নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি নামক এলাকা থেকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু (৩৮) নামাক এক কৃষককে গত রোববার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রধারী দৃর্বৃত্তরা অপহরণ করেছে।
তার বাড়ি রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ের জাউচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম সুলতান আহমদ। ঘটনার ২২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও অপহৃত মিন্টুর ব্যাপারে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা মুঠোফোনে এখন পর্যন্ত মুক্তিপনও চাননি। এ নিয়ে পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়- অপহৃত কৃষক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের লংগদুরমূখ এলাকায় তামাক ও সবজির চাষ করতো। কাজ শেষ করে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন- অপহরণের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। সম্ভাব্য পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহমদ ও খুইল্ল্যাা মিয়া অপহৃত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তামাক ক্ষেতের কাজ শেষ করে রোববার রাত ১০টার দিকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৮-১০ জনের অস্ত্রধারী একটি সন্ত্রাসী দল।
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁকে গহীন পাহাড়ী পথ দিয়ে নিয়ে যায় তারা।
গত ২ সপ্তাহ আগেও একই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে পুতুইয়্যাকেও অপহরণ করা হয়। তাকে মুক্তিপণে ছেড়ে দেয় হয়েছিলো বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ- প্রতিবছর তামাক মৌসুমে সন্ত্রাসীরা প্রত্যেক চাষি থেকে চাঁদা আদায় করে। গড়িমসি করলে অপহরণ করে। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। তবে তারা পরবর্তী চাষের জমিতে যেতে হবে দেখে ভয়ে মূখ খুলে না। যার সুযোগ নেয় সন্ত্রাসী দলগুলো৷
বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন,অপহরণের ঘটনাস্থল লতাবুনিয়া
পাহাড়টি বাইশারী মৌজা এলাকার। অপহরণের পর থেকে তার কোন হদিস এখন পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: 















