ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে “মাদক নিযন্ত্রণ ও যুব সমাজের সম্পৃক্ততা” শীর্ষক সেমিনার মসজিদের কক্ষে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উখিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতে নিহত প্রায় ৯০ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি মহেশখালীতে ড্রেন নির্মাণকাজে ডাম্পারের ধাক্কা, শ্রমিক নিহত টেকনাফে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি ঘটনায় অভিযুক্ত শীর্ষ মানবপাচারকারী শাকের মাঝি আটক কক্সবাজারে ১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ২৯৬ তম আবির্ভাব উৎসব উপলক্ষে সাধারণ সভা ১৫ মে গর্জনিয়ায় সোহেলের বসতঘর থেকে মিললো ১ লাখ পিস ইয়াবা : এলাকায় চাঞ্চল্য কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক-রিলস নিষিদ্ধ, নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তির সতর্কতা

সাংবাদিক তোফায়েল আহমদের বড় ভাই আকতার আহমদের দাফন সম্পন্ন, উখিয়া সমিতির শোক

কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আকতার আহমদ সওদাগর (৮৩) গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময় কক্সবাজার শহরের নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক তোফায়েল আহমদের বড় ভাই এবং ব্যাংকার আহসান মাহমুদ-এর পিতা।

মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর কক্সবাজার শহরের ঐতিহ্যবাহী বদরমোকাম মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখাঁ জোনাব আলী মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রয়াত আকতার আহমদ সওদাগর ছিলেন সাত ভাই-বোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ইতোমধ্যে পরিবারের একাধিক সদস্য পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। পরম করুণাময় আল্লাহর কী অপার মর্জি—যে দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন, সেই দিনই ছিল তাঁর পিতার মৃত্যু দিবস। ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেছিলেন। এছাড়া সর্বকনিষ্ঠ ভাই আলহাজ্ব তমিজ আহমদ সওদাগরের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২৮ জানুয়ারি। পরিবারের জন্য এটি এক গভীর বেদনাবিধুর সময়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়ে, নাতি,নাতনি সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কক্সবাজারস্থ উখিয়া সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সইবার তাওফিক দান করেন—আমিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে “মাদক নিযন্ত্রণ ও যুব সমাজের সম্পৃক্ততা” শীর্ষক সেমিনার

সাংবাদিক তোফায়েল আহমদের বড় ভাই আকতার আহমদের দাফন সম্পন্ন, উখিয়া সমিতির শোক

আপডেট সময় : ১১:১৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আকতার আহমদ সওদাগর (৮৩) গত বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার সময় কক্সবাজার শহরের নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি কক্সবাজারের সিনিয়র সাংবাদিক তোফায়েল আহমদের বড় ভাই এবং ব্যাংকার আহসান মাহমুদ-এর পিতা।

মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা ১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর কক্সবাজার শহরের ঐতিহ্যবাহী বদরমোকাম মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখাঁ জোনাব আলী মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রয়াত আকতার আহমদ সওদাগর ছিলেন সাত ভাই-বোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। ইতোমধ্যে পরিবারের একাধিক সদস্য পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। পরম করুণাময় আল্লাহর কী অপার মর্জি—যে দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন, সেই দিনই ছিল তাঁর পিতার মৃত্যু দিবস। ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেছিলেন। এছাড়া সর্বকনিষ্ঠ ভাই আলহাজ্ব তমিজ আহমদ সওদাগরের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আগামী ২৮ জানুয়ারি। পরিবারের জন্য এটি এক গভীর বেদনাবিধুর সময়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, তিন মেয়ে, নাতি,নাতনি সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কক্সবাজারস্থ উখিয়া সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। মহান আল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকাহত পরিবারকে এই শোক সইবার তাওফিক দান করেন—আমিন।