ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীতে ঘুরতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু লিংক রোডে এসআরবির হাতে আটক ২ ২ মাদক কারবারি : ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে চালু হলো মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিন ট্রাইব্যুনাল পড়ে আছে মহেশখালীর ৮ হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন নিখোঁজের ৮ বছর পর বালুখালীর জসিমকে  পঞ্চগড় থেকে ফিরে পেল পরিবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ বিশ্ব গণ্ডার দিবস আজ বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ দিতে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানই বিএনপির সামনে ‘এখন চ্যালেঞ্জ’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের পরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে যান। সেখানে জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এখন যে চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে রয়েছে সেটা হলো আগামী ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচনের কথা আছে তা সুষ্ঠভাবে করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করা, সাহায্য করা।

সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংস্কার বিষয়ক কমিশনগুলো যে প্রস্তাবগুলো নিয়ে এসেছিল, সেগুলোতে বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করেছে।

মির্জা ফখরুল প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সমর্থনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একদিকে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটাবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক পরিবর্তনও ঘটাবে।

এ সময় আরও ছিলেন– দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল আলম নিরব, মহানগর বিএনপির উত্তরের আমিনুল হক, দক্ষিণের তানভীর আহমেদ রবিন প্রমুখ। পরে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন এবং তার শাসনামলে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির মূল যে আদর্শ সেই আদর্শ ও দর্শনটি ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ; যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমুল পরিবর্তন হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি (জিয়াউর রহমান) রাজনীতিতে যেমন গুণগত পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি মিডিয়া-গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, তিনি মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করেছিলেন, তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং একইসঙ্গে অর্থনীতিতে গতি আনতে তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রবর্তন করেছিলেন; যার ফলে অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হয়েছিল।

বিগত ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ আট বছর এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন নির্বাসিত হয়ে। বিএনপিরকে ধ্বংস করার জন্য প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, ১ হাজার ৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে, খুন করা হয়েছে এবং অবিশ্বাস্য রকমের একটা ফ্যাসিজিম এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল; যার মূল লক্ষ্যই ছিল বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সেই ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হতে পেরেছি।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মহেশখালীতে ঘুরতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনই বিএনপির সামনে চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৪:১৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানই বিএনপির সামনে ‘এখন চ্যালেঞ্জ’ বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের পরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে যান। সেখানে জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং প্রয়াত নেতার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, এখন যে চ্যালেঞ্জ আমাদের সামনে রয়েছে সেটা হলো আগামী ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচনের কথা আছে তা সুষ্ঠভাবে করতে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করা, সাহায্য করা।

সংস্কার প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংস্কার বিষয়ক কমিশনগুলো যে প্রস্তাবগুলো নিয়ে এসেছিল, সেগুলোতে বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি পরিবর্তন আনার ব্যবস্থা করেছে।

মির্জা ফখরুল প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সমর্থনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি একদিকে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটাবে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক পরিবর্তনও ঘটাবে।

এ সময় আরও ছিলেন– দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর সরফত আলী সপু, সাইফুল আলম নিরব, মহানগর বিএনপির উত্তরের আমিনুল হক, দক্ষিণের তানভীর আহমেদ রবিন প্রমুখ। পরে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন এবং তার শাসনামলে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির মূল যে আদর্শ সেই আদর্শ ও দর্শনটি ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ; যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আমুল পরিবর্তন হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি (জিয়াউর রহমান) রাজনীতিতে যেমন গুণগত পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি মিডিয়া-গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন, তিনি মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করেছিলেন, তিনি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন এবং একইসঙ্গে অর্থনীতিতে গতি আনতে তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতি প্রবর্তন করেছিলেন; যার ফলে অর্থনীতির আমূল পরিবর্তন হয়েছিল।

বিগত ১৫ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ আট বছর এই সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন নির্বাসিত হয়ে। বিএনপিরকে ধ্বংস করার জন্য প্রায় ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, ১ হাজার ৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে, খুন করা হয়েছে এবং অবিশ্বাস্য রকমের একটা ফ্যাসিজিম এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল; যার মূল লক্ষ্যই ছিল বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা। জনগণের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সেই ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হতে পেরেছি।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন