ঢাকা ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ভোর রাতে সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, বৃদ্ধ দম্পতিকে জিম্মি করে টাকা-স্বর্ণালংকার লুট রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার তৈরীর প্রস্তাব। কক্সবাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃদ্ধার বোরকার ভিতরে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দলের স্কোয়াড দেখে নিন এক নজরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজার উপকূলে এগোচ্ছে মৌসুমীবায়ু, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস ফুটবল রোমাঞ্চে ভরা রাত- মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও পর্তুগাল হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু

স্বাস্থ্যকর খাবার ওটস সবার জন্য ‘উপকারী’ নয়, কারণ জানুন

সকালের খাবার হিসেবে ওটস এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হওয়ায় বিশেষ করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এবং সহজে খাবার প্রস্তুত করতে চান যারা, তাদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদযন্ত্র ভালো রাখা এবং হজমে সহায়তার জন্যও ওটসকে উপকারী মনে করা হয়।

তবে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওটস সবসময় সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ওটস খাওয়ার পর নানা শারীরিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে।

ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ওটস দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমাতে ভূমিকা রাখে। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি এটি হজমশক্তি উন্নত করতেও কার্যকর বলে ধরা হয়।

তবে সব উপকারিতার পরও কিছু মানুষের জন্য ওটস সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এটি খাওয়ার পর পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ওটস না খাওয়াই ভালো।

বিশেষ করে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ওটস রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠানামার কারণ হতে পারে। এছাড়া ওটসে থাকা কিছু অ্যাসিডিক উপাদান শরীরে আয়রন ও জিঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের সতর্কতার সঙ্গে ওটস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: যুগান্তর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে

স্বাস্থ্যকর খাবার ওটস সবার জন্য ‘উপকারী’ নয়, কারণ জানুন

আপডেট সময় : ১২:৩৯:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

সকালের খাবার হিসেবে ওটস এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় রয়েছে। স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হওয়ায় বিশেষ করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ এবং সহজে খাবার প্রস্তুত করতে চান যারা, তাদের কাছে এটি বেশ জনপ্রিয়। ওজন নিয়ন্ত্রণ, হৃদযন্ত্র ভালো রাখা এবং হজমে সহায়তার জন্যও ওটসকে উপকারী মনে করা হয়।

তবে সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ওটস সবসময় সবার জন্য সমান উপকারী নাও হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ওটস খাওয়ার পর নানা শারীরিক জটিলতাও দেখা দিয়েছে।

ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় ওটস দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কমাতে ভূমিকা রাখে। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি এটি হজমশক্তি উন্নত করতেও কার্যকর বলে ধরা হয়।

তবে সব উপকারিতার পরও কিছু মানুষের জন্য ওটস সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে এটি খাওয়ার পর পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অ্যালার্জির মতো প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ওটস না খাওয়াই ভালো।

বিশেষ করে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত ওটস রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত ওঠানামার কারণ হতে পারে। এছাড়া ওটসে থাকা কিছু অ্যাসিডিক উপাদান শরীরে আয়রন ও জিঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের সতর্কতার সঙ্গে ওটস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: যুগান্তর