ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী বিনানোটিশে স্থানীয়দের ৩শ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সিআইসি! নয়াবাজারে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অপহরণ চেষ্টার অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ দাবি প্রতিপক্ষের কুতুবদিয়ায় দুর্নীতি প্রতিরোধ ও দমন বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু টেকনাফে দুই বোটসহ ৭ জেলে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি পেকুয়ায় বাস-সিএনজি সংঘর্ষ: দুই যাত্রীর মৃত্যু কুতুবদিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে ইইউর সহযোগিতা চাইলেন মন্ত্রী টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর আটক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এমপি কাজল -রোহিঙ্গা ক্যাম্প মাদক ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির হেড কোয়ার্টার শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে গর্জনিয়ার কৃষককে অপহরণ : পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি নামক এলাকা থেকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু (৩৮) নামাক এক কৃষককে গত রোববার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রধারী দৃর্বৃত্তরা অপহরণ করেছে।

তার বাড়ি রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ের জাউচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম সুলতান আহমদ। ঘটনার ২২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও অপহৃত মিন্টুর ব্যাপারে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা মুঠোফোনে এখন পর্যন্ত মুক্তিপনও চাননি। এ নিয়ে পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়- অপহৃত কৃষক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের লংগদুরমূখ এলাকায় তামাক ও সবজির চাষ করতো। কাজ শেষ করে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন- অপহরণের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। সম্ভাব্য পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহমদ ও খুইল্ল্যাা মিয়া অপহৃত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তামাক ক্ষেতের কাজ শেষ করে রোববার রাত ১০টার দিকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৮-১০ জনের অস্ত্রধারী একটি সন্ত্রাসী দল।
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁকে গহীন পাহাড়ী পথ দিয়ে নিয়ে যায় তারা।

গত ২ সপ্তাহ আগেও একই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে পুতুইয়্যাকেও অপহরণ করা হয়। তাকে মুক্তিপণে ছেড়ে দেয় হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ- প্রতিবছর তামাক মৌসুমে সন্ত্রাসীরা প্রত্যেক চাষি থেকে চাঁদা আদায় করে। গড়িমসি করলে অপহরণ করে। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। তবে তারা পরবর্তী চাষের জমিতে যেতে হবে দেখে ভয়ে মূখ খুলে না। যার সুযোগ নেয় সন্ত্রাসী দলগুলো৷

বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন,অপহরণের ঘটনাস্থল লতাবুনিয়া
পাহাড়টি বাইশারী মৌজা এলাকার। অপহরণের পর থেকে তার কোন হদিস এখন পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিবাদের পর বিদ্যুৎ পাচ্ছে কুতুপালংয়ের ৩ শ পরিবার, সিআইসির প্রত্যাহার দাবী

নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে গর্জনিয়ার কৃষককে অপহরণ : পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা

আপডেট সময় : ০৭:৫৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়নের লতাবনিয়া উঠুনি নামক এলাকা থেকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু (৩৮) নামাক এক কৃষককে গত রোববার রাত ১০টার দিকে অস্ত্রধারী দৃর্বৃত্তরা অপহরণ করেছে।

তার বাড়ি রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ের জাউচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম সুলতান আহমদ। ঘটনার ২২ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও অপহৃত মিন্টুর ব্যাপারে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। অপহরণকারীরা মুঠোফোনে এখন পর্যন্ত মুক্তিপনও চাননি। এ নিয়ে পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়- অপহৃত কৃষক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের লংগদুরমূখ এলাকায় তামাক ও সবজির চাষ করতো। কাজ শেষ করে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন- অপহরণের খবর পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। সম্ভাব্য পাহাড়ি এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহমদ ও খুইল্ল্যাা মিয়া অপহৃত পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, তামাক ক্ষেতের কাজ শেষ করে রোববার রাত ১০টার দিকে রিদুয়ানুল করিম মিন্টু কে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৮-১০ জনের অস্ত্রধারী একটি সন্ত্রাসী দল।
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাঁকে গহীন পাহাড়ী পথ দিয়ে নিয়ে যায় তারা।

গত ২ সপ্তাহ আগেও একই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে পুতুইয়্যাকেও অপহরণ করা হয়। তাকে মুক্তিপণে ছেড়ে দেয় হয়েছিলো বলে জানা গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ- প্রতিবছর তামাক মৌসুমে সন্ত্রাসীরা প্রত্যেক চাষি থেকে চাঁদা আদায় করে। গড়িমসি করলে অপহরণ করে। যা বছরের পর বছর চলে আসছে। তবে তারা পরবর্তী চাষের জমিতে যেতে হবে দেখে ভয়ে মূখ খুলে না। যার সুযোগ নেয় সন্ত্রাসী দলগুলো৷

বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম বলেন,অপহরণের ঘটনাস্থল লতাবুনিয়া
পাহাড়টি বাইশারী মৌজা এলাকার। অপহরণের পর থেকে তার কোন হদিস এখন পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।