ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ২০ হাজার টাকায় আড়াই মাসের শিশু কেনার চেষ্টা, পুলিশ হেফাজতে পর্যটক দম্পতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: ছাত্রদলের রাজনীতি ও স্বপ্নময় বাংলাদেশের অভিযাত্রা পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের আত্মপ্রকাশ সভাপতি মাঈনুদ্দিন, সম্পাদক হুমায়ুন সেন্টমার্টিনে সালিশ বৈঠকে সাবেক মেম্বারের নেতৃত্বে হামলা : আহত বর্তমান মেম্বার শিল্পী ইয়াসির আরাফাত-এর দ্বিতীয় একক চিত্রপ্রদর্শনী শুরু ৩০ মে টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের নতুন এসপি মোঃ মারুফাত হোসাইন: এসপি নিহাদ হেডকোয়ার্টারে টেকনাফ সাবরাংয়ে সংঘর্ষের বলি কিশোর ইব্রাহিম, আটক ১ ঈদের আনন্দের মধ্যেই সড়কে ঝরল ১৬ প্রাণ ভারতে কারাভোগ শেষে ঈদের দিন দেশে ফিরেছেন ৩৬ বাংলাদেশি যুবক মিয়ানমারে পণ্য পাচারকে কেন্দ্র করে হোয়াইক্যংয়ের দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ কোরবানির বরাদ্দ: কাগজে মাংস, নাকি মানুষের ঘরে? সোনারপাড়ার সাদাবালি রিসোর্টে আগুন: শত্রুতা বলছে মালিক পক্ষ

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৩ শতাংশে নেমে আসবে

বিশ্বব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছর (২০২৪-২৫) শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসবে মাত্র ৩.৩ শতাংশে, যা পূর্বের ৪ শতাংশ পূর্বাভাস থেকেও কম। বুধবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট: ট্যাক্সিং টাইমস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সহিংসতা, কারফিউ ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রথম তিন প্রান্তিকে বেসরকারি ও সরকারি বিনিয়োগে প্রবল ধস দেখা গেছে, যার প্রভাব পুরো অর্থবছরে পড়বে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, যা গত ৩০ বছরে সর্বনিম্ন। এতে স্পষ্ট যে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগপ্রবণতা অত্যন্ত দুর্বল।

সরকারি বিনিয়োগেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে, কারণ মূলধনী ব্যয় হ্রাস পাচ্ছে। তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, বৈদেশিক খাতে চাপ কিছুটা কমেছে এবং চলতি হিসাব ঘাটতি সংকুচিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার বলেন, ‘গত এক দশকের একাধিক ধাক্কা দক্ষিণ এশিয়াকে দুর্বল করে দিয়েছে। এখন সময় এসেছে রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলার জন্য টার্গেটেড রিফর্মের।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রবৃদ্ধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার জন্য এই হার ৩ দশমিক ১ শতাংশ।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত না করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি সামনে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সবাইকে দেশ গঠনে সহযোগিতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস: বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩.৩ শতাংশে নেমে আসবে

আপডেট সময় : ০২:২০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫

বিশ্বব্যাংক বলছে, চলতি অর্থবছর (২০২৪-২৫) শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে আসবে মাত্র ৩.৩ শতাংশে, যা পূর্বের ৪ শতাংশ পূর্বাভাস থেকেও কম। বুধবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত ‘সাউথ এশিয়া ডেভেলপমেন্ট আপডেট: ট্যাক্সিং টাইমস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সহিংসতা, কারফিউ ও ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। প্রথম তিন প্রান্তিকে বেসরকারি ও সরকারি বিনিয়োগে প্রবল ধস দেখা গেছে, যার প্রভাব পুরো অর্থবছরে পড়বে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, যা গত ৩০ বছরে সর্বনিম্ন। এতে স্পষ্ট যে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগপ্রবণতা অত্যন্ত দুর্বল।

সরকারি বিনিয়োগেও ধীরগতি দেখা যাচ্ছে, কারণ মূলধনী ব্যয় হ্রাস পাচ্ছে। তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হলো, বৈদেশিক খাতে চাপ কিছুটা কমেছে এবং চলতি হিসাব ঘাটতি সংকুচিত হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার বলেন, ‘গত এক দশকের একাধিক ধাক্কা দক্ষিণ এশিয়াকে দুর্বল করে দিয়েছে। এখন সময় এসেছে রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার, কৃষিতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলার জন্য টার্গেটেড রিফর্মের।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রবৃদ্ধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার জন্য এই হার ৩ দশমিক ১ শতাংশ।

এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত না করা গেলে বাংলাদেশের অর্থনীতি সামনে আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন