ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০ মহেশখালীতে স্কুলছাত্রকে ডিশের ক্যাবল দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো শিক্ষক, থানায় অভিযোগ হঠাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিস্থিতি দেখতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক, যা বললেন রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কা, ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মানসিক চাপ, সৌদি আরবে লোহাগাড়ার যুবকের মরদেহ উদ্ধার লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চার যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ চাকরি দেয়ার নামে কিশোর অপহরণ : উখিয়ায় মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের বক্তব্যের নিন্দা কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির : জেলা জজকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হত্যা মামলার আসামি মুহুরি পাড়ার ছৈয়দ আলম গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
আরো ৬ পাচারকারী আটক

টেকনাফে মানব পাচারে ‘জিরো টলারেন্স’ বলছে বিজিবি

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে মানব পাচার চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়।

বিজিবি জানায়, মিয়ানমার থেকে সাগরপথে পাচার করে আনা কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে স্থানীয় একটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল পাচারকারীরা।
গোপন খবরের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে বাড়ির মালিক মোছা. শামসুন্নাহারসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় পাচারচক্রের দুজন পালিয়ে যায়।

আটকরা হলেন, শামসুন্নাহার (৩৫), হোসনে আরা (৩১), নুরুন্নিসা (৪৯), মোহাম্মদ ইসমাইল (৫০), হারুন (৩৫) ও ইউসুফ আলী (৪৭)। তারা সকলে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামসুন্নাহার স্বীকার করেছেন, টাকার বিনিময়ে পাচার করে আনা লোকজনকে তিনি সাময়িকভাবে আশ্রয় দিতেন।
অন্য আটকরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার থেকে লোক এনে ক্যাম্পে নেওয়ার পাশাপাশি অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে ক্যাম্পের কার্ড পেতে সহায়তা করতেন।

অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া পাচারকারীদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

লে. কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, “মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে। দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায়

আরো ৬ পাচারকারী আটক

টেকনাফে মানব পাচারে ‘জিরো টলারেন্স’ বলছে বিজিবি

আপডেট সময় : ০১:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অভিযানে মানব পাচার চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) শাহপরীরদ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া এলাকায় এ অভিযান চালায়।

বিজিবি জানায়, মিয়ানমার থেকে সাগরপথে পাচার করে আনা কয়েকজন বিদেশি নাগরিককে স্থানীয় একটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে তাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল পাচারকারীরা।
গোপন খবরের ভিত্তিতে ২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে বাড়ির মালিক মোছা. শামসুন্নাহারসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় পাচারচক্রের দুজন পালিয়ে যায়।

আটকরা হলেন, শামসুন্নাহার (৩৫), হোসনে আরা (৩১), নুরুন্নিসা (৪৯), মোহাম্মদ ইসমাইল (৫০), হারুন (৩৫) ও ইউসুফ আলী (৪৭)। তারা সকলে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

বিজিবি জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামসুন্নাহার স্বীকার করেছেন, টাকার বিনিময়ে পাচার করে আনা লোকজনকে তিনি সাময়িকভাবে আশ্রয় দিতেন।
অন্য আটকরা জানিয়েছেন, তারা মিয়ানমার থেকে লোক এনে ক্যাম্পে নেওয়ার পাশাপাশি অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে ক্যাম্পের কার্ড পেতে সহায়তা করতেন।

অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া পাচারকারীদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

লে. কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, “মাদক ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে বিজিবির ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে। দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক।”