ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার রামুতে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই: প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি কউকে ভাঙ্গল ‘রিশাদ’ সিন্ডিকেট, ঘুষ ছাড়া মিলত না ভবন তৈরির অনুমতি লবণচাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবিতে মহেশখালী রান ২০২৬, রেজিস্ট্রেশন শুরু নাহিদের গতির ঝড় আর তানজিদের ব্যাটিং তাণ্ডবে পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ খেজুর দূর করবে রোজার ক্লান্তি সাগরে নি’হত কুতুবদিয়ার দুই জেলে পরিবার পেলো সহায়তার ৫০ হাজার টাকা উখিয়ায় সেহেরির সময় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি : সালাহউদ্দিন আহমদ গর্জনিয়ায় তাঁতীদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আরেক মামলায় আনিস আলমগীরের জামিন, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ প্রতিবেদন, নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরীর নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের একটি অংশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। তারা নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। গুটিকয়েক শিক্ষক ইতোমধ্যে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ অবৈধ’ দাবি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের আলোকে ১৯ মে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে অধিদপ্তর।

এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তা রাজনৈতিক পক্ষপাত দুষ্টু হয়েছে বলে মহাপরিচালককে লিখিত অভিযোগ করেন এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী। গত ১৮ মে তিনি এই অভিযোগটি দাখিল করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুন:তদন্ত/শুনানির জন্য উপ-পরিচালক (কলেজ -২) মুহাম্মদ নওশের আলীকে দায়িত্ব দেন মহাপরিচালক ড. আজাদ খান।
তবে পুন:তদন্ত/শুনানি কখন হবে তা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে জানান এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক গত ১৬ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হই। আমার বৈধ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অবস্থান নেয়।

বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কলেজের প্রশাসনিক পটপরিবর্তনের পর এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে কক্সবাজার সিটি কলেজ। এ সময় অধ্যক্ষের অবসর পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করে যে উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়নি।

উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/৫১৭/৯, তারিখঃ ১২/০২/২০২৫ খ্রিঃ অনুযায়ী জনাব ইমরান আলী, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৪), এবং মোঃ মাঈন উদ্দিন, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩), একটি তদন্ত কমিটি হিসেবে ২০ শে ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার সিটি কলেজে আগমন করেন।

এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী দুঃখের সঙ্গে বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে উক্ত কমিটির সদস্যদ্বয়ের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং প্রাথমিকভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়। তাঁরা শিক্ষক সমাজের একাংশের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং কলেজের সামগ্রিক বাস্তবতা বিবেচনা না করেই পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/১৬৩৯/৬ তারিখ: ১৭/০৫/২০২৫ মূলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ স্মারক নং: ৩৭.০০.০০০০.০৪৭.০০২.০০১.২০২১.৫১ তারিখ-০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ এর পরিপত্রের পরিপন্থী উল্লেখ করে রিপোর্ট দেয়। অথচ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারী কলেজ শিক্ষকদের চাকুরীর শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) -২০১৯ এর ধারা ২(i), (ii), (iii) মেনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার বিন্দুমাত্রও ব্যত্যয় ঘটেনি।

এমতাবস্থায়, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তদন্ত কমিটি তাদের দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে একটি নির্দেশনা জারী করেন।

বিষয়টির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট পুনমূল্যায়ন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. আকতার উদ্দিন চৌধুরী।

ট্যাগ :

দ্বীপবর্তিকার ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগের বিরুদ্ধে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ প্রতিবেদন, নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ

আপডেট সময় : ১১:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

কক্সবাজার সিটি কলেজে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরীর নিয়োগের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের একটি অংশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন। তারা নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। গুটিকয়েক শিক্ষক ইতোমধ্যে ‘ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ অবৈধ’ দাবি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগের আলোকে ১৯ মে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছে অধিদপ্তর।

এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন তা রাজনৈতিক পক্ষপাত দুষ্টু হয়েছে বলে মহাপরিচালককে লিখিত অভিযোগ করেন এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী। গত ১৮ মে তিনি এই অভিযোগটি দাখিল করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুন:তদন্ত/শুনানির জন্য উপ-পরিচালক (কলেজ -২) মুহাম্মদ নওশের আলীকে দায়িত্ব দেন মহাপরিচালক ড. আজাদ খান।
তবে পুন:তদন্ত/শুনানি কখন হবে তা এখনো জানা যায়নি।

এদিকে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে জানান এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক গত ১৬ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হই। আমার বৈধ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অবস্থান নেয়।

বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কলেজের প্রশাসনিক পটপরিবর্তনের পর এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে কক্সবাজার সিটি কলেজ। এ সময় অধ্যক্ষের অবসর পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অভিযোগ উত্থাপন করে যে উক্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়নি।

উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/৫১৭/৯, তারিখঃ ১২/০২/২০২৫ খ্রিঃ অনুযায়ী জনাব ইমরান আলী, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৪), এবং মোঃ মাঈন উদ্দিন, সহকারী পরিচালক (কলেজ-৩), একটি তদন্ত কমিটি হিসেবে ২০ শে ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার সিটি কলেজে আগমন করেন।

এস এম আকতার উদ্দিন চৌধুরী দুঃখের সঙ্গে বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে উক্ত কমিটির সদস্যদ্বয়ের আচরণ পক্ষপাতদুষ্ট এবং প্রাথমিকভাবে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের অনুসারীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়। তাঁরা শিক্ষক সমাজের একাংশের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং কলেজের সামগ্রিক বাস্তবতা বিবেচনা না করেই পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং স্মারক নং-৭জি-৮৫০(ক-৩)/২০০৫ (অংশ-১)/১৬৩৯/৬ তারিখ: ১৭/০৫/২০২৫ মূলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ স্মারক নং: ৩৭.০০.০০০০.০৪৭.০০২.০০১.২০২১.৫১ তারিখ-০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ এর পরিপত্রের পরিপন্থী উল্লেখ করে রিপোর্ট দেয়। অথচ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ হওয়ায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারী কলেজ শিক্ষকদের চাকুরীর শর্তাবলী রেগুলেশন (সংশোধিত) -২০১৯ এর ধারা ২(i), (ii), (iii) মেনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। এতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালার বিন্দুমাত্রও ব্যত্যয় ঘটেনি।

এমতাবস্থায়, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে তদন্ত কমিটি তাদের দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে একটি নির্দেশনা জারী করেন।

বিষয়টির প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট পুনমূল্যায়ন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম. আকতার উদ্দিন চৌধুরী।