : থানায় অভিযোগ দায়ের মহেশখালীতে ঘুরতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু লিংক রোডে এসআরবির হাতে আটক ২ ২ মাদক কারবারি : ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে চালু হলো মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিন ট্রাইব্যুনাল

কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করা আব্দুর রহিমের (৩৯) মরদেহ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছে।

মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ করিম।

তিনি জানান, বুধবার বাদ জোহর কলাতলী চন্দ্রিমা মাঠে প্রথম জানাজা, পরে বাহারছড়া গোলচত্বর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাহারছড়া কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার কিছু পর ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলো।

নিহত আব্দুর রহিমের ছোটো ভাই নুর আহমদ জানিয়েছেন, গেলো বুধবার কলাতলীর কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস লিকেজের পর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ আব্দুর রহিমসহ ৬ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চমেকে প্রেরণ করা হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু তাহের ও আব্দুর রহিম দুজনকে একসাথে গেলো শুক্রবার ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরন করেন। আব্দুর রহিম কলাতলী এন.আলমের মালিকানাধীন সেই গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। আগুনে তার গ্যারেজ, নিজের মালিকানাধীন ৪ টি জিপও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের সময় নিহত সিএনজি অটো চালক আবু তাহের ও আব্দুর রহিম একসাথে গ্যারেজের ভেতর ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধু, আগুনে আবু তাহেরের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়।

প্রয়াত আব্দুর রহিমের বাড়ী পূর্ব কলাতলীর চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায়। মৃত্যুকালে ৩ স্ত্রী, ৭ ছেলে মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে গভীর নিম্নচাপ, বন্দরে সতর্কসংকেত বহাল

কলাতলীর আব্দুর রহিমের মরদেহ কক্সবাজারের পথে:বুধবার বাদ জোহর ২ দফা জানাজা

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরন করা আব্দুর রহিমের (৩৯) মরদেহ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের পথে রওয়ানা হয়েছে।

মঙ্গলবার মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে মরদেহ নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয় বলে জানিয়েছেন নিহতের বড় ভাই মোহাম্মদ করিম।

তিনি জানান, বুধবার বাদ জোহর কলাতলী চন্দ্রিমা মাঠে প্রথম জানাজা, পরে বাহারছড়া গোলচত্বর মসজিদ প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাহারছড়া কবরস্থানে তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার সকাল ৮ টার কিছু পর ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ নিয়ে কলাতলীর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ১০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃত্যু হলো।

নিহত আব্দুর রহিমের ছোটো ভাই নুর আহমদ জানিয়েছেন, গেলো বুধবার কলাতলীর কক্সবাজার এলপিজি স্টেশনে গ্যাস লিকেজের পর অগ্নিকান্ডে দগ্ধ আব্দুর রহিমসহ ৬ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে চমেকে প্রেরণ করা হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবু তাহের ও আব্দুর রহিম দুজনকে একসাথে গেলো শুক্রবার ঢাকার জাতীয় বার্ণ ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মঙ্গলবার সকালে মৃত্যুবরন করেন। আব্দুর রহিম কলাতলী এন.আলমের মালিকানাধীন সেই গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। আগুনে তার গ্যারেজ, নিজের মালিকানাধীন ৪ টি জিপও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অগ্নিকান্ডের সময় নিহত সিএনজি অটো চালক আবু তাহের ও আব্দুর রহিম একসাথে গ্যারেজের ভেতর ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধু, আগুনে আবু তাহেরের শরীরের ৯০ শতাংশ এবং আব্দুর রহিমের শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যায়।

প্রয়াত আব্দুর রহিমের বাড়ী পূর্ব কলাতলীর চন্দ্রিমা মাঠ এলাকায়। মৃত্যুকালে ৩ স্ত্রী, ৭ ছেলে মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।