ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় পথচারী নিহত, চালক আটক পশ্চিম লারপাড়া ছাত্র ও যুব ফোরামের সভা, অফিস উদ্বোধন চুক্তির দাম না পেয়ে বিপাকে ১২ হাজার কৃষক:চকরিয়ায় তামাকচাষিদের বিক্ষোভ উখিয়া থানার ‘মালখানা’ যেন টাকার খনি, কারবারিদের হাতেই যায় জব্দকৃত ইয়াবা ! ‘দেশকে নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে’- জামায়াতের জেলা আমীর আনোয়ারী কক্সবাজারে শিশু ধর্ষণ মামলার মূলহোতা সাজ্জাদ র‍্যাবের জালে সেন্টমার্টিনে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে! রামুতে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন শিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলকে লেলিয়ে দিয়েছে সরকার : গোলাম পরওয়ার মিনি ট্রাক খাদে পড়ে শ্রমিক নিহত, আহত ৩ জব্বারের বলীখেলার ১১৭তম আসর বসছে শনিবার- লালদীঘিতে জমবে বৈশাখী মেলা সহকারী বন সংরক্ষক শাহীনুর ইসলামের বিবৃতি রামুতে সড়ক সংস্কারে ঠিকাদার-এলজিইডি কর্তার অনিয়ম, কাজ শেষ হওয়ার আগেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গলায় ফাঁস দিয়ে নারীর আত্মহত্যা

পলাতক মুন্না’র অপরাধ জগত ‘ফরিদ’ এর নিয়ন্ত্রণে, আ’তং’কে রোহিঙ্গারা

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মুন্না’ পলাতক হলেও তার অপরাধ জগতের সেকেন্ড ইন কমান্ড খ্যাত ফরিদ এখন সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংকের নাম।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফরিদের নেতৃত্বে ৬০-৭০ জনের অ’স্ত্র’ধারী একটি গ্রুপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ,চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা সহ নানা অপরাধে জড়িত।

৬ বছর আগে কুতুপালং নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ক্যাম্পের ই ব্লকের বাসিন্দা জাফরের পুত্র ফরিদের উত্থান হয় মুন্নার হাত ধরে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফরিদের নামে অপহরণ,হত্যা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে নিবন্ধিত ক্যাম্পে গুলি ছুঁড়ে আতংক তৈরি করলে ঘটনাস্থলে পুলিশের তাৎক্ষণিক উপস্থিতিতে পালিয়ে যায় ফরিদ ও তার সহযোগীরা।

গত ২৯ নভেম্বর, নয়াপাড়া নিবন্ধিত ক্যাম্পের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল’কে পূর্ব বিরোধের জেরে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেয় মুন্না গ্রুপের সদস্যরা। আলোচিত এই ঘটনায় ফরিদ জড়িত বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা ইমাম বলেন, ‘ ফরিদের আতংকে রাতে আমরা ঘুমাতে পারিনা। এমন কোনো অপরাধ নেই সে করেনি এখন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

রোহিঙ্গা যুবক সাদেক (ছদ্মনাম) জানান, ‘ফরিদ কে চাঁদা না দিলে এখানে কেউ চাকরি করতে পারেনা। তার নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ, তাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।’

ফরিদ সহ ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন।

তিনি বলেন, ‘ ক্যাম্পে অপরাধ দমনে এপিবিএনের সদস্যরা তৎপর, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কোনোভাবেই অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। ‘

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

পলাতক মুন্না’র অপরাধ জগত ‘ফরিদ’ এর নিয়ন্ত্রণে, আ’তং’কে রোহিঙ্গারা

আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মুন্না’ পলাতক হলেও তার অপরাধ জগতের সেকেন্ড ইন কমান্ড খ্যাত ফরিদ এখন সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংকের নাম।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফরিদের নেতৃত্বে ৬০-৭০ জনের অ’স্ত্র’ধারী একটি গ্রুপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ,চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা সহ নানা অপরাধে জড়িত।

৬ বছর আগে কুতুপালং নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ক্যাম্পের ই ব্লকের বাসিন্দা জাফরের পুত্র ফরিদের উত্থান হয় মুন্নার হাত ধরে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফরিদের নামে অপহরণ,হত্যা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে নিবন্ধিত ক্যাম্পে গুলি ছুঁড়ে আতংক তৈরি করলে ঘটনাস্থলে পুলিশের তাৎক্ষণিক উপস্থিতিতে পালিয়ে যায় ফরিদ ও তার সহযোগীরা।

গত ২৯ নভেম্বর, নয়াপাড়া নিবন্ধিত ক্যাম্পের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল’কে পূর্ব বিরোধের জেরে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেয় মুন্না গ্রুপের সদস্যরা। আলোচিত এই ঘটনায় ফরিদ জড়িত বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা ইমাম বলেন, ‘ ফরিদের আতংকে রাতে আমরা ঘুমাতে পারিনা। এমন কোনো অপরাধ নেই সে করেনি এখন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

রোহিঙ্গা যুবক সাদেক (ছদ্মনাম) জানান, ‘ফরিদ কে চাঁদা না দিলে এখানে কেউ চাকরি করতে পারেনা। তার নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ, তাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।’

ফরিদ সহ ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন।

তিনি বলেন, ‘ ক্যাম্পে অপরাধ দমনে এপিবিএনের সদস্যরা তৎপর, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কোনোভাবেই অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। ‘