সম্প্রতি কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এডিশনাল ডিআইজি আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে সমালোচনা ও তার বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, মিথ্যা অপবাদ ও হয়রানি শুরু করেছিল যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।
দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ডিআইজি আপেল মাহমুদের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নানা ধরনের মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারের মুখোমুখি হতে হয়। সাংবাদিক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি,পেশার মানুষ তার কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে জিডি করতে বাধ্য হয়েছেন কিংবা অভ্যন্তরীণভাবে অভিযোগ ও রিপোর্ট দিয়েছেন বলেও জানা যায়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সংগঠিত বট বাহিনী ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে মানুষের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
কয়েক মাস আগে আমি সুগন্ধা বিচ কে বঙ্গবন্ধু বিচ নামকরণ সংক্রান্ত তার আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট করেছিলাম ,
সেই ঘটনার পর থেকেই আমাকে দমিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমাকে “ইয়াবা ব্যবসায়ী” আখ্যা দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি আমাকে হত্যার জন্য ১০০ কোটি টাকা ব্যয় করে পরিকল্পনা করা হয়েছে এমন হুমকির কথাও ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছেন যা খুবই উদ্বেগজনকই।
আমি যুবদলের তৃণমূল পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে বর্তমানে কক্সবাজার জেলা যুবদলের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি এবং একই সঙ্গে ককসবাজার জেলা রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ।
আমি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে অতীতেও আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে এবং আমি আমার ভাই বাবা সহ রাজনৈতিক মামলায় জেল খেটেছি,
তাই প্রশ্ন থেকেই যায় আমার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার হত্যার মিশন কি সত্যিই কোনো অপরাধের ভিত্তিতে, নাকি এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সমালোচনার কণ্ঠরোধের একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা !
বর্তমানে আমি পবিত্র ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরবে অবস্থান করছি দেশে ফিরে এসে আমার বিরুদ্ধে চালানো সকল অপপ্রচার, হুমকি ও হয়রানির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ।
বার্তা পরিবেশক 






















