ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন মহেশখালীতে মাছ ধরার সময় হিটস্ট্রোকে জেলের মৃত্যু সেন্টমার্টিনে বিশাল অজগর ! উখিয়া থেকে অপহৃত যুবক টেকনাফে উদ্ধার বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ উখিয়ার আলোচিত ‘মা’ হত্যাকান্ডে ন্যায়বিচার চাওয়া স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে অব্যাহতি

উখিয়ায় গৃহবধূ হত্যা: যুবকের দায় স্বীকার

উখিয়ায় গৃহবধূ জদিদা আক্তার (২২) হত্যার ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নুর শাহিন (১৮) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকায় নিজ ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় জদিদা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জদিদা আক্তারের সঙ্গে দিনমজুর শফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে চার বছরের এক ছেলে ও দুই বছরের এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় ২০ দিন আগে কাজের সন্ধানে শফিকুল ইসলাম বান্দরবানে যান। ঘটনার দিন ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য ডাকতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা জদিদাকে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর গলায় একটি ও মাথার পেছনে দুটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।

পরে মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের গয়ালমারা এমএসএফ হাসপাতালের পাশের একটি বাড়ি থেকে নুর শাহিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতেই অভিযান চালিয়ে পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকার চিত্তাখোলা খালের পাড় থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের হাতলযুক্ত ২১ ইঞ্চি লম্বা একটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আজাদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি ক্লু-লেস মামলা ছিল। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযানে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে পাঠানোর আবেদন করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১

উখিয়ায় গৃহবধূ হত্যা: যুবকের দায় স্বীকার

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

উখিয়ায় গৃহবধূ জদিদা আক্তার (২২) হত্যার ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নুর শাহিন (১৮) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো দা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকায় নিজ ঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় জদিদা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জদিদা আক্তারের সঙ্গে দিনমজুর শফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে চার বছরের এক ছেলে ও দুই বছরের এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় ২০ দিন আগে কাজের সন্ধানে শফিকুল ইসলাম বান্দরবানে যান। ঘটনার দিন ভোরে সেহরি খাওয়ার জন্য ডাকতে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা জদিদাকে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর গলায় একটি ও মাথার পেছনে দুটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়।

পরে মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের গয়ালমারা এমএসএফ হাসপাতালের পাশের একটি বাড়ি থেকে নুর শাহিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রাতেই অভিযান চালিয়ে পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকার চিত্তাখোলা খালের পাড় থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের হাতলযুক্ত ২১ ইঞ্চি লম্বা একটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আজাদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি একটি ক্লু-লেস মামলা ছিল। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযানে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।”

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে পাঠানোর আবেদন করা হয়েছে।