ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – বিএনপি দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী, পরিবারের হাতে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মালুমঘাটে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের জন্য আমার নেতার বৃহত্তর মাস্টার প্ল্যান আছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে পিএমখালীতে যান প্রধানমন্ত্রী, পাশে বসান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘করবো কাজ, গড়ব দেশ’—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোদাল দিয়ে মাটি কেটে পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার কক্সবাজারে পৌঁছেছেন তারেক রহমান, দিনব্যাপী অংশ নেবেন ১১ কর্মসূচিতে  কক্সবাজারের পথে সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারের মানুষের ৩ দাবি প্রধানমন্ত্রীকে বরনে প্রস্তুত পেকুয়া কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হলো ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চাই -কক্সবাজারে ক্রীড়ামন্ত্রী কুতুবদিয়ায় উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা এবং উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে দিনব্যাপী কর্মসূচি

​শান্তির অন্বেষায়: সাগরতীর থেকে রাজধানী অভিমুখে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পদযাত্রা

কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর বালুকাবেলার সিক্ত মোহনায় এক অনন্য স্নিগ্ধতার আল্পনা আঁকলেন একদল শান্তিপ্রিয় মানুষ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অমল বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা।

উত্তাল সাগরের গর্জনের মাঝে বেজে উঠল এক ভিন্নতর—সম্প্রীতি আর মৈত্রীর সুর। শুক্রবারের বিকেলে যখন সূর্যের রক্তিম আভা কলাতলী সৈকতে খেলা করছিল, ঠিক তখনই একদল পুণ্যার্থী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুর পদযাত্রা শুরু হয়। তাদের হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার অর্ঘ্য আর কণ্ঠে ছিল বিশ্ব শান্তির আকুতি।

​এই অভিযাত্রার পথ ছিল স্নিগ্ধতায় মাখা। কলাতলী থেকে শুরু হয়ে সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টের বালুকাবেলা মাড়িয়ে পদযাত্রাটি এসে থামে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেন মিশে ছিল বিভেদহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন।

​উখিয়া কেন্দ্রীয় আনন্দ ভবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ: প্রজ্ঞাবোধি মহাথের,
​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের সমন্বয়ক চারুউত্তম বড়ুয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।

​প্রায় ৪০ জন শান্তিপ্রিয় মানুষের এই ছোট শোভাযাত্রা কেবল কোনো পথ চলা নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রচেষ্টা। যার গন্তব্য রাজধানী ঢাকা।

​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে এই পদযাত্রাটি কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি এক দীর্ঘ সফরের শুভ সূচনা মাত্র।

শুক্রবার শুরু হওয়া পদযাত্রা ​শনিবার চট্টলার রাজপথের ধুলোয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়ানো হবে।

​সোমবার ময়নামতী ও গোমতী তীরের কুমিল্লায় পৌঁছাবে এই শান্তির পদযাত্রা।
​মঙ্গলবার পদযাত্রার পূর্ণতা পাবে রাজধানী ঢাকায়। মেরুল বাড্ডা, গুলশান, হাতিরঝিল আর কারওয়ান বাজারের কোলাহল মাড়িয়ে এই মৌন ও শান্ত মিছিলটি গিয়ে শেষ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

​”ভালোবাসা আর সম্প্রীতিই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম”—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে নিয়ে সাগর তীর থেকে শুরু হওয়া বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এই পদযাত্রা শপষ হবে বুড়িগঙ্গা তীরের ঢাকায়। তারা বলছেন, সাগরের বিশালতা আর মানুষের হৃদয়ের ঔদার্য্য এক বিন্দুতে মিশলে তবেই বিশ্বে শান্তি ফেরা সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান – বিএনপি দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করে

​শান্তির অন্বেষায়: সাগরতীর থেকে রাজধানী অভিমুখে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পদযাত্রা

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর বালুকাবেলার সিক্ত মোহনায় এক অনন্য স্নিগ্ধতার আল্পনা আঁকলেন একদল শান্তিপ্রিয় মানুষ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অমল বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা।

উত্তাল সাগরের গর্জনের মাঝে বেজে উঠল এক ভিন্নতর—সম্প্রীতি আর মৈত্রীর সুর। শুক্রবারের বিকেলে যখন সূর্যের রক্তিম আভা কলাতলী সৈকতে খেলা করছিল, ঠিক তখনই একদল পুণ্যার্থী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুর পদযাত্রা শুরু হয়। তাদের হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার অর্ঘ্য আর কণ্ঠে ছিল বিশ্ব শান্তির আকুতি।

​এই অভিযাত্রার পথ ছিল স্নিগ্ধতায় মাখা। কলাতলী থেকে শুরু হয়ে সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টের বালুকাবেলা মাড়িয়ে পদযাত্রাটি এসে থামে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেন মিশে ছিল বিভেদহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন।

​উখিয়া কেন্দ্রীয় আনন্দ ভবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ: প্রজ্ঞাবোধি মহাথের,
​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের সমন্বয়ক চারুউত্তম বড়ুয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।

​প্রায় ৪০ জন শান্তিপ্রিয় মানুষের এই ছোট শোভাযাত্রা কেবল কোনো পথ চলা নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রচেষ্টা। যার গন্তব্য রাজধানী ঢাকা।

​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে এই পদযাত্রাটি কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি এক দীর্ঘ সফরের শুভ সূচনা মাত্র।

শুক্রবার শুরু হওয়া পদযাত্রা ​শনিবার চট্টলার রাজপথের ধুলোয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়ানো হবে।

​সোমবার ময়নামতী ও গোমতী তীরের কুমিল্লায় পৌঁছাবে এই শান্তির পদযাত্রা।
​মঙ্গলবার পদযাত্রার পূর্ণতা পাবে রাজধানী ঢাকায়। মেরুল বাড্ডা, গুলশান, হাতিরঝিল আর কারওয়ান বাজারের কোলাহল মাড়িয়ে এই মৌন ও শান্ত মিছিলটি গিয়ে শেষ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

​”ভালোবাসা আর সম্প্রীতিই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম”—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে নিয়ে সাগর তীর থেকে শুরু হওয়া বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এই পদযাত্রা শপষ হবে বুড়িগঙ্গা তীরের ঢাকায়। তারা বলছেন, সাগরের বিশালতা আর মানুষের হৃদয়ের ঔদার্য্য এক বিন্দুতে মিশলে তবেই বিশ্বে শান্তি ফেরা সম্ভব।