মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টার দিকে রামুর মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট এলাকায় আরাকান সড়কে সন্দেহজনকভাবে একটি মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালায় বিজিবি সদস্যরা। এ সময় মোটরসাইকেলটির চালক মোহাম্মদ আলী মুন্না শিকদারকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোটরসাইকেলের গোপন একটি বাক্সে বিশেষভাবে প্যাকেটজাত অবস্থায় ৫৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার পর রামুর মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে দায়িত্বে থাকা ৩০ বিজিবির নায়েক সুবেদার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে ইয়াবাসহ ওই ব্যক্তিকে আটকের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।
মামলার বাদী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, আটক ব্যক্তি আর্মড পুলিশ ব্যটালিয়ন বা এপিবিএন সদস্য কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে আটকের সময় তার কাছ থেকে পাওয়া নাম-পরিচয়ের ভিত্তিতে তাকে হেফাজতে নিয়ে রামু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে, রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, বিজিবির দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তি এপিবিএনের সদস্য কি না, সে বিষয়েও তিনি নিশ্চিত নন বলে প্রতিবেদককে জানান।
তবে ওসি বলেন, আটক ব্যক্তি যে বাহিনীর সদস্যই হোন না কেন, অপরাধ করলে কেউই আইনের আওতার বাইরে থাকবেন না।
এদিকে, ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউসার সিদ্দিকী জানান, ইয়াবাসহ আটক মোহাম্মদ আলী মুন্না এপিবিএনের সদস্য। তিনি ২১ দিনের ছুটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মুন্নাকে ১৬ এপিবিএন থেকে ঢাকায় বদলি করা হয়। তবে নতুন কর্মস্থলে এখনো যোগদান করেননি তিনি।
অধিনায়ক বলেন, ছুটিতে থাকা অবস্থাতেই মুন্না এ ধরনের জঘন্য অপরাধে জড়িয়েছেন।
তৌফিক লিপু: 




















