মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের হামলায় ওয়ার্ড় বিএনপি’র সভাপতিসহ ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, মাইজপাড়া সড়কের পাশে আহত বিএনপি নেতা ফোরকানের ক্রয়কৃত জায়গায় জোরপূর্বক স্থাপনা তৈরি করতে যায় স্থানীয় রফিক ও তার লোকজন।
এসময় খবর পেয়ে বিএনপি’র নেতা ফোরকান ঘটনাস্থলে গিয়ে কেন তার ক্রয়কৃত জায়গায় স্থাপনা তৈরি করছে তা জানতে চাইলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা বাঁধে। এসময় ফোরকান তার ক্রয়কৃত নিজ জায়গায় কোন ধরনের স্থাপনা না করতে নিষেধ করলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রফিক ও অন্যান্যরা অতর্কিত ভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ফোরকানের উপর হামলা করে বলে দাবি ভুক্তভোগীর।
ভুক্তভোগী ফোরকানের পরিবারের দাবি সেখানে আগে থেকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছিল রফিক ও তার ভাই আবু হুরাইরা প্রকাশ আবু, মৃত কফিল উদ্দিনের পুত্র তারেক, তার ভাই সৌরভসহ আগে থেকে উৎপেতে থাকা লোকজন মিলে ফোরকানের উপর হামলা চালায়।
এসময় ফোরকানকে এলোপাথাড়ি হামলা করতে দেখে তার বড় ভাই ঝাপুয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আক্কাস ও তার ভাগিনা ইউনিয়ন শ্রমিকদলের নেতা তৌহিদুল ইসলাম মিশুক উভয় পক্ষ কে শান্ত করতে আসলে অভিযুক্তরা তাদের স্বজনদের উপরও হামলা করেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
এসময় কালারমারছড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মো. ফোরকানসহ অন্যান্যদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন বলে জানায় আহতদের পরিবার।
আহত ফোরকানের পরিবারের দাবি কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা জাহাঙ্গীরের নির্দেশে, রফিক, আবু হুরাইরা প্রকাশ আবুর নেতৃত্বে ৭/৮ জন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালায়। বিগত সরকারের আমলে তারা দলীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে এলাকায় জমি দখল, মানুষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানিসহ নানা ধরনের অপকর্ম করতো এমনকি তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার পরেও স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর।
এঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দাবি করে তদন্তপূর্বক অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
এবিষয়ে অভিযুক্ত রফিকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জানতে চাইলে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. আব্দুস সুলতান জানান। হামলার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নয়। ভিকটিমের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তা পরিবেশক: 




















