ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ দুর্নীতি ও লাগামহীন লুটপাটের কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি ও সামাজিক সহনশীলতা নির্মাণে সমন্বয় সভা পৌরসভা নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক দ্রুত বিচার আইনের মামলায় কলাতলীর আলোচিত বেলায়েত কারাগারে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, ‘কাউকে ছাড় নয়’- বিজিবি পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন সোমবার পাওনা টাকা চাওয়ায় দোকানদারকে গুলি বস্তাবন্দী খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার, নৃশংসতায় চাঞ্চল্য পৌরসভার সমন্বয় কমিটির সভা-মশা নিধন, ড্রেনেজ পরিস্কার,ফুটপাত দখলমুক্তে গুরুত্বারোপ কক্সবাজারে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শপিং মল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা কক্সবাজারে বিশেষ অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ সদস্যসহ ৯ আসামি গ্রেপ্তার রামুতে পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু কালবৈশাখী ঝড়ে গলল ‘সাদা সোনা’, কোটি টাকার ক্ষতিতে দিশেহারা চাষি ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশন আইন বহাল

রাখাইনের সাথে বাংলাদেশের ‘ভালো সম্পর্ক’ গুরুত্বপূর্ণ – উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা এবং ঘুমধুম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ে পরদর্শনে এসেছেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন।শনিবার (৮ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ঘুমধুমে পৌঁছান।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরকারীভাবে কোনো যোগাযোগ এখন নেই জানিয়ে নৌ পরিবহণ উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“ওপারের সাথে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং লাগে যোগাযোগ লাগে, সেই যোগাযোগ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, এখন আমাদের সরকারীভাবে যোগাযোগ নেই, কিন্তু আমি দেখে গেলাম এখানে সম্ভব একটা স্থলবন্দর হওয়া, আজকে না হোক কালকে না হোক পরশো না হোক আমাদের রিলেশন ভালো হবে।”

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ” সেখানে আরাকান আর্মি ভবিষ্যৎতে থাকুক বা না থাকুক যদিও একটা ফেডারেল কাঠামোতে থাকুক অথবা ভবিষ্যৎ কি হবে রাখাইনে আমরা জানিনা, যেভাবেই হোক আমি মনে করি আমাদের সাথে তাঁদের রিলেশন ভালো হওয়া উচিৎ, এবং ব্যবসা বাণিজ্যও চালু করা উচিৎ।”

পরিদর্শন শেষে তিনি আরও বলেন, রাখাইনের সাথে শুধু বাংলাদেশেরই আন্তর্জাতিক স্থলপথ রয়েছে, ফলে নানাভাবে রাখাইন রাজ্যের জন্য বাংলাদেশের এ অঞ্চল নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সীমান্ত সড়ক, ঘুমঘুমের স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের স্থান ও টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা এসময় উপদেষ্টার সাথে ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এলএনজি-এলপিজি নিয়ে দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ

রাখাইনের সাথে বাংলাদেশের ‘ভালো সম্পর্ক’ গুরুত্বপূর্ণ – উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমঘুম ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকা এবং ঘুমধুম এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাছাইয়ে পরদর্শনে এসেছেন নৌ পরিবহণ মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন।শনিবার (৮ ফ্রেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ঘুমধুমে পৌঁছান।

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সরকারীভাবে কোনো যোগাযোগ এখন নেই জানিয়ে নৌ পরিবহণ উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
“ওপারের সাথে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং লাগে যোগাযোগ লাগে, সেই যোগাযোগ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে, এখন আমাদের সরকারীভাবে যোগাযোগ নেই, কিন্তু আমি দেখে গেলাম এখানে সম্ভব একটা স্থলবন্দর হওয়া, আজকে না হোক কালকে না হোক পরশো না হোক আমাদের রিলেশন ভালো হবে।”

উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন আরও বলেন, ” সেখানে আরাকান আর্মি ভবিষ্যৎতে থাকুক বা না থাকুক যদিও একটা ফেডারেল কাঠামোতে থাকুক অথবা ভবিষ্যৎ কি হবে রাখাইনে আমরা জানিনা, যেভাবেই হোক আমি মনে করি আমাদের সাথে তাঁদের রিলেশন ভালো হওয়া উচিৎ, এবং ব্যবসা বাণিজ্যও চালু করা উচিৎ।”

পরিদর্শন শেষে তিনি আরও বলেন, রাখাইনের সাথে শুধু বাংলাদেশেরই আন্তর্জাতিক স্থলপথ রয়েছে, ফলে নানাভাবে রাখাইন রাজ্যের জন্য বাংলাদেশের এ অঞ্চল নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টেকনাফ স্থলবন্দরকে নৌবন্দরে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। অথবা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় থাকলে তা গুরুত্বসহকারে দেখা যাবে, এটা চিপিএ’র (চট্টগ্রাম পোর্ট অথরিটি) অধীনে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সীমান্ত সড়ক, ঘুমঘুমের স্থলবন্দর নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের স্থান ও টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শনের সময় বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মানজারুল মান্নান, কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবদুল্লাহ ইয়ামিন, কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবি’র অধিনায়ক লে: কর্নেল মো. ফারুক হোসেন খান সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা এসময় উপদেষ্টার সাথে ছিলেন।