রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণে দেশীয় অস্ত্র ও গ্রীল কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম।
বুধবার (২১ জানুয়ারী) ভোর রাতে রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের উখিয়ার ঘোনা এলাকার মৃত শফি আলমের ছেলে মেহেদী হাসান (২০) এবং একই এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন (২২)।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাসের স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বুধবার ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লামার পাড়া এলাকার চেয়ারম্যান বাড়ির পশ্চিমে মসজিদ পুকুর পাড়ে ১০-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে মেহেদী ও জসিমকে আটক করা হয়। তবে অন্ধকার কাজে লাগিয়ে ডাকাত দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ফেলে যাওয়া ১টি লম্বা কিরিচ, ২টি ছুরি, ২টি দা, ২টি লোহার হাতুড়ি, ১টি দুইমুখো চাইনিজ কুড়াল, ১টি তালা ও গ্রিল কাটার যন্ত্র (কাটার), ৩টি প্লাস এবং ১টি চেইনযুক্ত লোহার বিশেষ যন্ত্র জব্দ করা হয়।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ও মিডিয়া ফোকাল পয়েন্ট অলক বিশ্বাস জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 






















