কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর তীরে গড়ে উঠছে আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র।
পর্যাপ্ত জেটি না থাকায় জেলেরা সরাসরি ঘাটে ট্রলার নোঙর করতে পারতো না। এ নিয়ে না ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো মৎস্য ব্যবসায়ীদের।
এবার এ সমস্যার সমাধান হতে চলেছে। জাপানের সংস্থা জাইকার প্রায় ২৩২ কোটি টাকার প্রকল্পে এবার বদলে যাবে কক্সবাজার ফিশারী ঘাটের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের চিত্র।
অত্যাধুনিক এই ফিশ ল্যান্ডিং সেন্টারে যা যা থাকছে
আগে দিনে মাত্র ১০টি ট্রলার আনলোড করা যেত, এখন একসাথে ৬০টি ট্রলার আনলোড করা যাবে!
ট্রলার থেকে মাছ খালাস ও পরিবহনের সময় ৪ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র ২ ঘণ্টায় নেমে আসবে।
৩ তলা বিশিষ্ট এই সেন্টারে থাকছে স্বয়ংক্রিয় কোল্ড স্টোরেজ, আইস প্ল্যান্ট ও আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং ব্যবস্থা, যা মাছের পচনের হার শূন্যে নামিয়ে আনবে।
এই প্রজেক্টের মাধ্যমে সরাসরি ২,০০০ মানুষের স্থায়ী চাকরি এবং পরোক্ষভাবে প্রায় ২ লাখ মানুষের (জেলে, ব্যবসায়ী, শ্রমিক) ভাগ্য বদলে যাবে।
ইতিমধ্যেই নদীর তীরে পাড় সংরক্ষণ দেয়াল ও বাঁধের কাজ শেষ পর্যায়ে। সচল হয়েছে ২টি আধুনিক স্টিলের জেটি ও পন্টুন। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি চালু হলে বাংলাদেশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 


















