ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সমস্যা নিরসন করে সবাইকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত করে এগিয়ে নিতে হবে: সেনাপ্রধান ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে, প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শাহাদাত হোসাইনের পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্সের আগেই দ্বিতীয় বিয়ে, সরকারি অফিসকে আবাস বানানোর অভিযোগ শাহাদাতের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে তাহসান- রোহিঙ্গা তরুণদের পাশে থাকা ও বৈশ্বিক সহায়তার আহ্বান কক্সবাজারে এসে ১০ পদের রাখাইন-বার্মিজ খাবার খেলেন তাহসান খান কক্সবাজারে বিজিবি’র অভিযানে ২ জন আটক, ৭২ হাজার ইয়াবা ও ১৫ লিটার মদ উদ্ধার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জার্মানির সমর্থক: জানালেন ছেলে বিসিবি পরিচালক সাঈদ ইব্রাহীম ​ উন্মাদনারও বাস্তবতা আছে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোর চায় চীন হেরোইন ম্যানেজ হয়ে আটা-ময়দা হয়ে যায় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে মাদকবিরোধী র‍্যালী, মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

উখিয়ায় ৮ খুদে হাফেজার কোরআন সবিনা খতম উপলক্ষে নানান আয়োজন

উখিয়ার দক্ষিণ থাইংখালী উত্তর জামতলি এলাকায় অবস্থিত হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা (রা.) বালিকা মাদ্রাসা, হিফজ খানা ও এতিম খানায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ জন খুদে হাফেজা পবিত্র কুরআন সবীনা খতম করেছেন। এ উপলক্ষে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা সেলিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আইনজীবী এডভোকেট এম এ মালেক। স্থানীয় সমাজকর্মী, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ এতে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই খতমে কুরআন, দোয়া ও তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন-
“এই খুদে হাফেজারা আমাদের গর্ব। তারা কুরআনের আলো ছড়িয়ে মানবতার দিশা দেখাবে। মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে-এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।”

এ বছর যারা সবীনা খতম সম্পন্ন করেন তারা হলেন-
হাফেজা উম্মে আয়মান (মাতা লায়লা বেগম), হাফেজা মুবিনা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ ইসহাক), হাফেজা রাহমা নূরী (পিতা উখিল আহমেদ), হাফেজা মরিয়ম আক্তার (পিতা মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ), হাফেজা ফাতেমা নূর ছামী (পিতা মোহাম্মদ খলিল), হাফেজা ফারিহা জান্নাত মারুয়া (পিতা মোহাম্মদ উসমান), হাফেজা সাইমা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ নুরুল আলম) ও হাফেজা জান্নাতুল নাঈমা (পিতা ছৈয়দ আলম)।

প্রতিষ্ঠান পরিচালক মাওলানা সেলিম বলেন, “২০২০ সালে নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এটি উখিয়ার অন্যতম মানসম্মত নারী হিফজ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ জন হাফেজা তৈরি হচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের।”

এ মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের পাশাপাশি কওমী বিভাগও চালু রয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও উর্দু ভাষার পাঠ দেওয়া হয়। ফলে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানেও তারা সমৃদ্ধ হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে খুদে হাফেজাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং পরে গাড়িবহর নিয়ে পুরো এলাকায় আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রীদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল এক অনন্য মিলনমেলা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সমস্যা নিরসন করে সবাইকে ক্রীড়াঙ্গনে সম্পৃক্ত করে এগিয়ে নিতে হবে: সেনাপ্রধান

উখিয়ায় ৮ খুদে হাফেজার কোরআন সবিনা খতম উপলক্ষে নানান আয়োজন

আপডেট সময় : ১০:২৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

উখিয়ার দক্ষিণ থাইংখালী উত্তর জামতলি এলাকায় অবস্থিত হযরত আয়েশা ছিদ্দীকা (রা.) বালিকা মাদ্রাসা, হিফজ খানা ও এতিম খানায় ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ৮ জন খুদে হাফেজা পবিত্র কুরআন সবীনা খতম করেছেন। এ উপলক্ষে শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা ও বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মাওলানা সেলিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও আইনজীবী এডভোকেট এম এ মালেক। স্থানীয় সমাজকর্মী, অভিভাবক ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ এতে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই খতমে কুরআন, দোয়া ও তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন-
“এই খুদে হাফেজারা আমাদের গর্ব। তারা কুরআনের আলো ছড়িয়ে মানবতার দিশা দেখাবে। মাদ্রাসাটির পরিচালনা পরিষদ ও শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে-এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।”

এ বছর যারা সবীনা খতম সম্পন্ন করেন তারা হলেন-
হাফেজা উম্মে আয়মান (মাতা লায়লা বেগম), হাফেজা মুবিনা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ ইসহাক), হাফেজা রাহমা নূরী (পিতা উখিল আহমেদ), হাফেজা মরিয়ম আক্তার (পিতা মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ), হাফেজা ফাতেমা নূর ছামী (পিতা মোহাম্মদ খলিল), হাফেজা ফারিহা জান্নাত মারুয়া (পিতা মোহাম্মদ উসমান), হাফেজা সাইমা আক্তার (পিতা মোহাম্মদ নুরুল আলম) ও হাফেজা জান্নাতুল নাঈমা (পিতা ছৈয়দ আলম)।

প্রতিষ্ঠান পরিচালক মাওলানা সেলিম বলেন, “২০২০ সালে নিজস্ব অর্থায়নে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এটি উখিয়ার অন্যতম মানসম্মত নারী হিফজ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

প্রতি বছর ৮ থেকে ১০ জন হাফেজা তৈরি হচ্ছে, যা আমাদের জন্য গর্বের।”

এ মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের পাশাপাশি কওমী বিভাগও চালু রয়েছে, যেখানে ছাত্রীদের বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও উর্দু ভাষার পাঠ দেওয়া হয়। ফলে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক জ্ঞানেও তারা সমৃদ্ধ হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে খুদে হাফেজাদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয় এবং পরে গাড়িবহর নিয়ে পুরো এলাকায় আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রীদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি ছিল এক অনন্য মিলনমেলা।