ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসিতে ১২৪৭ নম্বর পেয়ে ফাউজিয়া আফিয়া করিম কক্সবাজার জেলায় চতুর্থ ইপসা’র উদ্যোগে মানবপাচার প্রতিরোধ বিষয়ক পরামর্শ সভা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায় টিটিএনে সংবাদ প্রকাশের পর লোহাগাড়ায় সড়ক দখলকরে ছাগলের বাজার বসানো ইজারাদারকে জরিমানা ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন এসএসসিতে পেকুয়ার সেরা মাহাথিরের পুলিশে রদবদল, বিদায় নিচ্ছেন কক্সবাজারের এসপি? রামু থেকে অটোরিকশা ভাড়া করে ছিনতাই : রক্তাক্ত অবস্থায় চালককে পেকুয়া থেকে উদ্ধার  লোহাগাড়ার পদুয়ায় সড়ক দখল করে ছাগলের বাজার, মহাসড়কে তীব্র যানজট কক্সবাজার আদালতে গোলাগুলি, আত্মসমর্পণ করে কারাগারে বিএনপি নেতা লিয়াকত আলী এসএসসিতে কক্সবাজারে সেরা মুনতাকা সাইবা,বিজ্ঞান, ব্যবসা ও মানবিক বিভাগে সেরা যারা আবারও রিমান্ডে ডেভিড ইমন সার ছি’নতাইয়ে আলোচিত সেই কামাল মেম্বারের ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ হারালো দুই বন্ধু ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে সরকার কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী আবাসস্থল ও করিডর হারিয়ে সংকটে বন্য হাতি রোনালদো এখন আর্জেন্টিনার জামাই!

উখিয়ায় মিয়ানমারে পাচারের জন্য মজুদ রাখা ২১৩ বস্তা সার জব্দ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার দক্ষিণ স্টেশনে মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিলে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ২১৩ বস্তায় প্রায় ১১ টন অবৈধ সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিস।

বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার ও উখিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, উক্ত রাইচ মিলে মোট ৩০০ বস্তা অনুমোদনহীন সার মজুদ ছিল। তবে অভিযানের সময় ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা সম্ভব হয়। বাকি ৮৭ বস্তা গোপন স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট সার উদ্ধারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিল এর মালিক আলহাজ্ব এম কবিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার বলেন, কৃষকদের ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে কেউ যদি অবৈধভাবে সার মজুদ বা পাচারের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই অভিযান তারই অংশ।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযানে অংশ নিয়েছি। যেসব ব্যক্তি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, চলতি মাসে তার সার বরাদ্দ ছিলো ১১ টন কিন্তু তিনি আরও ১১ টন সার অবৈধভাবে মজুদ করেছে৷ কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার মজুদ করে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে—এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা নিয়মিত নজরদারি করছি৷ অভিযানে ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্ধার করা সার সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গতমাসেও মিয়ানমারে অবৈধভাবে মজুদ করা ৩৬০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ হয়েছিলো৷

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসিতে ১২৪৭ নম্বর পেয়ে ফাউজিয়া আফিয়া করিম কক্সবাজার জেলায় চতুর্থ

উখিয়ায় মিয়ানমারে পাচারের জন্য মজুদ রাখা ২১৩ বস্তা সার জব্দ

আপডেট সময় : ০২:২১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার দক্ষিণ স্টেশনে মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিলে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ২১৩ বস্তায় প্রায় ১১ টন অবৈধ সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিস।

বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার ও উখিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, উক্ত রাইচ মিলে মোট ৩০০ বস্তা অনুমোদনহীন সার মজুদ ছিল। তবে অভিযানের সময় ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা সম্ভব হয়। বাকি ৮৭ বস্তা গোপন স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট সার উদ্ধারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিল এর মালিক আলহাজ্ব এম কবিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার বলেন, কৃষকদের ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে কেউ যদি অবৈধভাবে সার মজুদ বা পাচারের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই অভিযান তারই অংশ।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযানে অংশ নিয়েছি। যেসব ব্যক্তি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, চলতি মাসে তার সার বরাদ্দ ছিলো ১১ টন কিন্তু তিনি আরও ১১ টন সার অবৈধভাবে মজুদ করেছে৷ কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার মজুদ করে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে—এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা নিয়মিত নজরদারি করছি৷ অভিযানে ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্ধার করা সার সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গতমাসেও মিয়ানমারে অবৈধভাবে মজুদ করা ৩৬০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ হয়েছিলো৷