ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রধান উপদেষ্টা বরাবর কক্সবাজার প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি

কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের দাবি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে কক্সবাজার প্রেসক্লাব।

আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপি প্রদান কালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান বলেন দেশের পর্যটনের রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার এখন শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অথচ কক্সবাজার এখন বাংলাদেশের একটি পর্যটন শহর নয় শুধু , এটি হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক ব্যবসা, সুনীল অর্থনীতি ও আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্হাপনের দীর্ঘদিনের। এখনো পর্যন্ত এই জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের বাস্তব উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

স্মারকলিপি গ্রহনকালে জেলা প্রশাসক মো আব্দুল মান্নান বলেন কক্সবাজারে অবশ্যই একটি প্রযুক্তি নির্ভর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন রয়েছে। কক্সবাজার একটি অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনাময় জেলা। এই গুরুত্ব বিবেচনা করে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা সহ সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জেলা প্রশাসক প্রতিশ্রুতি দেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় কক্সবাজার জেলার
অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা– এই তিন ধারা একসঙ্গে বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সরকার এখানে মানুষকেন্দ্রিক ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

কক্সবাজারের জনসংখ্যা ২৬ লাখের বেশি এবং পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শরনার্থী শিবির কক্সবাজারে অবস্হিত যেখানে বসবাস করছে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থী। কক্সবাজারে রয়েছে অসীম প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্র অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় মানুষ। এ ছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়েছে। দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর হতে যাচ্ছে মাতারবাড়ীতে। এসবের পাশাপাশি কক্সবাজারে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান থাকলেও কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষার কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থাকলেও উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় যেতে হয়। অথচ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার শিকার এবং দরিদ্র ঘরের সন্তানেরা উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এরিই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন থেকে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানিয়ে আসছে স্হানীয়রা।

আপনার সদর অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে
ইতোপূর্বে ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সুপারিশ প্রদান করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এই সুপারিশে ভৌগলিক দিক চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি বিশেষ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছিল ইউজিসি।

মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে চারটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো: ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, সমুদ্র বিজ্ঞান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য বিজ্ঞান। কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্যতা রয়েছে। অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনাম কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে কক্সবাজারের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা, যা জাতীয় উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এ ছাড়া প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্র বিজ্ঞান, মৎস্য, পরিবেশ, পর্যটন সহ প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্ম কারিগরি জ্ঞান এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতায় সমৃদ্ধ হবে যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এই অঞ্চলের অর্থনৈতিকসহ সার্বিক বিষয়ে বিবেচনা করে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন করার জন্য আবেদন করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল হক শারেক, মোয়াজ্জেম হোসেন শাকিল, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মিজানসহ নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

প্রধান উপদেষ্টা বরাবর কক্সবাজার প্রেসক্লাবের স্মারকলিপি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি

আপডেট সময় : ০৪:৫২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের দাবি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে কক্সবাজার প্রেসক্লাব।

আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রদান করেন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। স্মারকলিপি প্রদান কালে কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবর রহমান বলেন দেশের পর্যটনের রাজধানী হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার এখন শিক্ষা দীক্ষায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অথচ কক্সবাজার এখন বাংলাদেশের একটি পর্যটন শহর নয় শুধু , এটি হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক ব্যবসা, সুনীল অর্থনীতি ও আঞ্চলিক সংযোগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে। কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্হাপনের দীর্ঘদিনের। এখনো পর্যন্ত এই জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের বাস্তব উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না।

স্মারকলিপি গ্রহনকালে জেলা প্রশাসক মো আব্দুল মান্নান বলেন কক্সবাজারে অবশ্যই একটি প্রযুক্তি নির্ভর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন রয়েছে। কক্সবাজার একটি অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনাময় জেলা। এই গুরুত্ব বিবেচনা করে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপনের জন্য প্রধান উপদেষ্টা সহ সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জেলা প্রশাসক প্রতিশ্রুতি দেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় কক্সবাজার জেলার
অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা– এই তিন ধারা একসঙ্গে বিবেচনায় এনে বাংলাদেশ সরকার এখানে মানুষকেন্দ্রিক ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে।

কক্সবাজারের জনসংখ্যা ২৬ লাখের বেশি এবং পৃথিবীর সর্ববৃহৎ শরনার্থী শিবির কক্সবাজারে অবস্হিত যেখানে বসবাস করছে ১৩ লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থী। কক্সবাজারে রয়েছে অসীম প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্র অর্থনীতি ও সম্ভাবনাময় মানুষ। এ ছাড়া কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়েছে। দেশের একমাত্র গভীর সমুদ্র বন্দর হতে যাচ্ছে মাতারবাড়ীতে। এসবের পাশাপাশি কক্সবাজারে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকার বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান থাকলেও কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষার কোন প্রতিষ্ঠান নেই। সরকারী একটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থাকলেও উচ্চ শিক্ষার জন্য প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থীদের চট্টগ্রাম কিংবা ঢাকায় যেতে হয়। অথচ অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার শিকার এবং দরিদ্র ঘরের সন্তানেরা উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এরিই পরিপ্রেক্ষিতে দীর্ঘদিন থেকে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি জানিয়ে আসছে স্হানীয়রা।

আপনার সদর অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে
ইতোপূর্বে ২০২৩ সালে অক্টোবর মাসে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সুপারিশ প্রদান করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এই সুপারিশে ভৌগলিক দিক চিন্তা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি বিশেষ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করারও সুপারিশ করেছিল ইউজিসি।

মঞ্জুরি কমিশনের সুপারিশে কক্সবাজারে বিশ্ববিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যে চারটি বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো: ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, সমুদ্র বিজ্ঞান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য বিজ্ঞান। কক্সবাজারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরিহার্যতা রয়েছে। অর্থনৈতিক ভাবে সম্ভাবনাম কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে কক্সবাজারের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা, যা জাতীয় উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে। এ ছাড়া প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্র বিজ্ঞান, মৎস্য, পরিবেশ, পর্যটন সহ প্রযুক্তির ব্যবহার ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের তরুণ প্রজন্ম কারিগরি জ্ঞান এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতায় সমৃদ্ধ হবে যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এই অঞ্চলের অর্থনৈতিকসহ সার্বিক বিষয়ে বিবেচনা করে কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্হাপন করার জন্য আবেদন করেন কক্সবাজার প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন বাহারি, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকরাম চৌধুরী টিপু নির্বাহী কমিটির সদস্য শামসুল হক শারেক, মোয়াজ্জেম হোসেন শাকিল, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মিজানসহ নেতৃবৃন্দ।