ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি : টেকনাফ সীমান্তে ১ লাখ ৪৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার বিমান বাহিনীর ১৩২ তম জুনিয়র কমান্ড ও স্টাফ কোর্সের সনদপত্র বিতরণ মাদকই অপরাধের বড় কারণ, নির্মূলে কাজ করছে সরকার: পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জনের ২য় শাহাদাত বার্ষিকীতে সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধাঞ্জলি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদক-জুয়া প্রতিরোধে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত টেকসই শান্তি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে নারী নেতৃত্বের অংশগ্রহণে জোর দিলো বাংলাদেশ জাতিসংঘে আজ ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চকরিয়া উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির কমিটি গঠন: আহ্বায়ক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সদস্য সচিব: রায়হান উদ্দিন হলিডে মোড়ে ট্রাক চাপায় রাসেল নামের মোটরসাইকেল আরোহী নিহত : আহত ২ পেকুয়ায় মাদক কেনার সময় যুবক আটক, ৩ মাসের কারাদণ্ড বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে ৩ দিনের পর্যটন মেলা সদরে থানার অভিযানে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১০ জন গ্রেপ্তার আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

দেশের রিজার্ভ এখন ৩০ বিলিয়ন ডলার

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ গতকাল বৃহস্পতিবার দিন শেষে ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৩০ জুন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে ২৪ দিনের ব্যবধানে মোট রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া গত মাস শেষে বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২৬ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী গত ২৪ দিনে রিজার্ভ কমেছে ১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত ৮ জুলাই এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু) মে ও জুন মাসের আমদানি বাবদ বকেয়া বিল ২০১ কোটি ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারপর মোট রিজার্ভ কমে হয় ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ অনুয়ায়ী রিজার্ভ দাঁড়ায় ২৪ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রবাসীরা বৈধ পথে আয় পাঠানো বাড়িয়েছেন। বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ৩০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পণ্য রপ্তানিতে বিদায়ী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৮ শতাংশ।

বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎস—প্রবাসী আয় ও পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকার কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি ফিরেছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সরে এসেছে। ১০ মাস ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে না। এর মধ্যে দেশের ব্যাংক ও রাজস্ব খাত সংস্কার, বাজেট সহায়তা ও ঋণ হিসেবে কয়েক বিলিয়ন ডলারের ঋণ দেশে আসছে। এর ফলে বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

এদিকে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং তার বিপরীতে আমদানি কম থাকায় ডলারের চাহিদা কমেছে। সে কারণে টাকার তুলনায় মার্কিন ডলারের দাম কমতে শুরু করেছিল। এই পরিস্থিতিতে চলতি মাসে ডলারের দাম ধরে রাখতে নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র: প্রথমআলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিজিবির সঙ্গে চোরাকারবারিদের গোলাগুলি : টেকনাফ সীমান্তে ১ লাখ ৪৯ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

দেশের রিজার্ভ এখন ৩০ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ০৪:৪২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ গতকাল বৃহস্পতিবার দিন শেষে ৩০ বিলিয়ন বা ৩ হাজার কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২৪ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত ৩০ জুন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে ২৪ দিনের ব্যবধানে মোট রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া গত মাস শেষে বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২৬ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাব অনুযায়ী গত ২৪ দিনে রিজার্ভ কমেছে ১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত ৮ জুলাই এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নকে (আকু) মে ও জুন মাসের আমদানি বাবদ বকেয়া বিল ২০১ কোটি ডলার পরিশোধ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারপর মোট রিজার্ভ কমে হয় ২৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ অনুয়ায়ী রিজার্ভ দাঁড়ায় ২৪ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রবাসীরা বৈধ পথে আয় পাঠানো বাড়িয়েছেন। বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ৩০ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে, যা তার আগের অর্থবছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পণ্য রপ্তানিতে বিদায়ী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ৮ শতাংশ।

বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই উৎস—প্রবাসী আয় ও পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকার কারণে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি ফিরেছে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সরে এসেছে। ১০ মাস ধরেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে না। এর মধ্যে দেশের ব্যাংক ও রাজস্ব খাত সংস্কার, বাজেট সহায়তা ও ঋণ হিসেবে কয়েক বিলিয়ন ডলারের ঋণ দেশে আসছে। এর ফলে বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ।

এদিকে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং তার বিপরীতে আমদানি কম থাকায় ডলারের চাহিদা কমেছে। সে কারণে টাকার তুলনায় মার্কিন ডলারের দাম কমতে শুরু করেছিল। এই পরিস্থিতিতে চলতি মাসে ডলারের দাম ধরে রাখতে নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সূত্র: প্রথমআলো