ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অটুট রাখতে হবে : রাষ্ট্রপতি মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা সাজেকে চাঁদের গাড়ি উল্টে ৭ পর্যটক আহত জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বছরে কয়েকবার উচ্ছেদ, তবুও যানজটের কারণ সেই বিদ্যুতের খুঁটি ‘জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সকল সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব’ কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন: মালিককে প্রধান আসামি করে পুলিশের মামলা টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই কুতুবদিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৩ বাড়ি ও দোকান পুড়ে ছাই, নিঃস্ব ১৩ পরিবার লোহাগাড়ায় এক কিশোরীর কান্ড আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ মাইক্রোফোন হাতে শুরু ‘বিয়ের প্রথম সকাল’, নজর কাড়ল সাংবাদিক শামীমের পেশাদারিত্ব কক্সবাজার-৩ আসনের সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা জানালেন এমপি লুৎফুর রহমান কাজল

মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা

সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬ টা, রান্নাঘরের গ্যাসের চুলায় চা বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন টুপটুপ রেস্ট্রো এন্ড রিসোর্টে কর্মরত এক রেস্টুরেন্ট কর্মী। কিছুক্ষণ পর সেই রান্নাঘর থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, মুহুর্তেই ১০ শতক জমির উপর নির্মিত

রিসোর্টটির সবর্ত্র আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।

গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ঘটা ভয়াবহ এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস, ২৪ ঘন্টা পার হলেও এখনো ঐ হোটেলে অবস্থান করা যশোরের একই পরিবারের চার সদস্যের কোনো হদিস মেলেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও টুপটুপের কর্মীদের সাথে কথা বলা জানা গেছে, আগুন লাগার পরপর টুপটুপের প্রায় সব কর্মী ও রিসোর্টের কয়েকজন অতিথি দ্রুত বেরিয়ে পড়লেও নিহতরা কক্ষে আটকা পড়েন।

রিসোর্টের দ্বিতীয় তলায় ছিলো প্রতিষ্ঠানটির মালিকের পোষা দুটি কুকুর ও চারটি বিড়াল। আগুনের সূত্রপাত হলে টুপটুপের ৪-৫ জন কর্মী প্রথমে সেই প্রাণীগুলো নিয়ে দ্রুত উদ্ধার করে রিসোর্টের বাইরে চলে আসে বলে জানান এক প্রত্যক্ষদর্শী।

টুপটুপ রিসোর্ট থেকে অদূরে বসতঘর প্রত্যক্ষদর্শী সেই যুবকের। তিনি জানান, ‘ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়ে ঘুম ভেঙ্গে যাই, বাইরে এসে দেখি টুপটুপ জ্বলছে। প্রতিষ্ঠানটির  ৪-৫ জন কর্মী কুকুর ও বিড়াল নিয়ে ছোটাছুটি করছেন, যেগুলো তাদের মালিক পোষতেন বলে জানতাম। তানভীরকে (মালিক) অসংখ্যবার কুকুর সহ বীচে হাটতে দেখেছি।’

অগ্নিকান্ড ও প্রাণহানির ঘটনায় টুপটুপ রিসোর্টের সেই মালিক তানভীর সুলতান মিয়াকে ১নং আসামীসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে উখিয়া থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে, যার বাদী পুলিশ।

তানভীরের ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোরশেদকেও আসামী করা হয়েছে এবং ঘটনার দিন শনিবার সন্ধ্যায় আটক রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এক আসামীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

গ্রেফতারের আগে সুমন সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকান্ডের সময় তিনি সহ রিসোর্টের ১৯ জন কর্মী সেখানে কর্মরত ছিলেন এবং আগুন লাগার পরপরই তারা প্রাণ বাঁচাতে বেরিয়ে পড়েন। এছাড়াও রিসোর্টের ৯ টি কক্ষের ৬ টিতে ২১ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন বলে জানান তিনি।

ঘটনার পর থেকে পলাতক মালিক তানভীর, অনুমোদন ছাড়াই চলছিল টুপটুপ

২০২২ সালের জুনে উখিয়ার ইনানী মৌজায় গিয়াস উদ্দিন গং থেকে প্রায় কোটি টাকা মূল্যে মেরিনড্রাইভ লাগোয়া ১০ শতক জমি ক্রয় করেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বাসিন্দা টিপু সুলতান মিয়ার পুত্র তানভীর সুলতান মিয়া।

