কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী তার নিজের ফেসবুক পেজে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি খোলা চিঠি পোস্ট করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপা সম্বোধন করে সাবেক মেয়র মাহবুব নিজেকে দলের একজন ত্যাগী কর্মী উল্লেখ করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র জনতার উপর হামলার অভিযোগে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ বারোটি মামলার আসামী সাবেক এই মেয়র।
বর্তমানে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন।
কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র মাহবুবুর রহমানের নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করা স্ট্যাটাস হুবুহু তুলে ধরা হলো।
মাননীয় নেত্রী মানবতার মা জননেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনার সমীপে খোলা চিঠি।
বঙ্গবন্ধু কন্যা মানবতার বাতিঘর হাজারো তৃণমূলের শেষ ঠিকানা জননেত্রী শেখ হাসিনা আপা আমি মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর সাবেক মেয়র কক্সবাজার পৌরসভা।
সর্বপ্রথম আমার মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করছি ও শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ আপনার অতীতের সকল জনকল্যাণকর কাজের জন্য এখনও আপনাকে বাঁচিয়ে রেখেছে, নিশ্চয় আল্লাহ মহান ক্ষমাশীল।
মাননীয় নেত্রী আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমার মত একজন নগণ্য কর্মীকে আপনি বিগত ২০২৩ সালে কক্সবাজার পৌরসভা নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার জন্য সুযোগ করে দিয়েছেন ,মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে কক্সবাজার পৌরসভার সম্মানিত জনগণের রায়ে আমি মেয়র নির্বাচিত হয়ে ছিলাম।
যে নির্বাচনে যারা কোনদিন নৌকা মার্কায় ভোট দেয় নাই জীবনের প্রথম ভোট নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছিল তাদের প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা আজীবন।
সেই প্রত্যাশিত পৌরসভা নির্বাচনে পৌরসভার ৬৩% সম্মানিত জনগণ উনাদের মূল্যবান রায় প্রদান করেছিল।
মাননীয় নেত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আপনার প্রতি বিনতি অনুরোধ রইল কক্সবাজার জেলার আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আপনাকে অনেকেই ভুল তথ্য দিচ্ছে,এবং এখনো মাইমেন বা( নিজস্ব লোক দিয়ে)ভুল তথ্য উপস্থাপন করছে, আপনি আপনার একান্ত নিজস্ব সোর্স দিয়ে কক্সবাজারের যারা রাজনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধান করে বাস্তবতার নীরিখে সিদ্ধান্ত নিবেন,এটুকু আপনার প্রতি বিনতি অনুরোধ।
মাননীয় নেত্রী………
আমি বঙ্গবন্ধু আদর্শের একজন নগণ্য কর্মী হিসেবে আপনার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে দুটি কথা বলত চাই,
সম্প্রতি সময় আপনি বলেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়, জেলা বা কোন ইউনিটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য ৩০ বছর বয়স সময় সিমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন,পাশাপাশি যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের অধ্যায়নরত নিয়মিত ছাত্র হতে হবে, আপনার এই সময় উপযোগী উদ্যোগ কে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্বাগত জানাই,নিঃসন্দেহে এটা ভালো উদ্যোগ।
মাননীয় নেত্রী,
আমার এই খোলা চিঠির লেখার মুর্দা কথা হল হলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্র থেকে জেলা পর্যায়ে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য যে ৩০ বছর যে সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন সেই বিষয়ের প্রতি সম্মান রেখে আপনার কাছে বিনিয়ের সাথে অনুরোধ করছি।
বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হওয়ার বয়সের নির্ধারণ করা খুব জরুরী
১,যে সকল নেতৃবৃন্দ স্কুল পর্যায়ে থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগর সাথে জড়িত ছিল এবং আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছিল ও যাদের বয়স পঞ্চাশ বছর ও যারা দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম করে রাজপথে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করেছিল তাদের দায়িত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবী। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব ৫৫ থেকে ৬৫ এর মধ্যে রাখতে হবে।
২,যাদের বয়স এখন পঞ্চাশের ঊর্ধ্বে ওনাদের কে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির উপদেষ্টা করে সম্মানের সাথে বাকি জীবন জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিকে সহযোগিতা করার জন্য শক্তিশালী উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা দরকার।
৩,,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি থাকবে আপনার নেতৃত্বে।
ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী সভাপতি দিতে হবে সাইমা ওয়াজেদ পুতুল কে।
সেখানে আপনার সহযোগী হিসেবে থাকবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সোনালী অর্জন ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং জেলা পর্যায়ে যারা মেধা ও সততার সাথে রাজনীতি করেছে এবং যাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।
মাননীয় নেত্রী আপনি আমাদের আশা ও ভরসায় আশ্রয়ের ঠিকানা!
সবশেষে আমি বলব আমার বয়স এখন ৫৩ বছর, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে বাকি জীবন জাতির পিতার আদর্শ বুকে ধারণ করে বেঁচে থাকতে চাই আপনার নেতৃত্বে।
আপনার প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা রেখে আওয়ামী লীগের তৃণমূলের একজন নগণ্য কর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই সেই সুযোগটুকু আমাকে দিবেন সে প্রত্যাশা রেখে এর আজকের মত শেষ করলাম।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয়তু শেখ হাসিনা।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















