ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেনজীর আহমদকে দেশে ফেরানো হবে কোন প্রক্রিয়ায়? ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার নাম করে আনছিলো ইয়াবা : আটক  যুবদল নেতা, দল থেকে বহিস্কার কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার নজরুল বর্ষ ঘিরে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে ৬৪ জেলায়: সংস্কৃতিমন্ত্রী দুর্ভিক্ষপীড়িত রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন জিয়াউর রহমান: মির্জা ফখরুল ‘এগিয়ে চলো ব্রাজিল’, সতীর্থদের প্রতি নেইমার বিশ্বকাপ জিততে এসেছি, ব্যক্তিগত পুরস্কার নয়: ভিনিসিয়ুস

সব ধরনের মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘দেশে এখন কোনো ধরনের মব ভায়োলেন্স নেই। বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই মব ভায়োলেন্স ছিল। আমাদের সময়ও কিছু মব ভায়োলেন্স হয়েছে, এটা আমরা অস্বীকার করছি না; কিন্তু এখন সব ধরনের মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। যারা মব ভায়োলেন্স ভয় পান বা এসব নিয়ে কথা বলেন, তাদের ভেতরে দুর্বলতা আছে। তারা স্বৈরাচারের দোসর।’ আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে শফিকুল আলম বলেন, ‘আমাদের এই সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে গেছে। সংস্কার কমিশনের কাজেও যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। কতটা সংস্কার হয়েছে, তার স্পষ্ট দলিল থাকবে। আর গণভোটের বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা রাজনৈতিক দলগুলো সিদ্ধান্ত নেবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ঠেকানোর কারও সাধ্য নেই। সারা দেশে এখন নির্বাচনের উৎসব শুরু হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এখনো নির্বাচন নিয়ে যাঁরা বিভ্রান্ত বক্তব্য দিচ্ছেন, নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা পতিত স্বৈরাচারী সরকারের দোসর।

গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্যের প্রচার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘৯ মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ পালিয়ে গেছেন বলে এক ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়াছেন; কিন্তু এই টাকার হিসাব তিনি কোথায় পেলেন আমার জানা নাই। ডাহা মিথ্যা বললে অনেকের জনপ্রিয়তা বাড়ে। তাই জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য অনেকেই মিথ্যাচার করে থাকেন।’

শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘বিদেশে প্রচলন আছে—টেলিভিশনে যাঁকে আপনি টক শোতে আনবেন, তিনি অত্যন্ত সত্যবাদী মানুষ হবেন এবং তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে; কিন্তু আমাদের দেশে এটার বিপরীত। একজন লোক যদি ডাহা মিথ্যা কথা বলেন, তাঁকে আপনি টক শোতে আনছেন। কারণ, তাঁকে আনলে আপনার টক শো গরম হবে; টিভির জনপ্রিয়তা বাড়বে। তাহলে কী হলো? টিভি হিসেবে আপনি জোর করে তাকে দিয়ে বলা মিথ্যা কথাটা জনগণকে দিচ্ছেন। এই মিথ্যা প্রচারিত হচ্ছে। এগুলো জেনেও তাকে আপনি ডেকে আনছেন। আমরা মাইলস্টোন নিয়ে মিথ্যাচার দেখেছি, আমরা সেন্ট মার্টিন নিয়ে দেখেছি, এমন কোনো মিথ্যাচার বাদ যায়নি যা বলা হয়নি। উপদেষ্টাদের নাগরিকত্ব নিয়ে মিথ্যাচার দেখেছি, আমরা মিনিস্ট্রি নিয়ে মিথ্যাচার দেখছি, সেনাবাহিনী নিয়ে মিথ্যাচার দেখেছি। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান প্রমুখ।

সূত্র: প্রথম আলো

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

সব ধরনের মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে: প্রেস সচিব

আপডেট সময় : ০১:৩৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘দেশে এখন কোনো ধরনের মব ভায়োলেন্স নেই। বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই মব ভায়োলেন্স ছিল। আমাদের সময়ও কিছু মব ভায়োলেন্স হয়েছে, এটা আমরা অস্বীকার করছি না; কিন্তু এখন সব ধরনের মব ভায়োলেন্স নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। যারা মব ভায়োলেন্স ভয় পান বা এসব নিয়ে কথা বলেন, তাদের ভেতরে দুর্বলতা আছে। তারা স্বৈরাচারের দোসর।’ আজ শুক্রবার সকালে নেত্রকোনার সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে শফিকুল আলম বলেন, ‘আমাদের এই সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে গেছে। সংস্কার কমিশনের কাজেও যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। কতটা সংস্কার হয়েছে, তার স্পষ্ট দলিল থাকবে। আর গণভোটের বিষয়ে আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা রাজনৈতিক দলগুলো সিদ্ধান্ত নেবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিষয়ে প্রেস সচিব বলেন, এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ঠেকানোর কারও সাধ্য নেই। সারা দেশে এখন নির্বাচনের উৎসব শুরু হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এখনো নির্বাচন নিয়ে যাঁরা বিভ্রান্ত বক্তব্য দিচ্ছেন, নির্বাচন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন, তাঁরা পতিত স্বৈরাচারী সরকারের দোসর।

গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্যের প্রচার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘৯ মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে আলী রীয়াজ পালিয়ে গেছেন বলে এক ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়াছেন; কিন্তু এই টাকার হিসাব তিনি কোথায় পেলেন আমার জানা নাই। ডাহা মিথ্যা বললে অনেকের জনপ্রিয়তা বাড়ে। তাই জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য অনেকেই মিথ্যাচার করে থাকেন।’

শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘বিদেশে প্রচলন আছে—টেলিভিশনে যাঁকে আপনি টক শোতে আনবেন, তিনি অত্যন্ত সত্যবাদী মানুষ হবেন এবং তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে; কিন্তু আমাদের দেশে এটার বিপরীত। একজন লোক যদি ডাহা মিথ্যা কথা বলেন, তাঁকে আপনি টক শোতে আনছেন। কারণ, তাঁকে আনলে আপনার টক শো গরম হবে; টিভির জনপ্রিয়তা বাড়বে। তাহলে কী হলো? টিভি হিসেবে আপনি জোর করে তাকে দিয়ে বলা মিথ্যা কথাটা জনগণকে দিচ্ছেন। এই মিথ্যা প্রচারিত হচ্ছে। এগুলো জেনেও তাকে আপনি ডেকে আনছেন। আমরা মাইলস্টোন নিয়ে মিথ্যাচার দেখেছি, আমরা সেন্ট মার্টিন নিয়ে দেখেছি, এমন কোনো মিথ্যাচার বাদ যায়নি যা বলা হয়নি। উপদেষ্টাদের নাগরিকত্ব নিয়ে মিথ্যাচার দেখেছি, আমরা মিনিস্ট্রি নিয়ে মিথ্যাচার দেখছি, সেনাবাহিনী নিয়ে মিথ্যাচার দেখেছি। এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাফিকুজ্জামান প্রমুখ।

সূত্র: প্রথম আলো