ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব টেকনাফের বাহারছড়ায় বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে কৃষক রফিককে অপহরণ ধর্মের পরিচয়ে নয়, নাগরিক হিসেবে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান” মহানবমীতে মন্ডপে মন্ডপে মানুষের ঢল ঘরে ঘরে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট করার চিন্তা রয়েছে সরকারের: মাতামুহুরীতে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ‎ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে গণডাকাতির ঘটনায় ‎ছাবের ডাকাতের স্ত্রী সন্তান গ্রেফতার : লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠান সৈকতে : প্রধান অতিথি ভূমি প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে পৃথক অভিযানে ৪ লাখ ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ৪ পেকুয়ায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি রফিকুল, সম্পাদক ছাফওয়ান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার: প্রধানমন্ত্রী মহানবমী আজ, শুরু দেবীর বিদায়ের ক্ষণগণনা আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশেষ অভিযানে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ৯ আইডিইবির সদস্যপদ পেলেন কক্সবাজারের ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল নোমান

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চর্চায় বিশ্বাসী’ – হিন্দু ক্যাম্পে ত্রাণ সচিব

২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

আগামী ২৮ জুন সারাদেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ (প্রথম রাউন্ড) অনুষ্ঠিত হবে। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে জেলার সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে বয়স অনুযায়ী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সাংবাদিক অবহিতকরণ সভায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে কক্সবাজার সিভিল সার্জনের আয়োজনে জেলা ইপিআই হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, ভিটামিন ‘এ’ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিশুর দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় সহায়তা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডায়রিয়া, হামসহ বিভিন্ন সংক্রমণজনিত রোগের জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতির ফলে রাতকানা, চোখের মারাত্মক ক্ষতি, অপুষ্টিজনিত জটিলতা এবং বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পেতে পারে।

ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই ইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই ইউ) খাওয়ানো হবে।

কক্সবাজার জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১,৮২৪টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ৮টি উপজেলা, ১টি পৌরসভা, ৭২টি ইউনিয়ন ও ২১৬টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। এ কার্যক্রমে ৪৮৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ৩,১৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক অংশগ্রহণ করবেন।
তাছাড়া পর্যটন নগরী হিসেবে সমুদ্র সৈকত এলাকায় এবং রেল স্টেশনে একটি করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এ বছর কক্সবাজার জেলায় মোট ৪,৯৩,৩১৫ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ৬১,৮৩৫ জন এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৪৩১,৪৮০ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ড. টিটু চন্দ্র শীল বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি, যা শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুমৃত্যু হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। স্বাস্থ্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় কক্সবাজার জেলায় সফলভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেলা সিভিল সার্জনের পক্ষ থেকে আগামী ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের নিকটস্থ ক্যাম্পেইন কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করে সুস্থ, সবল ও অপুষ্টিমুক্ত শিশুর বিকাশে জাতীয় এ উদ্যোগকে সফল করতে সকল অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকের প্রতি আহবান জানানো হয়েছে।