ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী কক্সবাজারে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের স্বীকৃতি: জাতিসংঘের প্ল্যাটফর্মে ফিচারড SURGE Bangladesh শহরের কুতুবদিয়া পাড়ার আলোচিত রোজিনাকে আটক করেছে পুলিশ বিয়ের অতিথি ১০০ ছাড়ালে জনপ্রতি ১০০০ টাকা ট্যাক্স বসানোর দাবি এমপির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির টেকনাফে সড়কের দুই পাশে কলেমা লেখা সাদা পতাকা আ’র’কা’ন আ’র্মি প্রধানের বাংলাদেশে চিকিৎসা নেওয়ার খবর কতটুকু সত্য? মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি রোজিনা গ্রেপ্তার কক্সবাজার জেলা জামায়াত আমীরের উদ্যোগে মুক্ত হলো হাসপাতাল বিলের জন্য আটকে থাকা রিয়াজের মরদেহ মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবুজ উদ্যোগ -কক্সবাজারে ১ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ মহেশখালীতে বাচ্চুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী দুই হত্যা চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি অহিদুল গ্রেপ্তার  কক্সবাজার সদর থানায় শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ড, অল্প সময়েই নিয়ন্ত্রণে আগুন ​”ব্লাড ক্যান্সারে মারা যাওয়া টেকনাফের শিক্ষার্থী রিয়াজের মরদেহ আটকে আছে হাসপাতালে, সাহায্যের আবেদন

খুরুস্কুলে পাওয়া মরদেহটি নাপিত খালীর মোহাম্মদ কালুর: চাকুরী করতো লালদীঘির পাড়ের আবাসিক হোটেলে

  • রাহুল মহাজন
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 1364

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ব্রীজ লাগোয়া পল্লন খালী খালে ভেসে আসা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলেছে।

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত খালী ডুলা ফকির রাস্তার মাথা এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর পুত্র মোহাম্মদ কালুর (৪২) মরদেহ এটি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন মরদেহ টি সনাক্ত করে। নিহত কালু কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলের কর্মচারী বলে জানা গেছে।

সাহাব উদ্দিন জানান,তার ভাই মোহাম্মদ কালু কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড়ের একটি আবাসিক হোটেলে চাকুরী করতো। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো কিছুই ধারনা করতে পারছেন না বলে তিনি জানান। তিনি জানান, কারো সাথে শত্রুতা আছে এমন তথ্যও নাই।

নিহত মোহাম্মদ কালুর স্ত্রী শাহানা আাহাজারি করতে করতে জানান,গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় শেষবারের মতো কথা হয়। তখনও তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। সকালে শুনতে পাই উনার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কি হতে কি হয়ে গেলো বুঝতে পারছিনা। চাকুরীর সুবাদে কক্সবাজার শহরেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তবে কেনো খুরুস্কুলে মরদেহ পাওয়া গেলো এ বিষয়ে তিনি কিছু ধারণা করতে পারছেন না বলে জানান। বিষয়টি কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সে হোটেলের মালিক পক্ষ জানতে পারে, কখন কালু সেখান থেকে বেরিয়েছে, কি বলে বেরিয়েছে বা বেরিয়েছে কি না?

তবে কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সেই হোটেলেটির নাম বলতে চাননি তার স্ত্রী।

খুরুস্কুল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জানে আলম জানান,বৃহস্পতিবার ভোরে খুরুস্কুল চৌফলদন্ডি ব্রিজ লাগোয়া পল্লনখালী খালে মরদেহ টি ভেসে আসে। মরদেহের পরনে ছিলো লাল ও কালু রংয়ের হুডি আর কালো প্যান্ট। স্থানীয়রা জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে সদর থানার এস আই সঞ্জীব কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয় আসে।

এস আই সঞ্জীব কুমার পাল জানান, মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যানি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ। তবে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই বলে তিনি জানান।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার হারেসের সুরে মুগ্ধ নেট দুনিয়া,সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবী

খুরুস্কুলে পাওয়া মরদেহটি নাপিত খালীর মোহাম্মদ কালুর: চাকুরী করতো লালদীঘির পাড়ের আবাসিক হোটেলে

আপডেট সময় : ০২:৫০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডি ব্রীজ লাগোয়া পল্লন খালী খালে ভেসে আসা অজ্ঞাত লাশের পরিচয় মিলেছে।

ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত খালী ডুলা ফকির রাস্তার মাথা এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর পুত্র মোহাম্মদ কালুর (৪২) মরদেহ এটি। কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নিহতের ভাই সাহাব উদ্দিন মরদেহ টি সনাক্ত করে। নিহত কালু কক্সবাজার শহরের একটি হোটেলের কর্মচারী বলে জানা গেছে।

সাহাব উদ্দিন জানান,তার ভাই মোহাম্মদ কালু কক্সবাজার শহরের লালদীঘির পাড়ের একটি আবাসিক হোটেলে চাকুরী করতো। মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনো কিছুই ধারনা করতে পারছেন না বলে তিনি জানান। তিনি জানান, কারো সাথে শত্রুতা আছে এমন তথ্যও নাই।

নিহত মোহাম্মদ কালুর স্ত্রী শাহানা আাহাজারি করতে করতে জানান,গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় শেষবারের মতো কথা হয়। তখনও তিনি ছিলেন স্বাভাবিক। সকালে শুনতে পাই উনার মরদেহ খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কি হতে কি হয়ে গেলো বুঝতে পারছিনা। চাকুরীর সুবাদে কক্সবাজার শহরেই অবস্থান করছিলেন তিনি। তবে কেনো খুরুস্কুলে মরদেহ পাওয়া গেলো এ বিষয়ে তিনি কিছু ধারণা করতে পারছেন না বলে জানান। বিষয়টি কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সে হোটেলের মালিক পক্ষ জানতে পারে, কখন কালু সেখান থেকে বেরিয়েছে, কি বলে বেরিয়েছে বা বেরিয়েছে কি না?

তবে কালু যে হোটেলে চাকুরী করতো সেই হোটেলেটির নাম বলতে চাননি তার স্ত্রী।

খুরুস্কুল ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার জানে আলম জানান,বৃহস্পতিবার ভোরে খুরুস্কুল চৌফলদন্ডি ব্রিজ লাগোয়া পল্লনখালী খালে মরদেহ টি ভেসে আসে। মরদেহের পরনে ছিলো লাল ও কালু রংয়ের হুডি আর কালো প্যান্ট। স্থানীয়রা জাতীয় সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দিলে সদর থানার এস আই সঞ্জীব কুমার পালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মরদেহটি উদ্ধার করে সদর হাসপাতালের মর্গে নিয় আসে।

এস আই সঞ্জীব কুমার পাল জানান, মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যানি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে মৃত্যুর কারণ। তবে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই বলে তিনি জানান।