ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আগুন, ক্ষতি প্রায় ১২ লাখ টাকা কক্সবাজারে ১২ ঘন্টার সফরে ১১ কর্মসূচীতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজের দোকানে ফাঁসিতে ঝুলেছে মুজিব: পরকিয়া ও টাকার লেনদেন বলছে স্থানীয়রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফতেখাঁরকুলকে পৌরসভা করার দাবি জানালেন ছাত্রনেতা বাসেত মির্জা বৃহত্তর মনোহরখালী ঐক্য পরিষদের জার্সি উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রীর সফর, ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারে স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও আলোর মূখ দেখেনি উখিয়ারঘোনা-গর্জনিয়া সড়ক : লাখো মানুষের ভোগান্তি কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান জসিম বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ দাপট দেখিয়ে বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করল মেক্সিকো

আগামী দশ দিন মুখরিত থাকছে কক্সবাজার, আসবে ৫ লাখের বেশি পর্যটক

দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে আছে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার।

ছুটির দিন না হলেও রবিবার (২১ ডিসেম্বর)  সকাল থেকেই সৈকতের লাবণী,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সৈকতের বালুকাবেলায় নিজেদের মতো অবকাশ যাপনে সময় পার করছেন আগত পর্যটকেরা।

পাবনা ঈশ্বরদী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক আলিমুর রহমান জানালেন, ‘ কক্সবাজারের সৌন্দর্য বরাবরই উপভোগ্য, শীতের সময় এই সমুদ্র তীরের শহর আরো নান্দনিক হয়ে উঠে। পরিবার নিয়ে সকালেই এলাম, তিন থাকবো এখানে।’

রুমের ভাড়া সহ অতিরিক্ত খরচের কারণে দুর্ভোগে পড়ার কথার জানিয়েছেন কিছু পর্যটক।

গাজীপুরের সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ আমরা ৮ বন্ধু এসেছি ঘুরতে, একটা হোটেলে গিয়েছিলাম প্রতি রুম চার হাজার টাকা চেয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া দাবী করা হচ্ছে, প্রশাসনের এসবে নজর রাখা উচিত।’

জানা গেছে, শহরের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেলের অধিকাংশতেই এখন মিলছে না রুম এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে অগ্রিম বুকিং। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করছেন চলতি বছরের শেষ দশদিনে কক্সবাজারে প্রায় ৫ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে।

হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘ প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষাধিক পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে শহরের আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বছরের শেষ দিকে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটি এবং এর পরের দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়  পর্যটকের চাপ থাকবে। মৌসুমের শুরুতে কম থাকলেও আগামী কয়েক দিনে বিপুল পরিমাণ পর্যটক আসবে, ইতিমধ্যে প্রায় সব রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।’

তিনি জানান, ‘ অতিরিক্ত ভাড়া যেন চাওয়া না হয় সেজন্যে হোটেল মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের একাধিক টিম মাঠে আছে আমরা তাদের সহযোগিতা করছি।’

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ‘ আমরা পর্যটনের মৌসুমের শুরু থেকেই বাড়তি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। কোনভাবেই পর্যটকদের হয়রানি করা যাবেনা, অভিযোগ পেলেই গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত হেল্পলাইন- ০১৩২০১৬০০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান আপেল মাহমুদ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি

আগামী দশ দিন মুখরিত থাকছে কক্সবাজার, আসবে ৫ লাখের বেশি পর্যটক

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে আছে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার।

ছুটির দিন না হলেও রবিবার (২১ ডিসেম্বর)  সকাল থেকেই সৈকতের লাবণী,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সৈকতের বালুকাবেলায় নিজেদের মতো অবকাশ যাপনে সময় পার করছেন আগত পর্যটকেরা।

পাবনা ঈশ্বরদী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক আলিমুর রহমান জানালেন, ‘ কক্সবাজারের সৌন্দর্য বরাবরই উপভোগ্য, শীতের সময় এই সমুদ্র তীরের শহর আরো নান্দনিক হয়ে উঠে। পরিবার নিয়ে সকালেই এলাম, তিন থাকবো এখানে।’

রুমের ভাড়া সহ অতিরিক্ত খরচের কারণে দুর্ভোগে পড়ার কথার জানিয়েছেন কিছু পর্যটক।

গাজীপুরের সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ আমরা ৮ বন্ধু এসেছি ঘুরতে, একটা হোটেলে গিয়েছিলাম প্রতি রুম চার হাজার টাকা চেয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া দাবী করা হচ্ছে, প্রশাসনের এসবে নজর রাখা উচিত।’

জানা গেছে, শহরের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেলের অধিকাংশতেই এখন মিলছে না রুম এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে অগ্রিম বুকিং। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করছেন চলতি বছরের শেষ দশদিনে কক্সবাজারে প্রায় ৫ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে।

হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘ প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষাধিক পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে শহরের আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বছরের শেষ দিকে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটি এবং এর পরের দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়  পর্যটকের চাপ থাকবে। মৌসুমের শুরুতে কম থাকলেও আগামী কয়েক দিনে বিপুল পরিমাণ পর্যটক আসবে, ইতিমধ্যে প্রায় সব রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।’

তিনি জানান, ‘ অতিরিক্ত ভাড়া যেন চাওয়া না হয় সেজন্যে হোটেল মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের একাধিক টিম মাঠে আছে আমরা তাদের সহযোগিতা করছি।’

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ‘ আমরা পর্যটনের মৌসুমের শুরু থেকেই বাড়তি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। কোনভাবেই পর্যটকদের হয়রানি করা যাবেনা, অভিযোগ পেলেই গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত হেল্পলাইন- ০১৩২০১৬০০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান আপেল মাহমুদ।