ঢাকা ০২:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ: আহত একাধিক পেশকারপাড়ায় ফারুক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামী হলেন যারা…  সীমান্তের ৫শ হতদরিদ্রকে ফ্রীতে ৪ ধরণের সেবা দিলো ১১ বিজিবির রামুতে কোমলমতি খেলাঘর আসরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হামে মৃত্যু, সামনে ডেঙ্গু, এ কেমন জীবন? নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের দুই হোতাসহ ৭ জন কক্সবাজারে গ্রেফতার ঈদগাঁওর আলোচিত সেলিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতাউল্লাহ গ্রেফতার আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনলো বিজিবি কক্সবাজারে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবনে অস্বস্তি সোনাদিয়ায় প্রশাসনের অভিযান: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কালিরছড়ায় সাহেদের ই’য়াবা নাকি টাকার ব্যাগ ছি’নতাই? শিক্ষক সংকটসহ শিক্ষা খাতের সমস্যা সমাধানে নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪ হোটেল সী-হার্টের মালিক জাহাঙ্গীর আলম মারা গেছেন পেকুয়ায় পুকুরে গোসলে নেমে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ: আহত একাধিক

ডিজিএফআই কর্মকর্তা ও মুহিবুল্লা হত্যায় জড়িত ছিলো আরসা কমান্ডার লালু: অস্ত্রসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৪:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)-এর সক্রিয় কমান্ডার জাহিদ হোসেন প্রকাশ লালুকে (৪০) আটক করেছে সেনাবাহিনী।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) এলাকায় রামু সেনানিবাসের ১০ পদাতিক ডিভিশনের একটি বিশেষ আভিযানিক দল এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে আটককৃত লালুর কাছ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

​গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, আটককৃত লালু দীর্ঘদিন ধরে আরসা প্রধান হাফেজ আতাউল্লাহ আবু আম্মার জুনুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও দেহরক্ষী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে আরসার বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্যতম হোতা।

২০২১ সালে রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ড, ডিজিএফআই কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার রেজোয়ান হত্যা এবং ক্যাম্প-১৮-এর মাদ্রাসায় হামলা চালিয়ে শিক্ষক-ছাত্রসহ ৬ জনকে হত্যার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবেও সে পরিচিত।

​সেনাবাহিনী সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নির্বিঘ্ন করতে এবং রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ স্থানীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এই গ্রেফতারি অভিযান দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। আটককৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।