ঢাকা ০৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামুতে কোমলমতি শিশু নিকেতনের “বর্ষার ভরসায় জীবনের গান গাই” ৭ম পর্ব অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বড় ঘোষণা মিয়ানমার সরকারের শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১ অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে খোলাবাজারে নিত্যপণ্য বিক্রির পরিকল্পনা করছে টিসিবি দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী আজ, বিএনপির নানা কর্মসূচি আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলিবিদ্ধ স্থানীয় যুবককে চট্টগ্রামে প্রেরণ পেকুয়ায় মৎস্য প্রজেক্ট দখলে নিতে গুলিবর্ষণ, আহত ২ কুতুবদিয়ায় আন্তঃস্কুল বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক শারিকা নুর তাহেরা তুবা কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল পুলিশ সদস্যদের মরদেহ উদ্ধার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরএসও সদস্যের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক আহত

আগামী দশ দিন মুখরিত থাকছে কক্সবাজার, আসবে ৫ লাখের বেশি পর্যটক

দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে আছে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার।

ছুটির দিন না হলেও রবিবার (২১ ডিসেম্বর)  সকাল থেকেই সৈকতের লাবণী,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সৈকতের বালুকাবেলায় নিজেদের মতো অবকাশ যাপনে সময় পার করছেন আগত পর্যটকেরা।

পাবনা ঈশ্বরদী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক আলিমুর রহমান জানালেন, ‘ কক্সবাজারের সৌন্দর্য বরাবরই উপভোগ্য, শীতের সময় এই সমুদ্র তীরের শহর আরো নান্দনিক হয়ে উঠে। পরিবার নিয়ে সকালেই এলাম, তিন থাকবো এখানে।’

রুমের ভাড়া সহ অতিরিক্ত খরচের কারণে দুর্ভোগে পড়ার কথার জানিয়েছেন কিছু পর্যটক।

গাজীপুরের সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ আমরা ৮ বন্ধু এসেছি ঘুরতে, একটা হোটেলে গিয়েছিলাম প্রতি রুম চার হাজার টাকা চেয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া দাবী করা হচ্ছে, প্রশাসনের এসবে নজর রাখা উচিত।’

জানা গেছে, শহরের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেলের অধিকাংশতেই এখন মিলছে না রুম এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে অগ্রিম বুকিং। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করছেন চলতি বছরের শেষ দশদিনে কক্সবাজারে প্রায় ৫ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে।

হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘ প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষাধিক পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে শহরের আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বছরের শেষ দিকে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটি এবং এর পরের দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়  পর্যটকের চাপ থাকবে। মৌসুমের শুরুতে কম থাকলেও আগামী কয়েক দিনে বিপুল পরিমাণ পর্যটক আসবে, ইতিমধ্যে প্রায় সব রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।’

তিনি জানান, ‘ অতিরিক্ত ভাড়া যেন চাওয়া না হয় সেজন্যে হোটেল মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের একাধিক টিম মাঠে আছে আমরা তাদের সহযোগিতা করছি।’

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ‘ আমরা পর্যটনের মৌসুমের শুরু থেকেই বাড়তি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। কোনভাবেই পর্যটকদের হয়রানি করা যাবেনা, অভিযোগ পেলেই গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত হেল্পলাইন- ০১৩২০১৬০০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান আপেল মাহমুদ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রামুতে কোমলমতি শিশু নিকেতনের “বর্ষার ভরসায় জীবনের গান গাই” ৭ম পর্ব অনুষ্ঠিত

আগামী দশ দিন মুখরিত থাকছে কক্সবাজার, আসবে ৫ লাখের বেশি পর্যটক

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে আছে পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার।

ছুটির দিন না হলেও রবিবার (২১ ডিসেম্বর)  সকাল থেকেই সৈকতের লাবণী,সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্টে মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে। পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সৈকতের বালুকাবেলায় নিজেদের মতো অবকাশ যাপনে সময় পার করছেন আগত পর্যটকেরা।

পাবনা ঈশ্বরদী থেকে ঘুরতে আসা পর্যটক আলিমুর রহমান জানালেন, ‘ কক্সবাজারের সৌন্দর্য বরাবরই উপভোগ্য, শীতের সময় এই সমুদ্র তীরের শহর আরো নান্দনিক হয়ে উঠে। পরিবার নিয়ে সকালেই এলাম, তিন থাকবো এখানে।’

রুমের ভাড়া সহ অতিরিক্ত খরচের কারণে দুর্ভোগে পড়ার কথার জানিয়েছেন কিছু পর্যটক।

গাজীপুরের সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ আমরা ৮ বন্ধু এসেছি ঘুরতে, একটা হোটেলে গিয়েছিলাম প্রতি রুম চার হাজার টাকা চেয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া দাবী করা হচ্ছে, প্রশাসনের এসবে নজর রাখা উচিত।’

জানা গেছে, শহরের ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেলের অধিকাংশতেই এখন মিলছে না রুম এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আছে অগ্রিম বুকিং। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা মনে করছেন চলতি বছরের শেষ দশদিনে কক্সবাজারে প্রায় ৫ লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগম ঘটতে পারে।

হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, ‘ প্রতিদিন প্রায় দেড় লক্ষাধিক পর্যটক থাকার ব্যবস্থা রয়েছে শহরের আবাসিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বছরের শেষ দিকে ২৫ ডিসেম্বর বড়দিনের ছুটি এবং এর পরের দুইদিন সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়  পর্যটকের চাপ থাকবে। মৌসুমের শুরুতে কম থাকলেও আগামী কয়েক দিনে বিপুল পরিমাণ পর্যটক আসবে, ইতিমধ্যে প্রায় সব রুম অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে।’

তিনি জানান, ‘ অতিরিক্ত ভাড়া যেন চাওয়া না হয় সেজন্যে হোটেল মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের একাধিক টিম মাঠে আছে আমরা তাদের সহযোগিতা করছি।’

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ‘ আমরা পর্যটনের মৌসুমের শুরু থেকেই বাড়তি তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। কোনভাবেই পর্যটকদের হয়রানি করা যাবেনা, অভিযোগ পেলেই গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত হেল্পলাইন- ০১৩২০১৬০০০০ নাম্বারে যোগাযোগ করলে টুরিস্ট পুলিশের সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানান আপেল মাহমুদ।