ঢাকা ১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাসিরা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাসনিমুর রহমান হরমুজ প্রণালী ফের বন্ধ করলো ইরান “জনগণ কে সাথে নিয়ে দেশ বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে” কক্সবাজারে এইচআইভি আক্রান্তদের ৯৩ শতাংশই রোহিঙ্গা, বাড়ছে উদ্বেগ “মিয়ানমারে সেফজোন করা হলে আমরা ফিরে যাবো”: রোহিঙ্গা নেতা জুবায়ের কক্সবাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের সমুদ্র বিষয়ক জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচী ও শিক্ষামূলক সফর রশিতে ঝুলছিলো গৃহবধুর মরদেহ, পরিবারের দাবী পরিকল্পিত হত্যা ​‘ঘরে বসে খেলা বিশ্বের প্রথম ফুটবলার নেইমার’, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট শ্রীরামচন্দ্রের অবমাননা ও মন্দির ভাঙার হুমকির প্রতিবাদে কক্সবাজারে মানববন্ধন ধানের শীষের পক্ষে ভোট করায় রেমিটেন্স যোদ্ধাকে সাজানো হয়েছে মাদক ছিনতাইকারী – প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যায় কবির আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস আজ টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জমির হোসেন গ্রেফতার স্বামীকে ছাড়াতে পুলিশের ওপর হামলা, স্ত্রী গ্রেপ্তার ‘তরুণ বন্ধুদের দ্বারা গঠিত এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম মদের বারে হচ্ছে’ শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

রিজার্ভ এখন ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার

রফতানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কল্যাণে বাড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চ পর্যন্ত আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার, বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। যা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী (গ্রস রিজার্ভ) দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৬০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬১৩ কোটি ডলার। ওই দিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯০ কোটি ডলার।

তবে এ দুই হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরও একটি হিসাব রয়েছে, সেটি ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠা‌নিকভাবে শুধু আইএমএফকে প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসাবে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়।

সে হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা ওপরে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। দেশে সে পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে। আর নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে আড়াই বিলিয়ন (২.৫৩ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারি মাসে রফতানি আয় হয়েছে প্রায় চার বিলিয়ন (৩.৯৭ ) ডলার, যা গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি।

 

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরা পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হলেন তাসনিমুর রহমান

রিজার্ভ এখন ২১.৪০ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫

রফতানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের কল্যাণে বাড়ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চ পর্যন্ত আইএমএফের হিসাব পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার, বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার। যা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৬ মার্চে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী (গ্রস রিজার্ভ) দাঁড়ায় ২৬ দশমিক ৬০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬৬০ কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ১৪০ কোটি ডলার।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ১৩ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৬১৩ কোটি ডলার। ওই দিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৯০ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৯০ কোটি ডলার।

তবে এ দুই হিসাবের বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের আরও একটি হিসাব রয়েছে, সেটি ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ। এ তথ্য আনুষ্ঠা‌নিকভাবে শুধু আইএমএফকে প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ হিসাবে আইএমএফের এসডিআর খাতে থাকা ডলার, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়।

সে হিসাবে দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১৫ বিলিয়ন ডলারের কিছুটা ওপরে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। দেশে সে পরিমাণ রিজার্ভ রয়েছে। আর নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে আড়াই বিলিয়ন (২.৫৩ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারি মাসে রফতানি আয় হয়েছে প্রায় চার বিলিয়ন (৩.৯৭ ) ডলার, যা গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি।