ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী মাতামুহুরী উপজেলার প্রথম ইউএনও শাহীন দেলোয়ার সীমান্তে বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফ, পিছু হটতে বাধ্য হলো ভারতীয় বাহিনী ফোর্টিফাই রাইটসের বিবৃতি – আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দাবি কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হা’ম’লা চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত কুকুরের নৈপুণ্যে টায়ারের ভেতর মিলল ইয়াবা চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধ বাবার প্যাসিফিক বীচ রিসোর্টে আগুনে পুড়ে ছাই ৩ কটেজ, ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা খেলাঘরের মানববন্ধন :শিশুর ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দ্রুত এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া নতুন আলোচনায় কারা?  / উখিয়ায় ৬ বছর ধরে ‘মেয়াদউর্ত্তীণ’ ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি  চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা, জড়িতদের শাস্তি দাবি

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় তিনি স্থানীয় ১৫ জন কিষান–কিষানির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বিশেষ অতিথি রয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)। শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তাঁর টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। তাই দলীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচসুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।

পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।

সোমবার কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের জানান, কৃষক কার্ড বিতরণে টাঙ্গাইলসহ সারা দেশে ১১টি পয়েন্টে প্রি-পাইলটিং শুরু হবে। তারপর গিয়ে পাইলটিং হবে। এরপর বড় পরিসরে কার্ড দেওয়া শুরু হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষ হবে বলে আশা করছেন কৃষিমন্ত্রী।

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:১৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আজ মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এই কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় তিনি স্থানীয় ১৫ জন কিষান–কিষানির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, বিশেষ অতিথি রয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)। শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন।

তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটিই তাঁর টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। তাই দলীয় নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচসুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।

পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।

সোমবার কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষি কার্ড বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের জানান, কৃষক কার্ড বিতরণে টাঙ্গাইলসহ সারা দেশে ১১টি পয়েন্টে প্রি-পাইলটিং শুরু হবে। তারপর গিয়ে পাইলটিং হবে। এরপর বড় পরিসরে কার্ড দেওয়া শুরু হবে। আগামী চার বছরের মধ্যে সারা বাংলাদেশে কৃষক কার্ড বিতরণ শেষ হবে বলে আশা করছেন কৃষিমন্ত্রী।

সূত্র: প্রথম আলো