ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশ পরিচয়ে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি: চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার চৌফলদণ্ডী ও ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস এমপি কাজলের লালদিঘি পাড় এলাকার ব্যবসায়ী বাহার ছড়ার সৈয়দ সওদাগরের ইন্তেকাল সীমান্তে ইয়াবার সর্ববৃহৎ চালান আটক : ৪২ কোটি টাকার ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ বন্যার্ত ১৪’শ মানুষের পাশে মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল যে কারণে তিন কিশোরের হাতে ফুটবল তুলে দিলেন কুতুবদিয়ার ইউএনও কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ২২ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শোয়াইব, সদস্য সচিব তারেক দাপ্তারিক চিঠিপত্রে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ বাদের সিদ্ধান্ত মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট চকরিয়ায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে ধর্ষণ: পারভেজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সেনাবাহিনীর ফায়ারিং মহড়ায় দুই সৈনিক নিহত ৫৪ হাজার ইয়াবাসহ এপিবিএন সদস্য আটক, পরিচয় জানতেন না বাদী এবং ওসি, এপিবিএন অধিনায়ক বললেন জঘন্য কাজ পলিথিন-প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রিট খারিজ, ছবি ছাড়া করা যাবে না জাতীয় পরিচয়পত্র

বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায়

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 1239

কক্সবাজার শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে একে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, এর সীমানায় থাকা সব দখলদারকে উচ্ছেদের নির্দেশও দেন আদালত।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রায়ের পুর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।

হাইকোর্ট তার পুর্ণাঙ্গ রায়ে ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, আগামী ৪ মাসের মধ্যে বাকখালী নদী ও এর আশপাশের এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, আরএস ও বিএস ম্যাপ অনুযায়ী এবং নদীর বর্তমান প্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ ও পিলার স্থাপন করার নির্দেশ দেন।

এছাড়া, আগামী ৪ মাসের মধ্যে সব অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং নদীকে দূষণমুক্ত, নদীর দুই তীরে উজাড় হওয়া উপকূলীয় বন পুনরায় পুনরুদ্ধার বা বনায়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এই মামলাটিকে ‘কন্টিনিউয়াস ম্যানডামাস’ বা চলমান তদারকি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর ফলে নদী রক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি বছর জানুয়ারি এবং জুলাই মাসে (প্রতি ছয় মাস পরপর) নিয়মিতভাবে আদালতে জমা দিতে হবে বলা হয়েছে।

কলম্বিয়ার আত্রাতো ও পেরুর মারানিওন নদীর উদাহরণ টেনে আদালত মনে করিয়ে দেন– নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এর নিজস্ব আইনি সত্তা ও অধিকার রয়েছে।

উল্লেখ্য, দখল থেকে বাঁকখালী নদীকে মুক্ত করে এর জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালে প্রতিকার চেয়ে ‘বেলা’ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। মামলাটি বানচাল করতে এর বিরুদ্ধে দখলকারীরা ২০২৩ সালে অপর একটি মামলা দায়ের করে, যা গত ২৪ আগস্ট খারিজ করে দেন আদালত।

সূত্র: যমুনা টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ পরিচয়ে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি: চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার

বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায়

আপডেট সময় : ০৮:১২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কক্সবাজার শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে একে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে, এর সীমানায় থাকা সব দখলদারকে উচ্ছেদের নির্দেশও দেন আদালত।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) দায়ের করা এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

আজ মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রায়ের পুর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।

হাইকোর্ট তার পুর্ণাঙ্গ রায়ে ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী, আগামী ৪ মাসের মধ্যে বাকখালী নদী ও এর আশপাশের এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ হিসেবে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, আরএস ও বিএস ম্যাপ অনুযায়ী এবং নদীর বর্তমান প্রবাহ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ ও পিলার স্থাপন করার নির্দেশ দেন।

এছাড়া, আগামী ৪ মাসের মধ্যে সব অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ এবং নদীকে দূষণমুক্ত, নদীর দুই তীরে উজাড় হওয়া উপকূলীয় বন পুনরায় পুনরুদ্ধার বা বনায়ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এই মামলাটিকে ‘কন্টিনিউয়াস ম্যানডামাস’ বা চলমান তদারকি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর ফলে নদী রক্ষায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তার অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রতি বছর জানুয়ারি এবং জুলাই মাসে (প্রতি ছয় মাস পরপর) নিয়মিতভাবে আদালতে জমা দিতে হবে বলা হয়েছে।

কলম্বিয়ার আত্রাতো ও পেরুর মারানিওন নদীর উদাহরণ টেনে আদালত মনে করিয়ে দেন– নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এর নিজস্ব আইনি সত্তা ও অধিকার রয়েছে।

উল্লেখ্য, দখল থেকে বাঁকখালী নদীকে মুক্ত করে এর জৌলুস ফিরিয়ে আনতে ২০১৪ সালে প্রতিকার চেয়ে ‘বেলা’ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। মামলাটি বানচাল করতে এর বিরুদ্ধে দখলকারীরা ২০২৩ সালে অপর একটি মামলা দায়ের করে, যা গত ২৪ আগস্ট খারিজ করে দেন আদালত।

সূত্র: যমুনা টিভি