ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাফ নদীতে আটক ৭৩ বাংলাদেশী জেলের মুক্তি ও হস্তান্তর অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিলেন শাহজাহান চৌধুরী—জিরো টলারেন্স ঘোষণা। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ অবশেষে জুলাই সনদে সই করছে এনসিপি ছায়া সংসদ কী, কীভাবে কাজ করে নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি রাষ্ট্রপতি পদে কার নাম আলোচনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রমজানের চাঁদ দেখার আহ্বান সৌদির আজ বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ, বাংলাদেশে দেখা যাবে কি? নতুন সরকারের কাছে কি চায় কক্সবাজারের মানুষ? শীতের কাপড় আলমারিতে তুলে রাখার সময়টা কখন? কন্যাকে বাল্যবিবাহের দায়ে পিতাকে জরিমানা পেকুয়ায় অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে গেছে ১০ বসতবাড়ি, ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি নাহিদের বাসায় তারেক রহমানের ৪৫ মিনিট কুতুবদিয়ায় ৪ বসতবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই

রাতের আঁধারে শুকিয়ে ফেলা হচ্ছে কক্সবাজার আয়কর ভবনের প্রস্তাবিত জায়গার জলাভূমি

কর অঞ্চল-৪, চট্টগ্রাম এর অধীনস্থ কক্সবাজার জেলার প্রস্তাবিত আয়কর ভবনের জন্য বরাদ্দকৃত জায়গায় অবস্থিত জলাশয়ের পানি শুকিয়ে ফেলা হচ্ছে। পানি তোলার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে তোলে ফেলা হচ্ছে সব পানি। এতে ওই এলাকায় কোন অগ্নি দুর্ঘটনা হলে ফায়ার সার্ভিস পানির সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আটটার দিকে কক্সবাজার শহরের লাবণী মোড়ে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের সামনে অবস্থিত ওই জায়গায় সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এতে সামনে ফুটপাতে পানি পড়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে।

আয়কর ভবনের প্রস্তাবিত ওই জায়গার ভেতরে গিয়ে কথা হয় এক শ্রমিকের সাথে। তিনি বলেন, মাছ ধরার জন্য শুকিয়ে ফেলা হচ্ছে পানিগুলো। এছাড়া আর কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

এবিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ টিটিএন-কে বলেন, জলাশয় ভরাট বা শুকানো আইনত অপরাধ। তারা মাছ জাল দিয়ে ধরতে পারবে তবে পানি শুকাতে পারবে না। যদি কোন দুর্বৃত্ত পানি শুকিয়ে ফেলে তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

This will close in 6 seconds

রাতের আঁধারে শুকিয়ে ফেলা হচ্ছে কক্সবাজার আয়কর ভবনের প্রস্তাবিত জায়গার জলাভূমি

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

কর অঞ্চল-৪, চট্টগ্রাম এর অধীনস্থ কক্সবাজার জেলার প্রস্তাবিত আয়কর ভবনের জন্য বরাদ্দকৃত জায়গায় অবস্থিত জলাশয়ের পানি শুকিয়ে ফেলা হচ্ছে। পানি তোলার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে তোলে ফেলা হচ্ছে সব পানি। এতে ওই এলাকায় কোন অগ্নি দুর্ঘটনা হলে ফায়ার সার্ভিস পানির সংকটে পড়তে পারে বলে মনে করছেন পরিবেশবাদীরা।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা আটটার দিকে কক্সবাজার শহরের লাবণী মোড়ে বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের সামনে অবস্থিত ওই জায়গায় সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এতে সামনে ফুটপাতে পানি পড়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে।

আয়কর ভবনের প্রস্তাবিত ওই জায়গার ভেতরে গিয়ে কথা হয় এক শ্রমিকের সাথে। তিনি বলেন, মাছ ধরার জন্য শুকিয়ে ফেলা হচ্ছে পানিগুলো। এছাড়া আর কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।

এবিষয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক এইচ এম এরশাদ টিটিএন-কে বলেন, জলাশয় ভরাট বা শুকানো আইনত অপরাধ। তারা মাছ জাল দিয়ে ধরতে পারবে তবে পানি শুকাতে পারবে না। যদি কোন দুর্বৃত্ত পানি শুকিয়ে ফেলে তাহলে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।