ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ নেইমারের বিশ্বকাপ আক্ষেপ—২০২৬ কি হবে শেষ স্বপ্নপূরণের মঞ্চ? ডিএনএ রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পেলে ঈদের আগেই চার্জশিট: আইনমন্ত্রী স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী মাতামুহুরী উপজেলার প্রথম ইউএনও শাহীন দেলোয়ার সীমান্তে বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফ, পিছু হটতে বাধ্য হলো ভারতীয় বাহিনী ফোর্টিফাই রাইটসের বিবৃতি – আরসা প্রধান আতাউল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দাবি কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হা’ম’লা চকরিয়ায় বাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত কুকুরের নৈপুণ্যে টায়ারের ভেতর মিলল ইয়াবা চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধ বাবার প্যাসিফিক বীচ রিসোর্টে আগুনে পুড়ে ছাই ৩ কটেজ, ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা খেলাঘরের মানববন্ধন :শিশুর ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দ্রুত এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ব্রিটিশ এমপি রূপা হকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এই আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। গত তিনটি নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। বিগত সময়ে একটি ভুয়া সংসদ, এমপি ও স্পিকার ছিল।

তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষ এখন তাদের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

এ সময় ব্রিটিশ এমপি রূপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। রূপা হক বলেন, ‘বাংলাদেশ ২.০ দেখে আমি সত্যিই উৎসাহিত হয়েছি।’

ড. ইউনূস জানান, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য দুটি সময়সীমা রয়েছে- ২০২৫ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তবে জনগণ কতটুকু সংস্কার চায় তার ওপর নির্ভর করছে নির্বাচনের তারিখ। রূপা হক আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আবার আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জনগণের ওপর নিপীড়নের ঘটনাগুলো তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ চৌধুরী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদের সঙ্গে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে বৈঠক করেন।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ব্যবসায়ী সংগঠন, ইউকে বাংলাদেশ কেটালিস্ট অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইউকেবিসিসিআই) একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই এবং ইউকেবিসিসিআই সভাপতি এম জি মওলা মিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতসহ ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও নারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সংস্কার করেছেন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

তথ্য মহাসড়কে বাংলাদেশের ২০ বছরের গৌরবযাত্রা: কক্সবাজার থেকে শুরু হয়েছিল ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈশ্বিক সংযোগ

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

আগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৪ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ব্রিটিশ এমপি রূপা হকের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এই আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পূর্ণ অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। গত তিনটি নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। বিগত সময়ে একটি ভুয়া সংসদ, এমপি ও স্পিকার ছিল।

তিনি বলেন, সারা দেশের মানুষ এখন তাদের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

এ সময় ব্রিটিশ এমপি রূপা হক আগামী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান। রূপা হক বলেন, ‘বাংলাদেশ ২.০ দেখে আমি সত্যিই উৎসাহিত হয়েছি।’

ড. ইউনূস জানান, পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের সম্ভাব্য দুটি সময়সীমা রয়েছে- ২০২৫ সালের ডিসেম্বর অথবা ২০২৬ সালের মাঝামাঝি। তবে জনগণ কতটুকু সংস্কার চায় তার ওপর নির্ভর করছে নির্বাচনের তারিখ। রূপা হক আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বাংলাদেশে আবার আসার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ সময় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে জনগণের ওপর নিপীড়নের ঘটনাগুলো তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা। সাক্ষাৎকালে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী, বিডার চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ চৌধুরী এবং এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদের সঙ্গে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে বৈঠক করেন।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ব্যবসায়ী সংগঠন, ইউকে বাংলাদেশ কেটালিস্ট অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইউকেবিসিসিআই) একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে অবস্থান করছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই এবং ইউকেবিসিসিআই সভাপতি এম জি মওলা মিয়া প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

লুৎফে সিদ্দিকী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতসহ ব্রিটিশ ব্যবসায়ী ও নারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সংস্কার করেছেন।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন