ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহান মে দিবস আজ : শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন প্রবাসীর পাঠানো মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রহমতুল্লাহ ও তার স্ত্রী’র চকরিয়ায় পা’চা’রচ’ক্রের নারী সদ’স্য গ্রে’প্তা’র শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা: কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সদ্ধর্ম সভার ব্যাপক প্রস্তুতি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বার্মিজ গরুসহ বিভিন্ন পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি হাইকোর্টের রায়ে শিলখালীর ইউপি চেয়ারম্যান পদে বহাল কামাল হোসেন কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস পালিত চকরিয়ায় বাস চাপায় বিএনপি নেতার মৃত্যু মেরিন ড্রাইভে ‘চান্দের গাড়ি’ বন্ধের দাবি, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনজীবন বিপর্যস্ত: গণমিছিল সফল করার আহ্বান জামায়াত নেতার টেকনাফের বাহারছড়ায় জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি ‘মায়েরা যথাযথ ভূমিকা পালন করলে ছেলেমেয়েরা অবশ্যই শিক্ষিত হবে’ দুর্যোগকালীন সময়ের জন্য কক্সবাজারে ৬৩৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হচ্ছে, থাকবে জরুরি মেডিক্যাল টিম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জলাশয়ে নারীর মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

ট্যাগ :

মহান মে দিবস আজ : শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের দিন

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”