ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৭ কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ ১২ পলাতক আসামি গ্রেফতার টিটিপি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রোহিঙ্গা তরুণ গ্রেপ্তার: পুলিশ গাছখেকোদের বাঁচাতে মরিয়া বিট কর্মকর্তা মান্নান ভোলায় খুন করে চকরিয়ায় আত্মগোপন, আসামী বাঘা গ্রেপ্তার হামের টিকা কেন দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হবে উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার ১০০টিরও বেশি আসন লুট করে নিয়েছে বিজেপি: মমতা কক্সবাজার ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে বরণে নেতাকর্মীদের ঢল সংরক্ষিত বনে ১০ ফুট উঁচু দেয়াল নির্মাণ, হুমকিতে জীববৈচিত্র্য টেকনাফে গণধর্ষণ ও অপহরণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার মাটি খুঁড়ে ফের বিপুল মাদক-অস্ত্র পেলো নৌবাহিনী মাছের ব্যাগে ৩০ হাজার ইয়াবা, যুবক আটক উখিয়ায় হত্যা, অপহরণসহ একাধিক মামলার আসামী গ্রেফতার কক্সবাজারে শুরু হয়েছে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা

রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৭

রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রামু থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের বড় ধলিরছড়া এলাকায় একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রামু থানার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ারের নেতৃত্বে এএসআই ছবিউল্লাহ, এএসআই মোঃ ইলিয়াছ, এএসআই রুপম চন্দ্র সেন, এএসআই মোঃ জাহেদুল ইসলাম, এএসআই মোঃ সৈয়দ হোছাইন ও এএসআই কোরবান আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশির (২৭) বসতঘরের সামনের কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করেন।

অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশি, হেলাল উদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ আলমগীর, শফিউল করিম, সুবাস প্রকাশ শুভ রাজ এবং শেফায়েত নুরকে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি দেশীয় তৈরি কাঠের বাটযুক্ত একনলা সচল বন্দুক, ৪টি তাজা অ্যামুনিশন, ৫টি খালি অ্যামুনিশন, ৫টি শটগানের কার্তুজ, ২টি কিরিচ, একটি কাঠের বাটযুক্ত কিরিচ, একটি গ্রাইন্ডিং মেশিন, একটি চাইনিজ কুড়াল, ৯টি চকলেট বোমা, অস্ত্র তৈরির ৫টি নকশা, বিভিন্ন ধরনের লোহার রড, পাইপ ও কাটিং সরঞ্জাম, হাতুড়ি, প্লায়ার্স, স্ক্রু ড্রাইভারসহ বিপুল পরিমাণ ডাকাতির সরঞ্জাম। এছাড়াও জব্দ করা হয়েছে ৮৫টি শিশা, একটি টুল বক্স এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি, যা অস্ত্র তৈরি ও অপরাধ সংঘটনে ব্যবহারের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদের ভাষ্য, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির পরিকল্পনা করে আসছিল এবং মঙ্গলবার ভোরে বড় ধরনের একটি ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র-গুলিসহ আটক ৭

আপডেট সময় : ০৭:১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও ডাকাতির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ডাকাত দলের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রামু থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের বড় ধলিরছড়া এলাকায় একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

রামু থানার এসআই (নিঃ) মোহাম্মদ আনোয়ারের নেতৃত্বে এএসআই ছবিউল্লাহ, এএসআই মোঃ ইলিয়াছ, এএসআই রুপম চন্দ্র সেন, এএসআই মোঃ জাহেদুল ইসলাম, এএসআই মোঃ সৈয়দ হোছাইন ও এএসআই কোরবান আলীসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশির (২৭) বসতঘরের সামনের কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ আলামত উদ্ধার করেন।

অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশি, হেলাল উদ্দিন, আবুল কাশেম, মোঃ আলমগীর, শফিউল করিম, সুবাস প্রকাশ শুভ রাজ এবং শেফায়েত নুরকে।

পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি দেশীয় তৈরি কাঠের বাটযুক্ত একনলা সচল বন্দুক, ৪টি তাজা অ্যামুনিশন, ৫টি খালি অ্যামুনিশন, ৫টি শটগানের কার্তুজ, ২টি কিরিচ, একটি কাঠের বাটযুক্ত কিরিচ, একটি গ্রাইন্ডিং মেশিন, একটি চাইনিজ কুড়াল, ৯টি চকলেট বোমা, অস্ত্র তৈরির ৫টি নকশা, বিভিন্ন ধরনের লোহার রড, পাইপ ও কাটিং সরঞ্জাম, হাতুড়ি, প্লায়ার্স, স্ক্রু ড্রাইভারসহ বিপুল পরিমাণ ডাকাতির সরঞ্জাম। এছাড়াও জব্দ করা হয়েছে ৮৫টি শিশা, একটি টুল বক্স এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি, যা অস্ত্র তৈরি ও অপরাধ সংঘটনে ব্যবহারের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফরিদের ভাষ্য, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতির পরিকল্পনা করে আসছিল এবং মঙ্গলবার ভোরে বড় ধরনের একটি ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।