ঢাকা ০৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু কক্সবাজার সৈকত-সংলগ্ন সড়ক নির্মাণ স্থগিত ও নকশা পুনর্মূল্যায়নের দাবি কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে সড়ক নির্মাণ: ডিসিসহ চারজনকে আদালত অবমাননার নোটিশ দেশব্যাপী বিশেষ অভিযানে ৫৩ হাজার ৫১৮ জন গ্রেপ্তার দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ১২৯ বার পেছাল নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় রাষ্ট্রপতির শোক ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-চীনের ১৫০০ মানুষ নিখোঁজ জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কক্সবাজার প্রেসক্লাবে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত পবিত্র ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ৭০০ পরিবারের মাঝে তবারুক বিতরণ ২৪ বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত পেকুয়ার নন্দীরপাড়া স্টেশন সড়ক ভেসে এলো নিখোঁজ আলবার্টের মরদেহ : জীবিত উদ্ধার নিউজিল্যান্ডের নাগরিকেরা কোস্টগার্ডের হেফাজতে উখিয়া সীমান্তে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ ১

মে মাসে এলো ২৯৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

ঈদের আগের মাস মে-তে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা প্রায় ৩২ শতাংশ বেশি। আর একক মাস হিসেবে এ যাবৎকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এখন পর্যন্ত কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ ৩৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে গত ঈদের আগের মাস মার্চে। মূলত অর্থপাচার কমে যাওয়ায় হুন্ডি ব্যাপকভাবে কমেছে। যে কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় ব্যাপক বাড়ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ৭৫১ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলার। এর মানে ১১ মাসে বেশি এসেছে ৬১৩ কোটি ডলার বা ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ। রেমিট্যান্সের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। বৈদেশিক মুদ্রার দর বাজারভিত্তিক করার পরও ১২২ থেকে ১২৩ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে ডলার। আগের মতো ডলার নিয়ে হাহাকার নেই ব্যবসায়ীদের।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে অর্থপাচারে ঠেকাতে কড়াকড়ি করছে সরকার। আগের পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থপাচারে শীর্ষ সন্দেহভাজন শেখ হাসিনা পরিবার ও ১১ ব্যবসায়ী গ্রুপের বিষয়ে ১১টি যৌথ তদন্ত চলমান আছে। এরই মধ্যে এসব ব্যক্তিদের ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর পর দেশে লকডাউনের মধ্যে রেমিট্যান্সে এ রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ২০২০–২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার যা ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয়েও ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যা কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে। আগে যেখানে ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমছিল, এখন বাড়ছে। টানা ২০ মাস পর গত এপ্রিল শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অবশ্য আকু পরিশোধের পর তা কমে যায়। বর্তমানে রিজার্ভ রয়েছে ২০ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগের পতনের সময় রিজার্ভ ছিল যেখানে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।

সুত্র : সমকাল

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মে মাসে এলো ২৯৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

ঈদের আগের মাস মে-তে রেমিট্যান্স এসেছে ২৯৭ কোটি ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় যা প্রায় ৩২ শতাংশ বেশি। আর একক মাস হিসেবে এ যাবৎকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এখন পর্যন্ত কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ ৩৩০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে গত ঈদের আগের মাস মার্চে। মূলত অর্থপাচার কমে যাওয়ায় হুন্ডি ব্যাপকভাবে কমেছে। যে কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় ব্যাপক বাড়ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা মোট ২ হাজার ৭৫১ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলার। এর মানে ১১ মাসে বেশি এসেছে ৬১৩ কোটি ডলার বা ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ। রেমিট্যান্সের এই উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছে। বৈদেশিক মুদ্রার দর বাজারভিত্তিক করার পরও ১২২ থেকে ১২৩ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে ডলার। আগের মতো ডলার নিয়ে হাহাকার নেই ব্যবসায়ীদের।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে অর্থপাচারে ঠেকাতে কড়াকড়ি করছে সরকার। আগের পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। অর্থপাচারে শীর্ষ সন্দেহভাজন শেখ হাসিনা পরিবার ও ১১ ব্যবসায়ী গ্রুপের বিষয়ে ১১টি যৌথ তদন্ত চলমান আছে। এরই মধ্যে এসব ব্যক্তিদের ১ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। এর আগে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রভাব শুরুর পর দেশে লকডাউনের মধ্যে রেমিট্যান্সে এ রকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ২০২০–২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৮ কোটি ডলার যা ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের পাশাপাশি রপ্তানি আয়েও ভালো প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে যা কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়েছে। আগে যেখানে ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমছিল, এখন বাড়ছে। টানা ২০ মাস পর গত এপ্রিল শেষে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। অবশ্য আকু পরিশোধের পর তা কমে যায়। বর্তমানে রিজার্ভ রয়েছে ২০ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগের পতনের সময় রিজার্ভ ছিল যেখানে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।

সুত্র : সমকাল