পরে বন্ধু নিয়াজ মোরশেদসহ সেই জমিতে টুপটুপ রিসোর্ট গড়ে তোলেন তিনি এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় যার ব্যবসায়িক কার্যক্রম।

রিসোর্ট ব্যবসার পাশাপাশি তানভীরের রয়েছে সার্ফনেট নামে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। টুপটুপে অতিথিদের আর্কষণের জন্য পোষ্য কুকুর-বিড়ালের একটি সংগ্রহশালা বানিয়েছিলেন তিনি, যেখানে কেনি নামের ইতালিয়ান প্রজাতির ও কিয়ানা নামে আরেকটি জার্মান প্রজাতির কুকুর ছিলো।

এছাড়াও পার্সিয়ান সহ বিদেশি প্রজাতির কয়েকটি বিড়াল রাখা ছিলো সেই সংগ্রহশালায়, পোষার পাশাপাশি তিনি প্রাণীগুলো ক্রয়-বিক্রয় করতেন বলে জানা গেছে। অগ্নিকান্ডের পর থেকে তানভীর পলাতক রয়েছেন এছাড়াও তার ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোরশেদেরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ বলেন, রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ছিল না। গত জুনে পরিদর্শনের পর স্থাপনাটিকে অনিরাপদ উল্লেখ করে সতর্কতামূলক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

তিনি জানান, তিনতলা কাঠের ভবনটির নিচতলায় রেস্তোরাঁ এবং ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ।

এছাড়াও নিয়মের তোয়াক্কা না করে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) এর অনুমোদন ছাড়াই চলছিল টুপটুপ।

কউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন জানান, ‘ প্রতিষ্ঠানটির কোন বৈধ কোন অনুমোদন ছিল না। এব্যাপারে নোটিশ দেওয়া হলেও মালিক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি না সরিয়ে অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।’

অগ্নিকান্ডের অধিকতর তদন্তে কাজ করছে জেলাপ্রশাসনের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি, মঙ্গলবারের মধ্যে সেই কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান।

উখিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামী তানভীর সহ অন্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাত খু’ন, মেজর সিনহা ও আবরার হ’ত্যা মামলার আপিল দ্রুত শুনানির বিশেষ উদ্যোগ

মালিক তানভীরের পোষা কুকুর সহ পালায় টুপটুপের কর্মীরা

আপডেট সময় : ০২:২৬:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬ টা, রান্নাঘরের গ্যাসের চুলায় চা বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন টুপটুপ রেস্ট্রো এন্ড রিসোর্টে কর্মরত এক রেস্টুরেন্ট কর্মী। কিছুক্ষণ পর সেই রান্নাঘর থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়, মুহুর্তেই ১০ শতক জমির উপর নির্মিত

রিসোর্টটির সবর্ত্র আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে।

গতকাল শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ঘটা ভয়াবহ এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস, ২৪ ঘন্টা পার হলেও এখনো ঐ হোটেলে অবস্থান করা যশোরের একই পরিবারের চার সদস্যের কোনো হদিস মেলেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও টুপটুপের কর্মীদের সাথে কথা বলা জানা গেছে, আগুন লাগার পরপর টুপটুপের প্রায় সব কর্মী ও রিসোর্টের কয়েকজন অতিথি দ্রুত বেরিয়ে পড়লেও নিহতরা কক্ষে আটকা পড়েন।

রিসোর্টের দ্বিতীয় তলায় ছিলো প্রতিষ্ঠানটির মালিকের পোষা দুটি কুকুর ও চারটি বিড়াল। আগুনের সূত্রপাত হলে টুপটুপের ৪-৫ জন কর্মী প্রথমে সেই প্রাণীগুলো নিয়ে দ্রুত উদ্ধার করে রিসোর্টের বাইরে চলে আসে বলে জানান এক প্রত্যক্ষদর্শী।

