ঢাকা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে জেলা ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ কক্সবাজারে একদিনে চার মরদেহ উদ্ধার, বাড়ছে উদ্বেগ গুপ্ত লিখে ফেইসবুক পোস্ট,উখিয়ায় বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত ৩ ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণে ইউপি সদস্যের মুক্তি, পুলিশের দাবি উদ্ধার রামুতে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ: মৃত্যুর আগে ভিডিও বার্তায় বাঁচার আকুতি অপহরণের ১৬ ঘণ্টা পর উদ্ধার ইউপি সদস্য রুস্তম আলী টেকনাফে যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: অপহরণ চক্র ও পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে তৎপরতা জোরদার আগুন দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশু রাইয়ানের সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক স্লোগান, সুবিধা ও বাস্তবতার রাজনীতি নিখোঁজ সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কারচুপির অভিযোগে হামিদুর রহমানের মামলা: কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে তাহসানের চুক্তি নবায়ন ঈদগড়ের ইউপি সদস্য অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে গর্জনিয়ার কৃষককে অপহরণ : পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি নামক এলাকা থেকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু (৩৮) নামাক এক কৃষককে গত রোববার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রধারী দৃর্বৃত্তরা অপহরণ করেছে।

তার বাড়ি রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ের জাউচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম সুলতান আহমদ। ঘটনার ২২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও অপহৃত মিন্টুর ব্যাপারে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা মুঠোফোনে এখন পর্যন্ত মুক্তিপনও চাননি। এ নিয়ে পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়- অপহৃত কৃষক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের লংগদুরমূখ এলাকায় তামাক ও সবজির চাষ করতো। কাজ শেষ করে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন- অপহরণের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। সম্ভাব্য পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহমদ ও খুইল্ল্যাা মিয়া অপহৃত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তামাক ক্ষেতের কাজ শেষ করে রোববার রাত ১০টার দিকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৮-১০ জনের অস্ত্রধারী একটি সন্ত্রাসী দল।
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁকে গহীন পাহাড়ী পথ দিয়ে নিয়ে যায় তারা।

গত ২ সপ্তাহ আগেও একই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে পুতুইয়্যাকেও অপহরণ করা হয়। তাকে মুক্তিপণে ছেড়ে দেয় হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ- প্রতিবছর তামাক মৌসুমে সন্ত্রাসীরা প্রত্যেক চাষি থেকে চাঁদা আদায় করে। গড়িমসি করলে অপহরণ করে। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। তবে তারা পরবর্তী চাষের জমিতে যেতে হবে দেখে ভয়ে মূখ খুলে না। যার সুযোগ নেয় সন্ত্রাসী দলগুলো৷

বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন,অপহরণের ঘটনাস্থল লতাবুনিয়া
পাহাড়টি বাইশারী মৌজা এলাকার। অপহরণের পর থেকে তার কোন হদিস এখন পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে জেলা ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে গর্জনিয়ার কৃষককে অপহরণ : পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি নামক এলাকা থেকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু (৩৮) নামাক এক কৃষককে গত রোববার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রধারী দৃর্বৃত্তরা অপহরণ করেছে।

তার বাড়ি রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ের জাউচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম সুলতান আহমদ। ঘটনার ২২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও অপহৃত মিন্টুর ব্যাপারে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা মুঠোফোনে এখন পর্যন্ত মুক্তিপনও চাননি। এ নিয়ে পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়- অপহৃত কৃষক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের লংগদুরমূখ এলাকায় তামাক ও সবজির চাষ করতো। কাজ শেষ করে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন- অপহরণের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। সম্ভাব্য পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহমদ ও খুইল্ল্যাা মিয়া অপহৃত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তামাক ক্ষেতের কাজ শেষ করে রোববার রাত ১০টার দিকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৮-১০ জনের অস্ত্রধারী একটি সন্ত্রাসী দল।
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁকে গহীন পাহাড়ী পথ দিয়ে নিয়ে যায় তারা।

গত ২ সপ্তাহ আগেও একই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে পুতুইয়্যাকেও অপহরণ করা হয়। তাকে মুক্তিপণে ছেড়ে দেয় হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ- প্রতিবছর তামাক মৌসুমে সন্ত্রাসীরা প্রত্যেক চাষি থেকে চাঁদা আদায় করে। গড়িমসি করলে অপহরণ করে। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। তবে তারা পরবর্তী চাষের জমিতে যেতে হবে দেখে ভয়ে মূখ খুলে না। যার সুযোগ নেয় সন্ত্রাসী দলগুলো৷

বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন,অপহরণের ঘটনাস্থল লতাবুনিয়া
পাহাড়টি বাইশারী মৌজা এলাকার। অপহরণের পর থেকে তার কোন হদিস এখন পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।