ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল চাষিরা লবণের ন্যায্যমূল্য পেতে শুরু করেছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওশানের ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিচালক মিশু-ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটন সেবায় কর্মীদের মনোবল বাড়ায় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা ডন গ্রেফতার কোনো প্ররোচনায় বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ধূমপায়ীদের রক্তে মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক, রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের উচ্চ ঝুঁকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি থেকে ২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস বিদ্যুৎকেন্দ্র, গভীর সমুদ্রবন্দরসহ চলমান মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী  প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে মন্ত্রী-এমপিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা

থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালীতে ৩৮ শতক জমি নিয়ে প্রকৃত মালিকপক্ষ ও অবৈধভাবে দখল নেওয়ার পাঁয়তারায় থাকা ভূমিদস্যুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

গত ৩১ জুলাই, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৯–এর ভেতরে থাকা সেই জমি মাপার সময় দুই পক্ষের বিরোধের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে বিষয়টি অবগত হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার মামলায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উখিয়া পুলিশকে আদেশ জারি করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান।

গত ৩ আগস্ট, এক আদেশে তিনি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী প্রকৃত মালিকেরা হলেন – থাইংখালীর তাজনিমারখোলা গ্রামের বাসিন্দা নছরত আলী, আবুল কাশেম, শাহজাহান ও মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আদালতে দায়ের করা মামলার নথি অনুযায়ী – পালংখালী মৌজার ০.৩৮৩০ একর বা প্রায় ৩৮ দশমিক ৩০ শতক জমি তাদের বৈধ মালিকানাধীন ও ভোগদখলে ছিল। জমিটি পালংখালী মৌজার বিএস ২০৬ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের তৎসামিল সৃজিত বিএস ১৮৭২ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিবাদী পক্ষের লোকজন একসময় জমিটি জোর করে দখল করেন। পরে সেখানে ‘আলমগীর বাজার’ নামে একটি বাজার গড়ে তোলা হয়।

বিবাদীরা হলেন – ইউসুফ, তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর এবং মিজানুর রহমান।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, আলমগীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং অপর বিবাদী মিজানুর রহমানও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আসছিলেন।

এবিষয়ে বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

থাইংখালীতে জমিদখলের চেষ্টা, ১৪৪ ধারায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার আদেশ আদালতের

আপডেট সময় : ০৪:২২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালীতে ৩৮ শতক জমি নিয়ে প্রকৃত মালিকপক্ষ ও অবৈধভাবে দখল নেওয়ার পাঁয়তারায় থাকা ভূমিদস্যুদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

গত ৩১ জুলাই, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৯–এর ভেতরে থাকা সেই জমি মাপার সময় দুই পক্ষের বিরোধের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এতে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে বিষয়টি অবগত হয়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিরোধপূর্ণ জমিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার মামলায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উখিয়া পুলিশকে আদেশ জারি করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনিম জাহান।

গত ৩ আগস্ট, এক আদেশে তিনি উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী প্রকৃত মালিকেরা হলেন – থাইংখালীর তাজনিমারখোলা গ্রামের বাসিন্দা নছরত আলী, আবুল কাশেম, শাহজাহান ও মো. জাহাঙ্গীর আলম।

আদালতে দায়ের করা মামলার নথি অনুযায়ী – পালংখালী মৌজার ০.৩৮৩০ একর বা প্রায় ৩৮ দশমিক ৩০ শতক জমি তাদের বৈধ মালিকানাধীন ও ভোগদখলে ছিল। জমিটি পালংখালী মৌজার বিএস ২০৬ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের তৎসামিল সৃজিত বিএস ১৮৭২ নম্বর খতিয়ানের বিএস ১০ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিবাদী পক্ষের লোকজন একসময় জমিটি জোর করে দখল করেন। পরে সেখানে ‘আলমগীর বাজার’ নামে একটি বাজার গড়ে তোলা হয়।

বিবাদীরা হলেন – ইউসুফ, তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম, আলমগীর এবং মিজানুর রহমান।

বাদী পক্ষের অভিযোগ, আলমগীর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষক লীগের প্রভাবশালী নেতা এবং অপর বিবাদী মিজানুর রহমানও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাথে জড়িত হওয়ায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আসছিলেন।

এবিষয়ে বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।