টুপটুপ রিসোর্ট থেকে অদূরে বসতঘর প্রত্যক্ষদর্শী সেই যুবকের। তিনি জানান, ‘ বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়ে ঘুম ভেঙ্গে যাই, বাইরে এসে দেখি টুপটুপ জ্বলছে। প্রতিষ্ঠানটির  ৪-৫ জন কর্মী কুকুর ও বিড়াল নিয়ে ছোটাছুটি করছেন, যেগুলো তাদের মালিক পোষতেন বলে জানতাম। তানভীরকে (মালিক) অসংখ্যবার কুকুর সহ বীচে হাটতে দেখেছি।’

অগ্নিকান্ড ও প্রাণহানির ঘটনায় টুপটুপ রিসোর্টের সেই মালিক তানভীর সুলতান মিয়াকে ১নং আসামীসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে উখিয়া থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছে, যার বাদী পুলিশ।

তানভীরের ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোরশেদকেও আসামী করা হয়েছে এবং ঘটনার দিন শনিবার সন্ধ্যায় আটক রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে এক আসামীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।

গ্রেফতারের আগে সুমন সাংবাদিকদের জানান, অগ্নিকান্ডের সময় তিনি সহ রিসোর্টের ১৯ জন কর্মী সেখানে কর্মরত ছিলেন এবং আগুন লাগার পরপরই তারা প্রাণ বাঁচাতে বেরিয়ে পড়েন। এছাড়াও রিসোর্টের ৯ টি কক্ষের ৬ টিতে ২১ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন বলে জানান তিনি।

ঘটনার পর থেকে পলাতক মালিক তানভীর, অনুমোদন ছাড়াই চলছিল টুপটুপ

২০২২ সালের জুনে উখিয়ার ইনানী মৌজায় গিয়াস উদ্দিন গং থেকে প্রায় কোটি টাকা মূল্যে মেরিনড্রাইভ লাগোয়া ১০ শতক জমি ক্রয় করেন চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার বাসিন্দা টিপু সুলতান মিয়ার পুত্র তানভীর সুলতান মিয়া।

পরে বন্ধু নিয়াজ মোরশেদসহ সেই জমিতে টুপটুপ রিসোর্ট গড়ে তোলেন তিনি এবং ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় যার ব্যবসায়িক কার্যক্রম।

রিসোর্ট ব্যবসার পাশাপাশি তানভীরের রয়েছে সার্ফনেট নামে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। টুপটুপে অতিথিদের আর্কষণের জন্য পোষ্য কুকুর-বিড়ালের একটি সংগ্রহশালা বানিয়েছিলেন তিনি, যেখানে কেনি নামের ইতালিয়ান প্রজাতির ও কিয়ানা নামে আরেকটি জার্মান প্রজাতির কুকুর ছিলো।

এছাড়াও পার্সিয়ান সহ বিদেশি প্রজাতির কয়েকটি বিড়াল রাখা ছিলো সেই সংগ্রহশালায়, পোষার পাশাপাশি তিনি প্রাণীগুলো ক্রয়-বিক্রয় করতেন বলে জানা গেছে। অগ্নিকান্ডের পর থেকে তানভীর পলাতক রয়েছেন এছাড়াও তার ব্যবসায়িক অংশীদার নিয়াজ মোরশেদেরও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ বলেন, রিসোর্টটির অগ্নিনিরাপত্তার ছাড়পত্র ছিল না। গত জুনে পরিদর্শনের পর স্থাপনাটিকে অনিরাপদ উল্লেখ করে সতর্কতামূলক নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

তিনি জানান, তিনতলা কাঠের ভবনটির নিচতলায় রেস্তোরাঁ এবং ওপরের দুই তলায় পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা ও অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের স্থাপনা পরিচালনা ঝুঁকিপূর্ণ।

এছাড়াও নিয়মের তোয়াক্কা না করে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) এর অনুমোদন ছাড়াই চলছিল টুপটুপ।

কউকের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার জসিম উদ্দিন জানান, ‘ প্রতিষ্ঠানটির কোন বৈধ কোন অনুমোদন ছিল না। এব্যাপারে নোটিশ দেওয়া হলেও মালিক কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি না সরিয়ে অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।’

অগ্নিকান্ডের অধিকতর তদন্তে কাজ করছে জেলাপ্রশাসনের ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি, মঙ্গলবারের মধ্যে সেই কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান।

উখিয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান জানান, মামলার প্রধান আসামী তানভীর সহ অন্যদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।