ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের দুই হোতাসহ ৭ জন কক্সবাজারে গ্রেফতার ঈদগাঁওর আলোচিত সেলিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতাউল্লাহ গ্রেফতার আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনলো বিজিবি কক্সবাজারে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবনে অস্বস্তি সোনাদিয়ায় প্রশাসনের অভিযান: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কালিরছড়ায় সাহেদের ই’য়াবা নাকি টাকার ব্যাগ ছি’নতাই? শিক্ষক সংকটসহ শিক্ষা খাতের সমস্যা সমাধানে নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪ হোটেল সী-হার্টের মালিক জাহাঙ্গীর আলম মারা গেছেন পেকুয়ায় পুকুরে গোসলে নেমে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত কক্সবাজারের আকাশে রহস্যময় আলোকরশ্মির বিষয়ে যা জানা গেল মাতামুহুরি উপজেলা হওয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন জামায়াত নেতা ফারুক রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন সম্পন্ন কক্সবাজার ও বান্দরবান সফরে আসছেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

যেভাবে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও শনাক্ত করবেন

ডিপফেইকের মত এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও শনাক্ত করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। কোন ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি, কোনটি নয় এ নিয়ে যারা বিভ্রান্তিতে থাকেন এ লেখাটি তাদের জন্যই।

ডিপফেইক প্রযুক্তি অনেকদিন ধরেই ব্যবহার হয়ে আসছে, এটি সব ভিডিও একইভাবে বানায় না। কিছু ভিডিও বা ছবি এমনভাবে তৈরি করা হয় যা অবিশ্বাস করার মত নয়।

এসব ভিডিওর ক্ষেত্রে শুধু মুখের ভাবভঙ্গি বা ব্যাকগ্রাউন্ডে অদ্ভুত ছায়া আছে কিনা এসব বিষয় খেয়াল করলে কাজ হবে না বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট ‘মেইক ইউজ অফ’।

এমন সব ভিডিও শনাক্ত করার জন্য ‘ডিপওয়্যার’এর মত টুল ব্যবহার করা যেতে পারে। এই টুলটির সবচেয়ে ভালো দিক হল এটি একেবারেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

টুলটি ব্যবহার করতে প্রথমে ডিপওয়্যারের ওয়েবসাইটে যেতে হবে, এরপর ‘গো টু স্ক্যানার’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর যে ভিডিওটি পরীক্ষা করতে চান তা সরাসরি নিজের ল্যাপটপ বা ফোন থেকে আপলোড করতে পারেন অথবা ভিডিওটির লিংক দিতে পারেন। এরপর সাইটে ভিডিওটি সম্পর্কে মতামত পাবেন। এটি বেশ দ্রুত ও সহজে কাজ করে।

আরেকটি প্ল্যাটফর্ম যা এআই ভিডিও শনাক্তে সাহায্য করতে পারে তা হল ‘অ্যাটেস্টিভ ডট ভিডিও’। এটি বিনামূল্যে ও প্রিমিয়াম প্ল্যান দুইভাবেই ব্যবহার করা যায়। বিনামূল্যের ব্যবহারকারীরা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ পাঁচটি ভিডিও শনাক্ত করতে পারবেন এবং দুই মিনিটের বেশি দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করতে পারবেন না।

টুলটি ব্যবহারের জন্য অ্যাটেস্টিভ ডট ভিডিওর ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর পুরো ফাইল বা লিংক আপলোড করে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে স্ক্যান শেষ হওয়ার জন্য। স্ক্যান শেষে প্ল্যাটফর্মটি একটি টেকনিক্যাল সাসপিশিয়ন রেটিং তৈরি করবে। ওই রেটিংয়ে বেশি স্কোর আসা মানে ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি, কম স্কোর আসা মানে এটি নিরাপদ।

‘ইনভিড’ নামে আরেকটি টুল রয়েছে, এটি ডিপফেইক ডিটেক্টরের মত কাজ করে না। বরং ভিডিওর মূল বিষয় এবং ফ্রেম কয়েকভাগে ভাগ করে। এটি ওয়েবসাইট নয় বরং ব্রাউজার এক্সটেনশন হিসেবে কাজ করে।

