ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

পলাতক মুন্না’র অপরাধ জগত ‘ফরিদ’ এর নিয়ন্ত্রণে, আ’তং’কে রোহিঙ্গারা

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মুন্না’ পলাতক হলেও তার অপরাধ জগতের সেকেন্ড ইন কমান্ড খ্যাত ফরিদ এখন সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংকের নাম।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফরিদের নেতৃত্বে ৬০-৭০ জনের অ’স্ত্র’ধারী একটি গ্রুপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ,চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা সহ নানা অপরাধে জড়িত।

৬ বছর আগে কুতুপালং নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ক্যাম্পের ই ব্লকের বাসিন্দা জাফরের পুত্র ফরিদের উত্থান হয় মুন্নার হাত ধরে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফরিদের নামে অপহরণ,হত্যা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে নিবন্ধিত ক্যাম্পে গুলি ছুঁড়ে আতংক তৈরি করলে ঘটনাস্থলে পুলিশের তাৎক্ষণিক উপস্থিতিতে পালিয়ে যায় ফরিদ ও তার সহযোগীরা।

গত ২৯ নভেম্বর, নয়াপাড়া নিবন্ধিত ক্যাম্পের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল’কে পূর্ব বিরোধের জেরে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেয় মুন্না গ্রুপের সদস্যরা। আলোচিত এই ঘটনায় ফরিদ জড়িত বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা ইমাম বলেন, ‘ ফরিদের আতংকে রাতে আমরা ঘুমাতে পারিনা। এমন কোনো অপরাধ নেই সে করেনি এখন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

রোহিঙ্গা যুবক সাদেক (ছদ্মনাম) জানান, ‘ফরিদ কে চাঁদা না দিলে এখানে কেউ চাকরি করতে পারেনা। তার নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ, তাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।’

ফরিদ সহ ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন।

তিনি বলেন, ‘ ক্যাম্পে অপরাধ দমনে এপিবিএনের সদস্যরা তৎপর, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কোনোভাবেই অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। ‘

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

পলাতক মুন্না’র অপরাধ জগত ‘ফরিদ’ এর নিয়ন্ত্রণে, আ’তং’কে রোহিঙ্গারা

আপডেট সময় : ০৮:১৯:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মুন্না’ পলাতক হলেও তার অপরাধ জগতের সেকেন্ড ইন কমান্ড খ্যাত ফরিদ এখন সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে আতংকের নাম।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফরিদের নেতৃত্বে ৬০-৭০ জনের অ’স্ত্র’ধারী একটি গ্রুপ রোহিঙ্গা ক্যাম্প কেন্দ্রিক অপহরণ,চাঁদাবাজি,মাদক ব্যবসা সহ নানা অপরাধে জড়িত।

৬ বছর আগে কুতুপালং নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ক্যাম্পের ই ব্লকের বাসিন্দা জাফরের পুত্র ফরিদের উত্থান হয় মুন্নার হাত ধরে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য বলছে, তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ফরিদের নামে অপহরণ,হত্যা সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাতে নিবন্ধিত ক্যাম্পে গুলি ছুঁড়ে আতংক তৈরি করলে ঘটনাস্থলে পুলিশের তাৎক্ষণিক উপস্থিতিতে পালিয়ে যায় ফরিদ ও তার সহযোগীরা।

গত ২৯ নভেম্বর, নয়াপাড়া নিবন্ধিত ক্যাম্পের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল’কে পূর্ব বিরোধের জেরে পুলিশের প্রিজন ভ্যান থেকে ছিনিয়ে নেয় মুন্না গ্রুপের সদস্যরা। আলোচিত এই ঘটনায় ফরিদ জড়িত বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক রোহিঙ্গা ইমাম বলেন, ‘ ফরিদের আতংকে রাতে আমরা ঘুমাতে পারিনা। এমন কোনো অপরাধ নেই সে করেনি এখন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’

রোহিঙ্গা যুবক সাদেক (ছদ্মনাম) জানান, ‘ফরিদ কে চাঁদা না দিলে এখানে কেউ চাকরি করতে পারেনা। তার নির্যাতনে আমরা অতিষ্ঠ, তাকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।’

ফরিদ সহ ক্যাম্পের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন।

তিনি বলেন, ‘ ক্যাম্পে অপরাধ দমনে এপিবিএনের সদস্যরা তৎপর, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি। কোনোভাবেই অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। ‘