ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: গ্রেফতার ১৮ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র-বিস্ফোরক মজুদের অভিযোগ, অভিযানের আবেদন কুতুবদিয়ায় অগ্নিকাণ্ড : ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ বসতবাড়ি সী-প্রিন্সেস হোটেলে আ গু ন, অল্পের জন্য ৩’শ পর্যটক পেলেন রক্ষা তিন দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত বাহারছড়ার কৃষক রফিক টেকনাফে আগুনে পুড়ল আট কক্ষের ভাড়া বাসা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা নজরুল বর্ষ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত হওয়া শিল্পীদের সংবর্ধনা পেকুয়ায় পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু সম্মান ক্ষুন্ন করতে ও পাওনা টাকা না দিতে অপপ্রচার চালাচ্ছে:ফখরুল ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে মহানগর এক্সপ্রেস চালু ৩৫ লিটার চোলাই মদসহ আটক,ঈদগাঁও থানার হেফাজত থেকে পালাল কিশোর! উখিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবাসহ যুবদল নেতা গ্রেপ্তার, পালালেন আরও দুজন  অপ্রতিম হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, আসামি চারজন

ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট!

স্থানীয়দের সাহসী উদ্যোগেই বাঁচল কয়েকটি মার্কেট, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে উদ্বেগ ব্যবসায়ীদের।

কক্সবাজারের পূর্ব বাজার ঘাটা তথা বার্মিজ মার্কেট এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট। জরুরি মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সাহসী উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।

বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পূর্ব বাজার ঘাটা, বৌদ্ধ মন্দির সড়কের প্রবেশমুখে আবু সেন্টারের ডান পাশের মার্কেটের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে আগুন ধরে যায়।

স্থানীয় দোকানদারদের দাবি, ট্রান্সফরমারের পাশে থাকা অসংখ্য বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তারের জটলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকান ও মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই আশপাশে থাকা প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুনগুলো পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। দাহ্য এসব উপকরণ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক তার ও ট্রান্সফরমারের আশপাশে ঝুলে থাকা ব্যানার-ফেস্টুনগুলো বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

জরুরি মুহূর্তে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছানোয় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন। তারা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও পানি ব্যবহার করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। একটু দেরি হলে আগুন পাশের মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে এ ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠেছে—জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সাড়া নিশ্চিত করা যাচ্ছে না কেন?

একটি ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, অপরিকল্পিত তারের জটলা এবং অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ উপকরণের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আজ স্থানীয় জনগণ নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো—ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ও অনিরাপদ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, এমপি

ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসেনি এক ঘন্টায়ও! মারাত্মক এক অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেল বার্মিজ মার্কেট!

আপডেট সময় : ০২:৩২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয়দের সাহসী উদ্যোগেই বাঁচল কয়েকটি মার্কেট, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা ও প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে উদ্বেগ ব্যবসায়ীদের।

কক্সবাজারের পূর্ব বাজার ঘাটা তথা বার্মিজ মার্কেট এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট। জরুরি মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত উপস্থিতি না থাকলেও স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সাহসী উদ্যোগে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন।

বৃহস্পতিবার (আজ) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পূর্ব বাজার ঘাটা, বৌদ্ধ মন্দির সড়কের প্রবেশমুখে আবু সেন্টারের ডান পাশের মার্কেটের সামনে থাকা একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমারে আগুন ধরে যায়।

স্থানীয় দোকানদারদের দাবি, ট্রান্সফরমারের পাশে থাকা অসংখ্য বৈদ্যুতিক ও ইন্টারনেটের তারের জটলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের দোকান ও মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই আশপাশে থাকা প্লাস্টিকের ব্যানার-ফেস্টুনগুলো পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। দাহ্য এসব উপকরণ আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে বৈদ্যুতিক তার ও ট্রান্সফরমারের আশপাশে ঝুলে থাকা ব্যানার-ফেস্টুনগুলো বড় ধরনের বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

জরুরি মুহূর্তে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে না পৌঁছানোয় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ নিজেরাই আগুন নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে আসেন। তারা ফায়ার এক্সটিংগুইশার ও পানি ব্যবহার করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কারণে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। একটু দেরি হলে আগুন পাশের মার্কেটগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারত বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

তবে এ ঘটনার পর আবারও প্রশ্ন উঠেছে—জরুরি পরিস্থিতিতে ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের দ্রুত সাড়া নিশ্চিত করা যাচ্ছে না কেন?

একটি ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ, অপরিকল্পিত তারের জটলা এবং অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ উপকরণের বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আজ স্থানীয় জনগণ নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলো—ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা, অগ্নিঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা ও অনিরাপদ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।