ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিদেশে থাকার কারণে বন্যার সময় আসতে পারিনি,তার জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি: নিজ সংসদীয় আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উখিয়ায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান : ২০ টনের বেশি বর্জ্য অপসারণ ফেসবুক স্ট্যাটাসের পর যুবক নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের ​পাহাড় কেটে মাটি পাচার করলেন জামায়াত নেতা, ঝুঁকিতে রোহিঙ্গাদের বসতি সরকারের মূল লক্ষ্য এখন ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করা- লোহাগাড়ায় অর্থমন্ত্রী হোয়ানকের সন্ত্রাসী মিন্টু গ্রেফতার : অস্ত্র, গোলাবারুদ,অস্ত্র তৈরীর সরঞ্জাম উদ্ধার কক্সবাজার সৈকতে হঠাৎ টর্নেডো ‘আমরা থামছি না’— ফাইনালের আগে হুঙ্কার আর্জেন্টিনার চকরিয়ার বন্যকবলিত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী/ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা স্টেজ ভেঙে পড়ে গেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু চৌধুরী বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার : অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপজয়ীদের প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নশিপ রিং দেবে ফিফা বন্যা কবলিত এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত এমপি কাজলের ডিও লেটার: রামুর ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভায় উন্নীত করার উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার বিভাগের চিঠি

উখিয়ায় মিয়ানমারে পাচারের জন্য মজুদ রাখা ২১৩ বস্তা সার জব্দ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার দক্ষিণ স্টেশনে মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিলে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ২১৩ বস্তায় প্রায় ১১ টন অবৈধ সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিস।

বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার ও উখিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, উক্ত রাইচ মিলে মোট ৩০০ বস্তা অনুমোদনহীন সার মজুদ ছিল। তবে অভিযানের সময় ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা সম্ভব হয়। বাকি ৮৭ বস্তা গোপন স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট সার উদ্ধারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিল এর মালিক আলহাজ্ব এম কবিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার বলেন, কৃষকদের ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে কেউ যদি অবৈধভাবে সার মজুদ বা পাচারের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই অভিযান তারই অংশ।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযানে অংশ নিয়েছি। যেসব ব্যক্তি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, চলতি মাসে তার সার বরাদ্দ ছিলো ১১ টন কিন্তু তিনি আরও ১১ টন সার অবৈধভাবে মজুদ করেছে৷ কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার মজুদ করে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে—এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা নিয়মিত নজরদারি করছি৷ অভিযানে ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্ধার করা সার সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গতমাসেও মিয়ানমারে অবৈধভাবে মজুদ করা ৩৬০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ হয়েছিলো৷

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদেশে থাকার কারণে বন্যার সময় আসতে পারিনি,তার জন্যে ক্ষমা চাচ্ছি: নিজ সংসদীয় আসনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উখিয়ায় মিয়ানমারে পাচারের জন্য মজুদ রাখা ২১৩ বস্তা সার জব্দ

আপডেট সময় : ০২:২১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার দক্ষিণ স্টেশনে মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিলে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ২১৩ বস্তায় প্রায় ১১ টন অবৈধ সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অফিস।

বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার ও উখিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, উক্ত রাইচ মিলে মোট ৩০০ বস্তা অনুমোদনহীন সার মজুদ ছিল। তবে অভিযানের সময় ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা সম্ভব হয়। বাকি ৮৭ বস্তা গোপন স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবশিষ্ট সার উদ্ধারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান মেসার্স এস. কে অটো রাইচ মিল এর মালিক আলহাজ্ব এম কবিরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার বলেন, কৃষকদের ন্যায্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করে কেউ যদি অবৈধভাবে সার মজুদ বা পাচারের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই অভিযান তারই অংশ।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযানে অংশ নিয়েছি। যেসব ব্যক্তি এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, চলতি মাসে তার সার বরাদ্দ ছিলো ১১ টন কিন্তু তিনি আরও ১১ টন সার অবৈধভাবে মজুদ করেছে৷ কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার মজুদ করে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছে—এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা নিয়মিত নজরদারি করছি৷ অভিযানে ২১৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে৷ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উদ্ধার করা সার সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় এমন অভিযান আরও জোরদার করা হবে। গতমাসেও মিয়ানমারে অবৈধভাবে মজুদ করা ৩৬০ বস্তা অবৈধ সার জব্দ হয়েছিলো৷