ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুর রাজারকুলে এপেক্সিয়ান আবুল কায়সারের সৌজন্যে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প টেকনাফে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে ছাত্রদলের স্মারকলিপি পাহাড় কেটে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ ! পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় মিললো বিপুল ইয়াবা প্রতিহিংসাবশত কারও বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা এই মাটিতে হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টুয়াকের নতুন নেতৃত্ব: সভাপতি আনোয়ার কামাল ও সাধারণ সম্পাদক আকতার নূর মহেশখালীর ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ডাকাত ‘ফজল’ র‍্যাবের কব্জায় টেকনাফে অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামি ‘ল্যাংড়া রাসেল’ গ্রেফতার টেকনাফে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার কক্সবাজারে ২১ মামলার আসামি ‘কলিম ডাকাত’ গ্রেপ্তার ঘুষ মামলার আসামি অনিক দে’র ‘ভালো পোস্টিং’: স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন টেকনাফে নতুন ৫টি ইউনিয়ন করার উদ্যোগ: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর সুপারিশে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ ইয়াবাসহ তিন নারী আটক নয়ন সাধুকে হত্যার প্রতিবাদে কক্সবাজারে পূজা উদযাপন পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 274

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।”

নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।”

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

পরে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে শতশত বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ ওঠে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে। বিএনপির পর আওয়ামী লীগের সময়ও এর ধারাবাহিকতা দেখা যায়।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একাধিকবার র‌্যাব ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানালেও বাংলাদেশ সরকার তাতে সাড়া দেয়নি। এমনকি যিনি ক্ষমতায় থাকতে র‌্যাব গঠিত হয়েছিল, সেই খালেদা জিয়াও পরে আওয়ামী লীগ আমলে র‌্যাব বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগে র‌্যাব এবং এর কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এরপর র‍্যাবের ‘ক্রসফায়ার’ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

সবশেষ ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়– ওএইচসিএইচআর র‌্যাব বিলুপ্তির পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) কেবল সীমান্তরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরকে কেবল সামরিক গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সুপারিশ করে।

সেসব আহ্বানে সাড়া না দিয়ে র‌্যাব গঠনের ২২ বছর পর মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করল সরকার।

 

সূত্র:বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুর রাজারকুলে এপেক্সিয়ান আবুল কায়সারের সৌজন্যে ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ

আপডেট সময় : ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।”

নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।”

বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

পরে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে শতশত বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ ওঠে এই বাহিনীর বিরুদ্ধে। বিএনপির পর আওয়ামী লীগের সময়ও এর ধারাবাহিকতা দেখা যায়।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একাধিকবার র‌্যাব ভেঙে দেওয়ার আহ্বান জানালেও বাংলাদেশ সরকার তাতে সাড়া দেয়নি। এমনকি যিনি ক্ষমতায় থাকতে র‌্যাব গঠিত হয়েছিল, সেই খালেদা জিয়াও পরে আওয়ামী লীগ আমলে র‌্যাব বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগে র‌্যাব এবং এর কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র সরকার। এরপর র‍্যাবের ‘ক্রসফায়ার’ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

সবশেষ ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদনে জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়– ওএইচসিএইচআর র‌্যাব বিলুপ্তির পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) কেবল সীমান্তরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরকে কেবল সামরিক গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সুপারিশ করে।

সেসব আহ্বানে সাড়া না দিয়ে র‌্যাব গঠনের ২২ বছর পর মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এ বাহিনীর নাম পরিবর্তন করল সরকার।

 

সূত্র:বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম