রামুতে প্রায় দেড় কিলোমিটার ধাওয়া করে দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. হারুন (২৯) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে একটি নম্বরবিহীন পিকআপ (ডাম্প ট্রাক)।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালায় রামু থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হারুন রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব দারিয়ারদিঘী এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম হোসেন আহমদ ও মায়ের নাম রশিদা বেগম।
পুলিশ জানায়, ভোর চারটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামু থানার একটি আভিযানিক দল জানতে পারে, নম্বরবিহীন একটি পিকআপযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মরিচ্যা থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার–চট্টগ্রাম মহাসড়কের দিকে পাচার করা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শিকলঘাটা ব্রিজের ২০০ গজ দক্ষিণে মরিচ্যা–রামু সড়কে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়। সকাল ৯টার দিকে রামু বাইপাসমুখী একটি নম্বরবিহীন পিকআপ চেকপোস্টে থামার সংকেত অমান্য করে ব্যারিয়ার ভেঙে দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যরা পিকআপটির পিছু ধাওয়া করেন। প্রায় দেড় কিলোমিটার ধাওয়া শেষে গাড়িটি ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের রামু কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে থামে। এ সময় গাড়ি থেকে তিন থেকে চারজন ব্যক্তি নেমে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে মো. হারুনকে তাঁর হাতে থাকা একটি সাদা বস্তাসহ আটক করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যান। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বস্তাটি তল্লাশি করে ১৫টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি প্যাকেটে ১০ হাজার পিস করে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়। জব্দতালিকা প্রস্তুত করে আলামতগুলো জব্দ করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস বলেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। পলাতক ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
##
নিজস্ব প্রতিবেদক : 
