ইনভিড সরাসরি একটি ভিডিও আসল না নকল তা না বললেও মূল ফ্রেম ও মুখগুলো আলাদা করে দেখানোয় নিজেই পরীক্ষা করা সহজ হয়ে যায়।

সূত্র: বিডিনিউজ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের দুই হোতাসহ ৭ জন কক্সবাজারে গ্রেফতার

যেভাবে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও শনাক্ত করবেন

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

ডিপফেইকের মত এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও শনাক্ত করা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। কোন ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি, কোনটি নয় এ নিয়ে যারা বিভ্রান্তিতে থাকেন এ লেখাটি তাদের জন্যই।

ডিপফেইক প্রযুক্তি অনেকদিন ধরেই ব্যবহার হয়ে আসছে, এটি সব ভিডিও একইভাবে বানায় না। কিছু ভিডিও বা ছবি এমনভাবে তৈরি করা হয় যা অবিশ্বাস করার মত নয়।

এসব ভিডিওর ক্ষেত্রে শুধু মুখের ভাবভঙ্গি বা ব্যাকগ্রাউন্ডে অদ্ভুত ছায়া আছে কিনা এসব বিষয় খেয়াল করলে কাজ হবে না বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট ‘মেইক ইউজ অফ’।

এমন সব ভিডিও শনাক্ত করার জন্য ‘ডিপওয়্যার’এর মত টুল ব্যবহার করা যেতে পারে। এই টুলটির সবচেয়ে ভালো দিক হল এটি একেবারেই বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

টুলটি ব্যবহার করতে প্রথমে ডিপওয়্যারের ওয়েবসাইটে যেতে হবে, এরপর ‘গো টু স্ক্যানার’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর যে ভিডিওটি পরীক্ষা করতে চান তা সরাসরি নিজের ল্যাপটপ বা ফোন থেকে আপলোড করতে পারেন অথবা ভিডিওটির লিংক দিতে পারেন। এরপর সাইটে ভিডিওটি সম্পর্কে মতামত পাবেন। এটি বেশ দ্রুত ও সহজে কাজ করে।

আরেকটি প্ল্যাটফর্ম যা এআই ভিডিও শনাক্তে সাহায্য করতে পারে তা হল ‘অ্যাটেস্টিভ ডট ভিডিও’। এটি বিনামূল্যে ও প্রিমিয়াম প্ল্যান দুইভাবেই ব্যবহার করা যায়। বিনামূল্যের ব্যবহারকারীরা প্রতি মাসে সর্বোচ্চ পাঁচটি ভিডিও শনাক্ত করতে পারবেন এবং দুই মিনিটের বেশি দীর্ঘ ভিডিও আপলোড করতে পারবেন না।

টুলটি ব্যবহারের জন্য অ্যাটেস্টিভ ডট ভিডিওর ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর পুরো ফাইল বা লিংক আপলোড করে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে স্ক্যান শেষ হওয়ার জন্য। স্ক্যান শেষে প্ল্যাটফর্মটি একটি টেকনিক্যাল সাসপিশিয়ন রেটিং তৈরি করবে। ওই রেটিংয়ে বেশি স্কোর আসা মানে ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি, কম স্কোর আসা মানে এটি নিরাপদ।

‘ইনভিড’ নামে আরেকটি টুল রয়েছে, এটি ডিপফেইক ডিটেক্টরের মত কাজ করে না। বরং ভিডিওর মূল বিষয় এবং ফ্রেম কয়েকভাগে ভাগ করে। এটি ওয়েবসাইট নয় বরং ব্রাউজার এক্সটেনশন হিসেবে কাজ করে।

ইনভিড সরাসরি একটি ভিডিও আসল না নকল তা না বললেও মূল ফ্রেম ও মুখগুলো আলাদা করে দেখানোয় নিজেই পরীক্ষা করা সহজ হয়ে যায়।

সূত্র: বিডিনিউজ