ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা ছাত্রদলের কমিটি: নেতৃত্বের পরিবর্তন নাকি অমীমাংসিত সমিকরণ! কচ্ছপিয়ায় ৫০ হাজার ইয়াবা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে যুবক , বিজিবির ব্যর্থ অভিযান জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি: নতুন নেতৃত্বের ঐক্যের বার্তার বিপরীতে ক্ষোভ–বঞ্চনার প্রকাশ.. কক্সবাজারে টানা বৃষ্টিতে বিপাকে লবণ চাষিরা, বন্ধ উৎপাদন, বাড়ছে দুশ্চিন্তা কক্সবাজারে ৪ মাসব্যাপী বিআরটিসির ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ শুরু, অংশ নিচ্ছেন ১০০ জন জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় টেকনাফে যুবক গুলিবিদ্ধ টেকনাফে কিশোর অপহরণ, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি কক্সবাজার চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হ্নীলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ

রামুতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বালুবাসা গ্রামে নগদ টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছে। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে- গরু বিক্রির টাকা নিয়ে রামু থেকে ঘরে ফিরছিলেন কচ্ছপিয়ার বালুবাসা গ্রামের তিন বন্ধু। শনিবার রাত ১১টায় তাঁরা বালুবাসা রাস্তার মাথায় পৌঁছালে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের মোটরসাইকেল থামিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালান। এতে বাঁধা দিলে গুলিবর্ষণ করা হয়। এসময় গুলির শব্দ এবং রামু থেকে আসা রিমন ও আনসার উল্লাহর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন। পরে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন প্রচন্ডভাবে আহত হন। বাকি সদস্যরা অস্ত্র ও ৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। পরে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাহাব উদ্দিন ও ছিনতাইয়ের শিকার রিমনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুবেল দেব নাথ বলেন- ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় সাহাব উদ্দিন ও রিমনকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন- ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। সাহাব উদ্দিন দলবল নিয়ে এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছেন। এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়েছে। তার পরনের জ্যাকেট থেকে তিন রাউন্ড গুলি ও একটি আইসের প্যাকেট পেয়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে নিহত সাহাব উদ্দিনের নিকটাত্মীয় সালাহ উদ্দিন বাবু বলেন- শনিবার রাতে একটি ফোন আসে সাহাব উদ্দিনকে বালুবাসা গ্রামে মেরে পেলে রাখা হয়েছে। কি কারণে এ ঘটনা তারা জানেন না। সাহাব উদ্দিনকে প্রচন্ডভাবে প্রহার করা হয়েছে। মাথা ও শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তারা। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পাওয়ায় সে মারা যায় বলে তাদের দাবি।

রামু থানার ওসি ইমন কান্তি চৌধুরী রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন- নিহত সাহাব উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীরা শীঘ্রই আইনের আওতায় আসবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা ছাত্রদলের কমিটি: নেতৃত্বের পরিবর্তন নাকি অমীমাংসিত সমিকরণ!

রামুতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ১০:২২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বালুবাসা গ্রামে নগদ টাকা ছিনতাই করতে গিয়ে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন নামে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছে। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে- গরু বিক্রির টাকা নিয়ে রামু থেকে ঘরে ফিরছিলেন কচ্ছপিয়ার বালুবাসা গ্রামের তিন বন্ধু। শনিবার রাত ১১টায় তাঁরা বালুবাসা রাস্তার মাথায় পৌঁছালে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী তাদের মোটরসাইকেল থামিয়ে নগদ ৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালান। এতে বাঁধা দিলে গুলিবর্ষণ করা হয়। এসময় গুলির শব্দ এবং রামু থেকে আসা রিমন ও আনসার উল্লাহর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসেন। পরে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে সাহাব উদ্দিন প্রচন্ডভাবে আহত হন। বাকি সদস্যরা অস্ত্র ও ৫ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। পরে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সাহাব উদ্দিন ও ছিনতাইয়ের শিকার রিমনকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুবেল দেব নাথ বলেন- ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় সাহাব উদ্দিন ও রিমনকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাহাব উদ্দিন মারা যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন- ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। সাহাব উদ্দিন দলবল নিয়ে এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে এসেছেন। এলাকাবাসী তাকে গণপিটুনি দিয়েছে। তার পরনের জ্যাকেট থেকে তিন রাউন্ড গুলি ও একটি আইসের প্যাকেট পেয়েছে স্থানীয়রা।

এদিকে নিহত সাহাব উদ্দিনের নিকটাত্মীয় সালাহ উদ্দিন বাবু বলেন- শনিবার রাতে একটি ফোন আসে সাহাব উদ্দিনকে বালুবাসা গ্রামে মেরে পেলে রাখা হয়েছে। কি কারণে এ ঘটনা তারা জানেন না। সাহাব উদ্দিনকে প্রচন্ডভাবে প্রহার করা হয়েছে। মাথা ও শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন তারা। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা না পাওয়ায় সে মারা যায় বলে তাদের দাবি।

রামু থানার ওসি ইমন কান্তি চৌধুরী রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানিয়েছেন- নিহত সাহাব উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনাটি অধিকতর তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীরা শীঘ্রই আইনের আওতায় আসবে।