টেকনাফে বিজিবি ও র্যাবের সমন্বিত অভিযানে সাগরপথে আসা মাদকের একটি বড় চালান জব্দ করা হয়েছে।
রবিবার (২৩ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মিয়ানমার হতে আসা একটি নৌযান কচ্ছপিয়া ঘাটের দিকে অগ্রসর হলে গোয়েন্দা প্রযুক্তির সহায়তায় এর গতিবিধি শনাক্ত করে বিজিবি ও র্যাব।
পরবর্তীতে যৌথ টহলদল কচ্ছপিয়া, দরগাছড়া ও মিঠাপানিছড়া এলাকায় অবস্থান নিয়ে নৌযানটিকে নজরদারিতে রাখে। নৌযানটি সৈকতের কাছাকাছি পৌঁছালে পাচারকারীরা পানিতে নেমে মাদক হস্তান্তর করতে শুরু করে। এ সময় বিজিবি ও র্যাবের অভিযানিক দল তাদের ঘেরাও করে ফেলে এবং তল্লাশি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ১ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।বাকী দুইজন পাচারকারি উত্তাল সাগর দিয়ে নৌযানসহ পালিয়ে যায়।
আটক ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমার থেকে মাদক সংগ্রহ করে বাংলাদেশে পাচার করে আসছিলেন। আটক আসামিকে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ স্থানীয় থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানা গেছে।
আটক হোসেন আহমেদ (৩৫) টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর লম্বরী এলাকার বাসিন্দার নুর আহমদের পুত্র ।
টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান বলেন, বিজিবি ও র্যাবের যৌথ অভিযানের সাফল্য প্রমাণ করে যে, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষায় আমরা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্তের প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষায় এবং প্রতিটি মাদক চালান আটকাতে আমাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে।
সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার ঘোষণা দেন তিনি।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 























