ঐতিহ্যবাহী আবদুল জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে আগামী শনিবার। এ উপলক্ষে লালদীঘি ময়দানজুড়ে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী বলীখেলা এবং তিন দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা।শুক্রবার থেকে মাঠজুড়ে শুরু হবে মেলার কার্যক্রম।
আয়োজক সূত্র জানায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে মেলায় অংশ নিতে লালদীঘি এলাকায় এসে জড়ো হয়েছেন। নানা ধরনের পণ্য, গ্রামীণ হস্তশিল্প, খেলনা ও খাবারের পসরা নিয়ে বসবেন তারা, যা বরাবরের মতোই দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে।
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধারণ করে এই আয়োজনকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। এটি কেবল একটি খেলা নয়, এটি নগরবাসীর প্রাণের উৎসব।”
এবারের আয়োজনকে ঘিরে লালদীঘি চত্বরকে ‘আবদুল জব্বার চত্বর’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে মেলা কমিটি। পাশাপাশি লালদীঘির পাড়ে চৌরাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন টেরাকোটা ম্যুরাল, যেখানে কুস্তিগীরদের লড়াইয়ের দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদ্বোধন করেন মেয়র নিজেই।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের বলীখেলা উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করবেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
আয়োজক কমিটির সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদলসহ সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে খেলা ও মেলার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারসহ দর্শনার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবছরের মতো এবারও হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে জব্বারের বলীখেলা ও বৈশাখী মেলা মুখর হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
সায়ন্তন ভট্টাচার্য 


















