গ্যালারিতে মা, মাঠে ছেলে
আর এই সময়েই বিশ্ব ফুটবল এক ইতিহাসের সাক্ষী হলো, প্রথমবারের মতো একই পরিবারের মা ও ছেলে দুজনই বিশ্বকাপে খেলে কীর্তি গড়লেন। যদিও দুজনের খেলার বছর ভিন্ন।
গ্যালারিতে বসে ছেলের সেই স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত দেখছিলেন তাঁর মা, নিউজিল্যান্ড নারী দলের সাবেক গোলরক্ষক জেনি বাইন্ডনছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
বিশ্বকাপে বাবা ও ছেলের বিশ্বকাপ খেলার গল্প নতুন নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বকাপে খেলা বাবা-ছেলের গল্পও জানি আমরা। কিন্তু মা-ছেলের এমন নজির ছিল না। সেই অপূর্ণ ইতিহাসই এবার পূর্ণ করলেন জেনি ও তাঁর ছেলে টাইলার বাইন্ডন।
মায়ের পথ ধরেই ছেলের বিশ্বকাপ
টাইলার বাইন্ডন নিউজিল্যান্ড ফুটবলের পরিচিত এক নামছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে খেলেছেন ৭৭টি ম্যাচ। যে জার্সি গায়ে চাপিয়ে তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন, সেই একই জার্সিতে ছেলেকে বিশ্বকাপে খেলতে দেখাটা ছিল অসাধারণ।
মুহূর্তটি স্মরণ করে জেনি বলেন, ‘সে আমার কাছে এসে শুধু আমার হাতটা ধরল এবং বলল, “আমরা পেরেছি, মা।” তখনই বিষয়টি সত্যিকার অর্থে উপলব্ধি করলাম। এটা সত্যিই অসাধারণ। মা ও ছেলে দুজনই বিশ্বকাপে খেলেছে। এমন ঘটনা তো সচরাচর ঘটে না।’
ইতিহাস গড়ার পর নিজের অনুভূতি ভাগ করে নিতে দেরি করেননি তিনি। নিজের ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে টাইলার লিখেছেন, ‘অনেক কারণেই আজকের দিনটি বিশেষ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। আর বিশ্বকাপে খেলা প্রথম মা-ছেলের জুটি হিসেবে এই মুহূর্তটি আমার মায়ের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে দারুণ কৃতজ্ঞ।’
জেনি বাইন্ডন দুই বিশ্বকাপেই অংশ নিয়েছিলেন মা হওয়ার পরছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের যাত্রা প্রত্যাশামতো দীর্ঘ হয়নি। গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দলটিকে। তবে টাইলার ও জেনি বাইন্ডন প্রমাণ করে দিয়েছেন, বিশ্বকাপে সব গল্পই জয়-পরাজয়ের নয়। কখনো কখনো একটি মুহূর্তই পরিণত হয় ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর গল্পে।
সূত্র: ইএসপিএন ও ইনডালজ এক্সপ্রেস
স্পোর্টস ডেস্ক 





















