ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে আড়ং ও স্বপ্ন সুপার শপে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ‎৩ দিন ধরে নির্যাতনের পর পাহাড়তলী টমটম গ্যারেজ থেকে আব্দুল হাকিমের লাশ উদ্ধার উখিয়া ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ প্রদীপের বিরুদ্ধে সৈকতে ৫০ ফুট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক দানব! শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে সহযোগীতা করুন- লোহাগাড়ায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার রাজুকে ফেরত দিলো কুমিল্লা পুলিশ, ৫৪ ধারায় কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমন,জাহাজ ছাড়ার স্থান ও সংখ্যা নিয়ে পরিবর্তন আসছে সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারে সিএনজি থেকে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১২ মানব পাচারকারী আটক

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ অভিযানে ১২ জন মানব পাচারকারী আটক হয়েছেন।

বিজিবি জানায়, সম্প্রতি টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সাগরপথে মানব পাচার তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাতে শাহপীরদ্বীপ উপকূল ও মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়। এ সময় মানব পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করে ১২ জনকে আটক করা হয়।

বিজিবি বলছে, বেশ কিছুদিন ধরে সংঘবদ্ধ কয়েকটি চক্র মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পর্যন্ত মানব পাচারের সাথে জড়িত। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব চক্র টেকনাফসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। চক্রগুলো প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের নাগরিকদের বিদেশ পাঠানোর নামে আটকে রেখে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম চালিয়ে আসছিল।

অভিযানে ধৃত আসামিদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়াও রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থান করা মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া ১১ জন ভুক্তভোগীকে নিয়ম অনুযায়ী স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬২ জন মানব পাচারকারী আটক হয়েছে। তবে চক্রের কয়েকজন মূল হোতা এখনো পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবি আরও জানায়, মানব পাচার চক্রের সঙ্গে মাদক চোরাচালান, অপহরণ ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অপরাধচক্রের ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র রয়েছে। তাই সীমান্ত এলাকায় এসব অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বাহিনী।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আড়ং ও স্বপ্ন সুপার শপে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১২ মানব পাচারকারী আটক

আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ অভিযানে ১২ জন মানব পাচারকারী আটক হয়েছেন।

বিজিবি জানায়, সম্প্রতি টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে সাগরপথে মানব পাচার তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার রাতে শাহপীরদ্বীপ উপকূল ও মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়। এ সময় মানব পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করে ১২ জনকে আটক করা হয়।

বিজিবি বলছে, বেশ কিছুদিন ধরে সংঘবদ্ধ কয়েকটি চক্র মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পর্যন্ত মানব পাচারের সাথে জড়িত। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব চক্র টেকনাফসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। চক্রগুলো প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের নাগরিকদের বিদেশ পাঠানোর নামে আটকে রেখে অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম চালিয়ে আসছিল।

অভিযানে ধৃত আসামিদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ছাড়াও রোহিঙ্গা শিবিরে অবস্থান করা মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া উদ্ধার হওয়া ১১ জন ভুক্তভোগীকে নিয়ম অনুযায়ী স্বজনদের কাছে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬২ জন মানব পাচারকারী আটক হয়েছে। তবে চক্রের কয়েকজন মূল হোতা এখনো পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজিবি আরও জানায়, মানব পাচার চক্রের সঙ্গে মাদক চোরাচালান, অপহরণ ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অপরাধচক্রের ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র রয়েছে। তাই সীমান্ত এলাকায় এসব অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বাহিনী।