ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি জিল্লু চৌধুরী ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেলেন রিকশাচালক মোহাম্মদ রফিক ২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কক্সবাজারে বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের প্রতিরোধ মিছিল এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ৪ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে আদালত: তথ্য উপদেষ্টা অস্ট্রিয়াকে হারানোর পর বড় দুঃসংবাদ পেল আর্জেন্টিনা রাজপথে রাজনৈতিক দল, সতর্কবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মারাকানা’র বেদনা থেকে ডালাসের মহাকাব্য: পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী ফ্যানবেজ আর্জেন্টিনা পেকুয়ায় চলছে বন উজাড় করে গাছ পাচারের মহোৎসব অবশেষে এলেন মা, গ্যালারিতে বসে দেখলেন ছেলে ভোজিনহার ম্যাচ টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের আগামীর নেতৃত্বে নতুন সমীকরণ: ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সংসদে কক্সবাজারের উন্নয়নে এমপি কাজলের ৮ দাবি

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি জিল্লু চৌধুরী

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।