ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং  ক্যারিয়ারের ৭টি ফাইনালেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন এমি মার্টিনেজ লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা লামায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর ভস্মীভূত, ক্ষয়ক্ষতি প্রায় আড়াই লাখ টাকা খুটাখালীতে ইয়াবার চালান নিয়ে পালাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় মহাসড়কে পশু হাট, শর্ত লঙ্ঘন করে অনুমোদন দিলেন ইউএনও! যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে কাজ করে যাব ‘ডগ হেনরি’ ধরিয়ে দিলো ১৬ হাজার ইয়াবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পোস্ট, এনসিপি নেতার ১৫ ঘন্টা হাজতবাস সরকার গণমাধ্যম কমিশন গঠনের কাজ শুরু করেছে : তথ্যমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে মন্তব্য: মহেশখালীতে এনসিপি নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ডের তদন্ত চেয়ে করা রিট খারিজ পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ আইনমন্ত্রীর একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার রামুতে ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে বিএনপি নেতার স্ত্রীসহ আটক ২

সংসদ-গণভোট: ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু ২২ জানুয়ারি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২২ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ।নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, এ কার্যক্রমে ৮ লাখের বেশি লোকবলকে নির্বাচনি আইন-বিধিসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা সংসদ ও গণভোট হবে। একই কর্মকর্তাদের দুটি ভোট কীভাবে সামাল দিতে হবে, তা এ প্রশিক্ষণেই পুঙ্খাপুঙ্খভাবে তুলে ধরা হবে।ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। এতে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে আড়াই লাখের মতো ভোটকক্ষ থাকবে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোটকক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এবং ভোটকক্ষ প্রতি দুজন পোলিং অফিসার মিলিয়ে কেন্দ্র প্রতি ৮/১০ জনের মত পোলিং অফিসার প্রয়োজন হয়। অতিরিক্ত লোকবলও প্রস্তুত রাখতে হয়। সব মিলিয়ে ৮ লাখেরও বেশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ দিতে হবে।ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যতজন প্রয়োজন, তার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি লোকবল বাছাই করে প্যানেল প্রস্তুত করা হয়।

সংসদ ও গণভোটে ৬৯ জন রিটার্নিং রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহস্রাধিক নির্বাহী হাকিম, তিন শতাধিক বিচারিক হাকিম ভোটের মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।

এর আগে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কর্মকর্তা, হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তা, নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের ঢাকায় নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।তবে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ হয়ে থাকে।

>> ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন প্রিজাইডিং অফিসার। এ কর্মকর্তার আইনানুনগ আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার মূল চাবিকাঠি।

>>ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সব নির্বাচন কর্মকর্তাদেকে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে হবে; আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরাও নির্দেশ মেনে চলবেন।

ভোটের আগে, ভোট চলাকালে, ভোটে শেষে গণনাসহ ফল তৈরি, নির্বাচনি সরঞ্জাম সংগ্রহ-ব্যবহারসহ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট- কার কী দায়িত্ব, কর্তব্য, আইনবিধি সব প্রশিক্ষণের জানানো হয়।ইটিআই মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, “ইতোমধ্যে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে। এখন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”

মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও আপিল শুনানি শেষে সোয়া দুই হাজার বৈধ প্রার্থী রয়েছে। ২০ জানুয়ারি পযন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। এরপর চূড়ান্ত হবে—কতজন প্রার্থী ভোটে থাকবে।২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতীক পাবে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে প্রচারণা। আর ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং 

সংসদ-গণভোট: ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু ২২ জানুয়ারি

আপডেট সময় : ০৩:০৪:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২২ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ।নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, এ কার্যক্রমে ৮ লাখের বেশি লোকবলকে নির্বাচনি আইন-বিধিসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ চলবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা সংসদ ও গণভোট হবে। একই কর্মকর্তাদের দুটি ভোট কীভাবে সামাল দিতে হবে, তা এ প্রশিক্ষণেই পুঙ্খাপুঙ্খভাবে তুলে ধরা হবে।ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার প্রায় পৌনে ১৩ কোটি। এতে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে আড়াই লাখের মতো ভোটকক্ষ থাকবে।

ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, প্রতি ভোটকক্ষে একজন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এবং ভোটকক্ষ প্রতি দুজন পোলিং অফিসার মিলিয়ে কেন্দ্র প্রতি ৮/১০ জনের মত পোলিং অফিসার প্রয়োজন হয়। অতিরিক্ত লোকবলও প্রস্তুত রাখতে হয়। সব মিলিয়ে ৮ লাখেরও বেশি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ দিতে হবে।ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে যতজন প্রয়োজন, তার চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি লোকবল বাছাই করে প্যানেল প্রস্তুত করা হয়।

সংসদ ও গণভোটে ৬৯ জন রিটার্নিং রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহস্রাধিক নির্বাহী হাকিম, তিন শতাধিক বিচারিক হাকিম ভোটের মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন।

এর আগে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, রিটার্নিং কর্মকর্তা, হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তা, নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমসহ সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাদের ঢাকায় নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নিয়ে ধাপে ধাপে নির্বাচন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।তবে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ হয়ে থাকে।

>> ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন প্রিজাইডিং অফিসার। এ কর্মকর্তার আইনানুনগ আচরণ সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার মূল চাবিকাঠি।

>>ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত সব নির্বাচন কর্মকর্তাদেকে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে হবে; আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরাও নির্দেশ মেনে চলবেন।

ভোটের আগে, ভোট চলাকালে, ভোটে শেষে গণনাসহ ফল তৈরি, নির্বাচনি সরঞ্জাম সংগ্রহ-ব্যবহারসহ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট- কার কী দায়িত্ব, কর্তব্য, আইনবিধি সব প্রশিক্ষণের জানানো হয়।ইটিআই মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, “ইতোমধ্যে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে। এখন ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।”

মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই ও আপিল শুনানি শেষে সোয়া দুই হাজার বৈধ প্রার্থী রয়েছে। ২০ জানুয়ারি পযন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় রয়েছে। এরপর চূড়ান্ত হবে—কতজন প্রার্থী ভোটে থাকবে।২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতীক পাবে। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে প্রচারণা। আর ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে।

সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম