ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ প্রথমবারের মতো স্থানীয় ভিসি পেল সিবিআইইউ : দায়িত্ব নিলেন ড. মোকতার আহমেদ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম কক্সবাজার বিমানবন্দর: সাগরে বসানো লাইট চুরির ঘটনা কীভাবে ঘটলো? রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি, প্রতিবাদে কক্সবাজারে ‘শতকণ্ঠে রবীন্দ্র-নজরুল’ হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী খুঁটির উপর ভর করে আছে কালভার্ট, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার মানুষ রামুতে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো শামসুল হক ফাউন্ডেশন ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা! রামুতে সুপার শপে আগুন রামুতে সুপার শপে আগুন ঢাকা-কক্সবাজার রুট: মহানগর এক্সপ্রেসের টিকিট বিক্রি শুরু আজ কক্সবাজারে ৩২৪ মণ্ডপে দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী অন্যের দুর্দশার খবর লিখি, আমাদের দুর্দশা লিখবে কে? তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের

মহেশখালী-কুতুবদিয়া সংসদীয় আসনের জন্য এনসিপি থেকে মনোনয়ন ফরম নিলেন এডভোকেট নাজমুস সাকিব

কক্সবাজার-০২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) সংসদীয় আসনের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট নাজমুস সাকিব। তিনি এনসিপি সমর্থিত আইনজীবী সংগঠন ন্যাশনাল লইয়ার্স অ্যালায়েন্স এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য-সচিব।

এডভোকেট নাজমুস সাকিব শিক্ষাগত জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম সম্পন্ন করেন। তার আগে তিনি সরকারী হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম থেকে ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ থেকে এইচএসসি, এবং চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ, কক্সবাজার থেকে ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ থেকে বোর্ড স্ট্যান্ড করে এসএসসি পাস করেন।

এডভোকেট নাজমুস সাকিব বর্তমানে এনসিপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি জুলাই বিপ্লবের কালে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে তৎকালীন বিরোধীদলীয় রাজনীতির সাথে জড়িত, শীর্ষপদেও ছিলেন।

তার জন্ম মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের বানিয়াকাটা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।

তার পিতা ফরিদুল আলম মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, মা কামরুন্নেসা ফরিদ গৃহিণী।

তার দাদা মরহুম ইসহাক মিয়া ছিলেন ১৯৯১ সালে এই সংসদীয় আসন কক্সবাজার-০২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) এর নির্বাচিত এমপি।

পেশাগত জীবনে এডভোকেট নাজমুস সাকিব পূর্বে সাংবাদিকতাও করেছেন, তিনি জাতীয় পত্রিকা ভোরের কাগজ, ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য ডেইলি অবজারভার এ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন আর্টকেল ১৯ এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের এসিস্টেন্ট লিগ্যাল অফিসার এবং পরবর্তীতে কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুতুবদিয়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৮৪ আনসার-ভিডিপি সদস্য, থাকছে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’

মহেশখালী-কুতুবদিয়া সংসদীয় আসনের জন্য এনসিপি থেকে মনোনয়ন ফরম নিলেন এডভোকেট নাজমুস সাকিব

আপডেট সময় : ১০:৪৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার-০২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) সংসদীয় আসনের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়ন ফর্ম সংগ্রহ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট নাজমুস সাকিব। তিনি এনসিপি সমর্থিত আইনজীবী সংগঠন ন্যাশনাল লইয়ার্স অ্যালায়েন্স এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য-সচিব।

এডভোকেট নাজমুস সাকিব শিক্ষাগত জীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) এবং এলএলএম সম্পন্ন করেন। তার আগে তিনি সরকারী হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম থেকে ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ থেকে এইচএসসি, এবং চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ, কক্সবাজার থেকে ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ থেকে বোর্ড স্ট্যান্ড করে এসএসসি পাস করেন।

এডভোকেট নাজমুস সাকিব বর্তমানে এনসিপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি জুলাই বিপ্লবের কালে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে তৎকালীন বিরোধীদলীয় রাজনীতির সাথে জড়িত, শীর্ষপদেও ছিলেন।

তার জন্ম মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের বানিয়াকাটা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে।

তার পিতা ফরিদুল আলম মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট রাজনৈতিক নেতা, মা কামরুন্নেসা ফরিদ গৃহিণী।

তার দাদা মরহুম ইসহাক মিয়া ছিলেন ১৯৯১ সালে এই সংসদীয় আসন কক্সবাজার-০২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) এর নির্বাচিত এমপি।

পেশাগত জীবনে এডভোকেট নাজমুস সাকিব পূর্বে সাংবাদিকতাও করেছেন, তিনি জাতীয় পত্রিকা ভোরের কাগজ, ইংরেজী দৈনিক পত্রিকা ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য ডেইলি অবজারভার এ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন আর্টকেল ১৯ এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের এসিস্টেন্ট লিগ্যাল অফিসার এবং পরবর্তীতে কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।