ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার আত্মসমর্পণের আগেই গ্রেপ্তার হতে পারেন শেখ হাসিনা: আইনমন্ত্রী তিন প্রতিবন্ধীকে চাকরি দিলেন প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থমন্ত্রী গভীর নিম্নচাপ: ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত, উপকূলে ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা জাতীয় উশুতে রৌপ্য জিতল কক্সবাজারের আশ্রম শিক্ষার্থী সুমন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরসা সদস্য জুবায়ের নিহত ইনানীতে বে-ওয়াচ রিসোর্টের কর্মচারী আব্দুল আজিজের মরদেহ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংক বাংলাবাজার এজেন্ট শাখায় আর্থিক সাক্ষরতা ও নিরাপদ লেনদেন বিষয়ক কর্মশালা উখিয়ার ধামনখালীতে সেই গর্জন গাছ বনবিভাগের হেফাজতে মাতারবাড়ীতে গৃহবধূ কোহিনূর হ’ত্যা: হাশেমকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে মা’ম’লা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নেবে মিয়ানমার, জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম গর্জনিয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করলেন এমপি কাজল শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সাড়ে ছয় লাখ পরিবারে চালানো হবে শুমারি, তথ্য সংগ্রহে ৯০০ জন

যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে কাজ করে যাব

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

সেনাপ্রধান বলেন, আমরা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এখনো ডেপ্লয়েড আছি। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকে আমরা এ কাজ করে যাচ্ছি, এখনো আছি। এখনো ১৬-১৭ হাজার সারা বাংলাদেশের ৬২টা জেলায় আছে। আমরা অনেক সৈনিক আমরা উইথড্রো করেছি, বাট এখনো সম্পূর্ণ উইথড্রো হয়নি। ইনশাআল্লাহ আমরা আশা করছি যে কিছু সময়ের মধ্যে আমরা সবাই ব্যারাকে ফেরত আসতে পারবো। তারপরও দেশের প্রয়োজনে আমাদের কিছু কাজ করে যেতেই হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে বিভিন্ন কাজ করে যাব। যেমন এখন ফিউল ডিপোগুলোতে আমাদের ডিপ্লয়মেন্ট আছে। এ রকম টাইম টু টাইম বিভিন্ন কাজে আমাদের হয়তো সরকারকে সহায়তা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে প্রধান কাজ ক্যান্টনমেন্টে ফেরত এসে প্রশিক্ষণগুলো করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি, আমাদের নিজস্ব যে পদ্ধতি আছে, নিজস্ব ওয়ে আছে সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের শুরু করতে হবে। এজন্য ফায়ারিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এতদিন ফায়ারিং সেভাবে করতে পারিনি। এখন ফায়ারিং কমপ্রেশন হলো। আমি রেজাল্ট দেখলাম, দক্ষতা দেখলাম, আমি অত্যন্ত আশান্বিত যে এতদিন ফিল্ডে থাকার পরেও আমাদের ফায়ারিং সক্ষমতা কমেনি। এটা একটা ভালো লক্ষণ। আমাদের আস্তে আস্তে ট্রেনিং ইভেন্টগুলো শুরু করতে হবে। আমাদের যে কাজ সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা, ডিসিপ্লিন ঠিক রাখা সেগুলো আমরা শুরু করছি।
পরে সেনাপ্রধান বিজয়ী ও রানারআপ দলের সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার

যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে কাজ করে যাব

আপডেট সময় : ০৪:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে কুমিল্লা সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর ফায়ারিং প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

সেনাপ্রধান বলেন, আমরা দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে এখনো ডেপ্লয়েড আছি। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই থেকে আমরা এ কাজ করে যাচ্ছি, এখনো আছি। এখনো ১৬-১৭ হাজার সারা বাংলাদেশের ৬২টা জেলায় আছে। আমরা অনেক সৈনিক আমরা উইথড্রো করেছি, বাট এখনো সম্পূর্ণ উইথড্রো হয়নি। ইনশাআল্লাহ আমরা আশা করছি যে কিছু সময়ের মধ্যে আমরা সবাই ব্যারাকে ফেরত আসতে পারবো। তারপরও দেশের প্রয়োজনে আমাদের কিছু কাজ করে যেতেই হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত সরকার আমাদের চাইবে, মাঠে থেকে বিভিন্ন কাজ করে যাব। যেমন এখন ফিউল ডিপোগুলোতে আমাদের ডিপ্লয়মেন্ট আছে। এ রকম টাইম টু টাইম বিভিন্ন কাজে আমাদের হয়তো সরকারকে সহায়তা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের যে প্রধান কাজ ক্যান্টনমেন্টে ফেরত এসে প্রশিক্ষণগুলো করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি, আমাদের নিজস্ব যে পদ্ধতি আছে, নিজস্ব ওয়ে আছে সেগুলো আস্তে আস্তে আমাদের শুরু করতে হবে। এজন্য ফায়ারিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এতদিন ফায়ারিং সেভাবে করতে পারিনি। এখন ফায়ারিং কমপ্রেশন হলো। আমি রেজাল্ট দেখলাম, দক্ষতা দেখলাম, আমি অত্যন্ত আশান্বিত যে এতদিন ফিল্ডে থাকার পরেও আমাদের ফায়ারিং সক্ষমতা কমেনি। এটা একটা ভালো লক্ষণ। আমাদের আস্তে আস্তে ট্রেনিং ইভেন্টগুলো শুরু করতে হবে। আমাদের যে কাজ সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা, ডিসিপ্লিন ঠিক রাখা সেগুলো আমরা শুরু করছি।
পরে সেনাপ্রধান বিজয়ী ও রানারআপ দলের সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ মে সদর দপ্তর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ ফায়ারিং প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফরমেশন, লজিস্টিকস এরিয়া, পাঁচটি স্বতন্ত্র ব্রিগেড এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডসহ মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় ১৭ পদাতিক ডিভিশন চ্যাম্পিয়ন এবং প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: ঢাকা পোষ্ট